এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

অনুবাদ কবিতা : নববর্ষ – এলা হুইলার উইলকক্স

ভাষান্তর : শফিউল আজম মাহফুজ
নববর্ষের কবিতায় কিবা বলা যায় আর
যা হয়নি বলা শত সহস্রবার
নতুন বছর আসে, পুরানো বছর পিছু হটে
জানি মোরা স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখি জানি বটে।
হাসিমুখে জেগে উঠি, কোন এক নতুন প্রাতে
কেঁদে-কেটে ঘুমে লুটাই, আবার কোন আঁধার রাতে।
যতক্ষণ না কামড় বসায়, জড়িয়ে রাখি ধরনীর চারপাশ
অতঃপর দিই অভিশাপ, আর ডানার জন্য ফেলি দীর্ঘশ্বাস।
আমরা বাঁচি, ভালোবাসি, প্রণয় করি, ফোটাই মোরা বিয়ের কলি,
নতুন বউদের সাজিয়ে তুলি, আর মৃতদের মোরা ঢেকে ফেলি।
আমরা হাসি, আমরা কাঁদি, আশা করি, ভয়েও মরি
নববর্ষে এসব ভারে আবার মোরা নুয়ে পড়ি।
এলা হুইলার উইলকক্স (১৮৫০-১৯১৯) ঊনিশ শতকের মার্কিন মুলুকের কবি। মাত্র আট বছর বয়সেই তার কবিতা লেখার হাতেখড়ি হয়। হাই স্কুলের লেখাপড়ার পাঠ চুকানোর আগেই তিনি তাঁর জন্ম নগরীতে কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। জন্মেছিলেন উইসকনসিনের জোন্সটাউনে সেই ১৮৫০ সালের ৫ নভেম্বর। তাঁর ইতিবাচক মনোভাব এবং অনুপ্রেরণামূলক বিষয়বস্তুর জন্য তিনি সারা জীবনই সমাদৃত ছিলেন। তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় কবিতা “Solitude” শুরু হয়েছে এভাবে-
Laugh, and the world laughs with you
Weep, and you weep alone
“হাসো, আর পুরো পৃথিবী উঠবে হেসে/কাঁদো, স্বান্তনা দিবেনা কেউ এসে।”
এই জনপ্রিয় কবিতাটি তাঁর ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনার স¦াক্ষর বহন করে। শুধু কবিতাই নয়, উইলকক্স উপন্যাস, প্রবন্ধ, এবং বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে কলাম লিখেছেন প্রচুর। ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত “Poems of Passion” নামক কাব্যগ্রন্থটিও তাঁকে বেশ খানিকটা খ্যাতি এনে দেয়। যদিও সময়ের বিচারে কাব্যগ্রন্থটিতে অনেক বিতর্কিত বিষয় স্থান পায়, কিন্তু তা সে সময়ের পাঠকদের এবং পরবর্তী পাঠকদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়।
নতুন বছর নিয়ে উইলকক্সেরও কয়েকটি কবিতা আছে। এখানে তার “The Year” কবিতাটি অনুবাদ করা হয়েছে।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো