এখন সময়:রাত ১০:৪২- আজ: রবিবার-১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ১০:৪২- আজ: রবিবার
১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

আমাদের জাতীয় চলচ্চিত্রের অন্বেষণ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা 

আলম খোরশেদ

সদ্যস্বাধীন যে-দেশটির চলচ্চিত্রযাত্রার শুরুটাই হয় স্টপ জেনোসাইড এর মতো একটি বিশ্বমানের ছবি এবং জহির রায়হানের মতো একজন মেধাবী, নির্ভীক ও দায়বদ্ধ চলচ্চিত্রকারের হাত দিয়ে, সেই দেশের চলচ্চিত্র নিয়ে তো কারও কোনো দুর্ভাবনাই থাকার কথা ছিল না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে বর্তমানে যে-শিল্পমাধ্যমটি সবচেয়ে পিছিয়ে-পড়া এবং নাজুক অবস্থায় রয়েছে, সেটি এই চলচ্চিত্রশিল্প। এর কারণ হয়তো খুঁজলে অনেকই পাওয়া যাবে, কিন্তু একথা তো সত্য যে, স্বাধীন বাংলাদেশের একেবারে সূচনালগ্নেই এই ক্ষণজন্মা মানুষটির আচমকা চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার মতো ট্রাজিক একটি ঘটনা থেকে সৃষ্ট ক্ষত ও ক্ষতিটুকু বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্প আর কোনোদিনই পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। আজকাল আমরা অনেকের মুখেই ‘বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র’ বলে একটি কথা শুনতে পাই। এটি আসলে আর কিছুই নয়, বাংলাদেশের নিজস্ব বাস্তবতা ও পরিপ্রেক্ষিত তথা ইতিহাস, রাজনীতি, সময়, সমাজ ও সংস্কৃতির ভিত্তিমূলে প্রোথিত এমন এক চলচ্চিত্রিক ভাষা ও ভাষ্য, যার সঙ্গে একদিকে যেমন আমাদের নিজের মানুষেরা সহজে একাত্মতা বোধ করবে, অন্যদিকে তেমনি বহির্বিশ্বের বৃহত্তর দর্শকবোদ্ধারাও খুঁজে পাবে এ দেশের জলহাওয়া, আত্মা ও অবয়বের প্রকৃত পরিচয়টিকে। জহির রায়হান স্বাধীনতার ঠিক অব্যবহিত পূর্বে তাঁর বহুল আলোচিত জীবন থেকে নেয়া ছবিটির মাধ্যমে ঠিক এই কাজটিরই শুভসূচনা করেছিলেন। আমাদের দুর্ভাগ্য, তিনি তাঁর এই মহতী কাজটিকে আরও বিকশিত, আরও পরিপূর্ণ আঙ্গিকে একটি যৌক্তিক পরিণতিতে নিয়ে যাওয়ার সময় আর পাননি।

তবে, আরেকজন ঠিকই এগিয়ে এসেছিলেন তাঁর গৌরবময় পদচিহ্ন ধরে, তাঁর এই অসমাপ্ত কাজটিকে পূর্ণতা দিতে। আমাদের পরম পাওয়া এই যে, তিনিও একজন মহান মুক্তিসেনানী, তাঁরই সতীর্থ, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের সাহসী শব্দসৈনিক আলমগীর কবির। আলমগীর কবিরও জহির রায়হানেরই মতো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কলকাতায় বসে লিবারেশন ফাইটার নামে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রযাত্রার শুভ মহরত করেন, যে-তালিকায় দ্রুতই যুক্ত হয় প্রোগ্রাম ইন বাংলাদেশ নামে তাঁর প্রিয় স্বদেশে সংঘটিত গণহত্যাবিষয়ে আরও একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে জহির রায়হানের ট্রাজিক অন্তর্ধানের পর, দেশীয় চলচ্চিত্রের হাল ধরতে অতঃপর এগিয়ে আসতে হলো তাঁকেই। তিনি স্বাধীনতার ঠিক এক বছরের মাথায় নির্মাণ করলেন তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩), যেটি এক অর্থে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবিই, কেননা সেখানে তিনি এক ভিনদেশি নারীর চোখে যুদ্ধপরবর্তী বাংলাদেশের পরিবর্তিত বাস্তবতার ছবি তুলে ধরেন, মুক্তিযুদ্ধের বৃহত্তর চালচিত্রটিকে সামনে রেখেই, এবং এই কাজে তিনি দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করেন তাঁর দীক্ষাগুরু জহির রায়হানেরই তোলা বেশকিছু যুদ্ধকালীন স্থির ও সচলচিত্রের ফুটেজ। এটিকে তাই আরেক অর্থে জহির রায়হানের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধাঞ্জলিও বলা যায় বৈকি।

পরম পরিতাপের বিষয়, এই অসম্ভব গুণী, মেধাবী, প্রগতিশীল ও স্বাপ্নিক মানুষটির চলচ্চিত্র জীবনটিও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি মোটেও। ১৯৮৯ সালে এক দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনায় তাঁর করুণ জীবনাবসানের আগে, তিনি সূর্যকন্যা (১৯৭৫), সীমানা পেরিয়ে (১৯৭৭), রূপালী সৈকতে (১৯৭৯), মোহনা (১৯৮২) র মতো যে-মুষ্টিমেয় ক’টি ছবি বানাতে সক্ষম হয়েছিলেন, সেগুলো যে মূলত বাংলাদেশের সেই পূর্বকথিত ‘জাতীয় চলচ্চিত্রে’রই একটি রূপরেখা নির্মাণের প্রয়াস ছিল, আর তাতে যে প্রেরণা জুগিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি ও চেতনার উৎকর্ষ, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি সেই লক্ষ্যে আরও একটি বড় ও খুব প্রয়োজনীয় কাজও করে যেতে পেরেছিলেন। সেটি হচ্ছে, নবগঠিত বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের অধীনে একটি সুপরিকল্পিত এবং সত্যিকার অর্থেই মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র অধ্যয়ন কর্মশালা তথা ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সের প্রবর্তন। এরই প্রত্যক্ষ ফসল হিসাবে বাংলাদেশ পেয়েছিল তানভীর মোকাম্মেল, মোরশেদুল ইসলাম, মানযারে হাসিন মুরাদ, শামীম আখতার, তারেক মাসুদ প্রমুখের মতো ক’জন যোগ্য উত্তরসূরিকে, যাঁরা তাঁর মৃত্যুর পর বাংলাদেশের সুস্থধারার চলচ্চিত্রের প্রায় নিভু নিভু শিখাটিকে একেবারেই নিভে যেতে না দিয়ে বেশ ভালোভাবে জ্বালিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। এখানে উল্লেখ্য,এঁদের প্রায় সবারই বৌদ্ধিক, রাজনৈতিক ও শৈল্পিক প্রেরণা আর পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছিলেন, আদ্যন্ত চলচ্চিত্রপ্রাণ ও দেশপ্রেমিক আরেক স্বাপ্নিক পুরুষ, মুহম্মদ খসরু তাঁর নাম, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস যাঁর নামোল্লেখ ব্যতিরেকে অসম্পূর্ণ থেকে যেতে বাধ্য।

তো, উপর্যুক্ত চলচ্চিত্রকারদের প্রায় সবারই মূল প্রেরণা ও প্রণোদনা ছিল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ, আর সেই আরাধ্য ‘জাতীয় চলচ্চিত্র’ তথা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রমাধ্যমটির জন্য একটি নিজস্ব ভাষা, ব্যাকরণ ও চারিত্র নির্মাণের অভীপ্সা ও অন্বেষণ। এই তাড়না ও তাগিদ থেকেই তানভীর মোকাম্মেল একে একে নির্মাণ করেন হুলিয়া (১৯৮৪), স্মৃতি একাত্তর (১৯৯১), নদীর নাম মধুমতী (১৯৯৬), নিঃসঙ্গ সারথী (২০০৭), রাবেয়া (২০০৮), ১৯৭১ (২০১১), জীবনঢুলী (২০১২), রূপসা নদীর বাঁকের (২০২১) মতো স্বল্প ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রসমূহ, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল কাহিনি ও প্রামাণ্যচিত্র দুটোই। তাঁর অপর সতীর্থ মোরশেদ ইসলামও নির্মাণ করেন আগামী (১৯৮৪), সূচনা (১৯৮৮), শরৎ ৭১ (২০০০), খেলাঘর (২০০৬), আমার বন্ধু রাশেদ (২০১১), অনিল বাগচির একদিন (২০১৫) এর মতো মুক্তিযুদ্ধনির্ভর গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছবি। তাঁদেরই আরেক সহযোদ্ধা শামীম আখতার, যিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নারীনির্মাতাও বটে, এ পর্যন্ত তিনটি পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণ করেন এবং এই তিনটিরই উপজীব্য মুক্তিযুদ্ধ: ইতিহাসকন্যা (১৯৯৯), শিলালিপি (২০০২) ও রিনা ব্রাউন (২০১৭)। আর তাঁদের কনিষ্ঠতর সহযোগী তারেক মাসুদ নির্মিত মুক্তির গান (১৯৯৫) তো নিছক একটি চলচ্চিত্রই ছিল না, এটি বাংলাদেশে ১৯৭৫ এর দুঃখজনক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর, বিস্মৃতির অতল অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, সত্তা ও চেতনাকে জনমানসে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মাঝে, ফিরিয়ে আনার কাজে বিপুল ও বৈপ্লবিক ভূমিকা রেখেছিল। তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদের এর পরের কাজগুলো, যথা, মুক্তির কথা (১৯৯৬), নারীর কথা (১৯৯৭) ও মাটির ময়না (২০০২) তেও আমরা মুক্তিযুদ্ধকেই নানারূপে ও নানামাত্রায় উপস্থাপিত হতে দেখি। আর সত্যি বলতে কি, এই তালিকার শেষোক্ত ছবি মাটির ময়নার মাধ্যমেই কার্যত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র প্রথমবারের মতো স্বীয় শক্তি ও স্বরূপে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রবেশ এবং বিশ্বদর্শকের সপ্রশংস দৃষ্টি ও সমীহ অর্জন করতে সক্ষম হয়। শুধু তা-ই নয়, বিশেষ করে এই ছবিটির মধ্যেই যেন আমরা সেই কাক্সিক্ষত জাতীয় চলচ্চিত্রের সত্যিকার স্বরূপটিকে অনেকটাই স্পষ্ট করে দেখতে পাই, খুঁজে পাই আমাদের চলচ্চিত্রের নিজস্ব ভাষা ও ভঙ্গির প্রকৃত অভিমুখটিকেও।

বাংলাদেশে এঁদের কিঞ্চিৎ আগে, পরে কিংবা পাশাপাশি, আরও যাঁরা একক ও বিচ্ছিন্নভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছিলেন এবং এখনও যাচ্ছেন, তাঁদের অনেকেরই মূল চলচ্চিত্রভাবনা ও অবলম্বনের জায়গাটিও ছিল প্রধানত মুক্তিযুদ্ধ-আশ্রিত। এঁদের বেশকিছু কাজ, যেমন, সৈয়দ সালাউহ্দ্দিন জাকীর ঘুড্ডি (১৯৮০), নাসিউদ্দীন ইউসুফের একাত্তরের যীশু (১৯৯৩) ও গেরিলা (২০১১), হুমায়ূন আহমেদের আগুনের পরশমণি (১৯৯৪) ও শ্যামল ছায়া (২০০৪), ইয়াসমিন কবিরের স্বাধীনতা (২০০৩), তৌকীর আহমেদের জয়যাত্রা (২০০৪), জাহিদুর রহিম অঞ্জনের মেঘমল্লার (২০১৫), শবনম ফেরদৌসীর জন্মসাথী (২০১৭) ইত্যাদিও বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের আত্মপরিচয় অনুসন্ধান ও প্রতিষ্ঠার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখানে আরেকটি কথা বলা দরকার, আলমগীর কবিরের পূর্বোল্লেখিত তরুণ তুর্কি শিষ্যেরা মিলে সেই সময়কার বাণিজ্যিক ছবির অসুস্থ আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধস্বরূপ শর্ট ফিল্ম ফোরাম নামে যে-বিকল্পধারার চলচ্চিত্র সংগঠনটি গড়ে তুলেছিলেন, সেটিও আমাদের জাতীয় চলচ্চিত্রের স্বরূপ অন্বেষণে ও তার ভিত্তিনির্মাণে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রেখেছিল। বিশেষ করে স্বল্পপুঁজিতে স্বল্পদৈর্ঘ্য কিন্তু বৃহৎ ভাবনার চলচ্চিত্র নির্মাণ করে সেগুলোকে স্বীয় উদ্যোগে এবং বিকল্প পন্থায় দেশময় প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে তাঁরা আমাদের প্রায় জিম্মি হয়ে পড়া সুস্থ চলচ্চিত্রের ধারাটিকে পুনরায় মুক্ত ও বেগবান করার কাজে অসাধ্য সাধন করেছিলেন। পাশাপাশি, নতুন প্রজন্মের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের নিরন্তর উৎসাহ, অনুপ্রেরণা, প্রশিক্ষণ ও পথনির্দেশনা দিয়ে, একটি সুস্থ ও শক্তিশালী উত্তরাধিকার নির্মাণের দায়িত্বটুকুও তাঁরা নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন।

তবে আমাদের চরম দুর্ভাগ্য, বাংলাদেশের বিকাশমান চলচ্চিত্রশিল্পটি আরও সবল ও স্বনির্ভর হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারার আগেই তার ওপর আরও একবার নেমে আসে অপ্রত্যাশিত এক অপমৃত্যুর খড়্গ। ২০১১ সালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান নতুন বাংলা চলচ্চিত্রের বরপুত্র তারেক মাসুদ এবং তাঁর সহযোগী সহযোদ্ধা, কুশলী চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীর। এই আচমকা আঘাতে তিলে তিলে সাহস ও শক্তি সঞ্চয় করে ক্রমে বেড়ে উঠতে থাকা আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পটির বেশ বড়রকম ক্ষতি হয়ে গেছে সন্দেহ নেই, যার মাশুল আমরা এখনও দিয়ে যাচ্ছি নানাভাবে। তবে আশার কথা এই যে, সাইফুল ওয়াদুদ হেলাল, শাহীন দিল-রিয়াজ, এন রাশেদ চৌধুরী, নুরুল আলম আতিক, কামার আহমাদ সাইমন, রুবাইয়াত হোসেন, হুমায়রা বিলকিস, সৈয়দা নিগার বানু, যুবরাজ শামীম, রিয়াদ আরফিনদের মতো বেশ ক’জন মেধাবী, শিল্প ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ চলচ্চিত্রকারকেও একইসঙ্গে উঠে আসতে দেখছি আমরা, অদূর ভবিষ্যতে যাদের হাতেই সম্ভবত বাস্তবায়িত হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আশ্রয় করে নির্মিত, বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্রের যথার্থ রূপকল্পখানি।

 

আলম খোরশেদ, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক

চট্টগ্রামী প্রবাদের প্রথম গ্রন্থ : রচয়িতা জেমস ড্রমন্ড এন্ডার্সন

মহীবুল আজিজ জেমস ড্রমন্ড এন্ডার্সন (১৮৫২-১৯২০), সংক্ষেপে জে ডি এন্ডার্সন আজ থেকে একশ’ সাতাশ বছর আগে চট্টগ্রামী প্রবাদের সর্বপ্রাথমিক গ্রন্থটি রচনা-সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন। চট্টগ্রামী

দেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই (সম্পাদকীয়- জুন ২০২৪ সংখ্যা)

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সম্প্রতি আমাদের দেশসহ উপমহাদেশে যে তাপদাহ শুরু হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই