এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

গাজী গিয়াস উদ্দিন এর গুচ্ছ কবিতা

ব্যাধিও ভালোবাসে

 

তুমি জানো- কতোটা অন্তর পোড়ে

জানি, যেভাবে কর্কট পোড়ে শরীর

ব্যাধি কি দেহ ভালোবাসে?

 

প্রতারিত হয়ো না প্রেমিকা

হৃদয়ের তাপে সঞ্চিত অনুতাপ

কে সরাবে জগতে এসব জঞ্জাল?

 

এ পথে অনিশ্চিত নাবিক

বলো না সবে সুখী

ক্ষমিও, ভুলো না এ দুঃখী!

 

 

 

বয়সের ওইটুকু সময়

 

সীমান্ত পাড়ি দিয়ে হৃদয়ের মূল্য দিতে

প্রতারিত হয়ে বিনিময়ে দুঃখ পেতে

তবু বয়সের ওইটুকু সময়

জীবনের অমূল্য বিজয়

 

কিছু নিষ্ঠুর ওই ললনাদের

অন্তরে রক্ত ঝরায়

রক্তাক্ত চিত্ত সান্ত্বনা খুঁজবে কোথায়?

 

হে পরমাত্মা

আত্মার জখম নিরাময়ে

জগতের কষ্টগুলোর হবে না বিনাশ?

আবেগমথিত বিশুদ্ধ অঙ্গীকার

এ বয়সে ভয় নেই হারাবার…..

 

 

 

পলাশ প্রণাম

 

এখনো গোলাপ মরমে দাঁড়িয়ে

ভ্যালেন্টাইন মেলায় বিনিদ্র তরুণী,

তার পায়ে পলাশ প্রণাম – প্রেমঅরণি!

 

তোমার মনেতে মাগো বাঁচে সে সুর

স্বর্গীয় প্রেমের অপমান নরকে প্রচুর।

তোমার গোলাপ – মন প্রস্ফুটিত প্রাণ

এ অমর বাতি জ্বালিয়ে রেখো আপ্রাণ।

 

এ বাংলায় ভালোবাসার নেই আর ভয়

চিরকাল থাকুক অটুট ভ্যালেন্টাইন বিজয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

ফুলঘুম

 

ফুলঘুম শিউলি মালার আনন্দ শর্বরী

বেলীর আতর- হাস্নার সুবাস

বেলা বয় সুস্বাস্থ্যে

 

ভালোকাজে রবি অস্ত যায়

তারকারা উঁকি দেয়

পাখিরাও ক্লান্ত পুষ্প বাগে

 

ফিরে যাই জননী কাঁখে বারবার

মার্জারী ঘুম ফিরে শৈশবে

অনাবিল ইচ্ছেরা জাগে

 

অরণ্য পেরিয়ে পাখি -সভ্যতা

এরপর উদ্ভিদ সুসভ্য জগৎ

সুবেলা জাগে আস্তে আস্তে।।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো