এখন সময়:রাত ৯:১১- আজ: রবিবার-১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ৯:১১- আজ: রবিবার
১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম বাঙলা সম্মিলন ২০২৩ : মাঝে সাজে হোক একটু দেখা বাংলা বিভাগের হে প্রিয় সখা

রুহু রুহেল :
ঝাঁক বেঁধে এরা ছুটছে আর ছুটছে
কারো গন্তব্য সোজা শ্রেণি কক্ষে
কারো গ্যালারিতে
কারো নিবিড় ধ্যানী গমন গ্রন্থাগার ভবন
কারো হয়তো বিশেষ সমাবিষ্ট স্থান
বোটানিক্যাল গার্ডেন
অথবা ঝুপড়ির মউ এর মতোন
অজস্র দোকানের টি স্টল।

জমছে জমে যায় জস্পেশ আড্ডার
ধুম্র ফোরানো কাল সমকাল
সেখানেই চোখাচোখি স্বপ্নে দেখা
অপ্সরী প্রিয়তম মোহনার!
বলেছিলে গভীর প্রত্যয়ে
শাটলের উপলক্ষে
ভালোবাসি ভালোবাসি স্পন্দন তোমায়!
( রুহু)

দিন যায় কথা থাকে
দিন যায় কথা থাকে
সে যে কথা দিয়ে রাখলো না

হ্যাঁ কেউ কথা রাখে আবার কেউ রাখে না , এই কথা রাখা না রাখা নিয়েই তো চলে আমাদের ভবিতব্য জীবন। হিম হিম কুয়াশা ভোরের পৌষের সকালে ৭ জানুয়ারি ২৩ এর কালে চাঁন্দগাও আবাসিক বি-ব্লক হতে বেরিয়ে পড়লাম । রাস্তায় এসে দেখি কুয়াশা পড়ে পুরো রাস্তা ভিজে গেছে ! ভেবেছিলাম বৃষ্টিতে ভিজেছে পথ, পরক্ষণেই সত্য জেনেছি না – এ বৃষ্টির ভেজা পথ নয় কুয়াশার ঘনঘোর আস্তরণে ভিজে আছে পথ। ঠিক আটটা ছয় সময়ে পৌছে গেলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছার আমার গতিপথ ষোলশহর রেল স্টেশন । পৌঁছে আমার এক পুরনো বন্ধুর সাথে দেখা ভুলে গিয়েছিলাম নুরুদ্দিনের কথা, বন্ধুটি নিজেই পরিচয় দিয়ে জানালো আমি নুরুদ্দিন এক বছর ড্রপ দিয়েছিলাম। চিনতে আর ভুল হলো না। এদিক ওদিক তাকাচ্ছি আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীর সন্নিবেশ। ওরা কতরকম কিচিরমিচির করছে শিক্ষার্থীরা কত কথা বলে! তাদের এ আচরণে আমারও মনে পড়ে গেল আমিও তো ষোল শহর এ স্টেশনে নেমে এই প্রান্ত ওই প্রান্ত ঘুরে অপেক্ষার প্রহর গুনতাম পরিচিতজনদের সাথে কত কথা বলতাম । এরই মধ্যে আমাদের সাধারণ সম্পাদক অগ্রজ কবি জিন্নাহ চৌধুরীকে ফোন দিয়েছি তিনি হয়তো ব্যস্ত ছিলেন রিসিভ হয়নি । ফোন দিলাম সহপাঠী বিচিত্রার কাছে জানলাম ট্রেন ছাড়বে সাড়ে আটটায়, ভাবলাম ভুলই না করলাম এত আগে এসে ! কিন্তু না ভুল ভাঙতে বেশিক্ষণ লাগলো না সকাল ৮ টা ২০ এর দিকে ট্রেন চলে আসলো কাঙ্ক্ষিত শাটল ট্রেন। জেনেছিলাম ডেমো ট্রেন আসবে। ট্রেন এর দিকে তাকিয়েই প্রথম যাকে দেখলাম অগ্রজ সমীর কান্তি দাস যিনি অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন বোয়ালখালী কলেজের । তিনি আমাকে দেখেই সানন্দে বললেন ওঠেন ওঠেন সবাই আছে পেছনের বগিতে। একটা বগিতেই দুজনেই চড়ে বসলাম , ট্রেন চলল চবিয়ানদের চিরচেনা গতিতে।

তবে বলে রাখি পঞ্চম বাঙলা সম্মিলন এর মিলনমেলার গতিপথ সুনির্দিষ্ট ভাবে শুরু হয়েছিল বটতলি স্টেশন হতে। সকালে শহরের বিভিন্ন এলাকা হতে জড়ো হলো অধিকাংশ চবিয়ানদের পরিচিত জায়গা চট্টগ্রামের রেল স্টেশন এ বটতলিতে । পঞ্চম বাঙলা সম্মিলন ২০২৩ এর উদ্দেশ্যে মনমুগ্ধকর যাত্রা ৭ঃ৩০ এই ছিল। জড়ো হতে না হতেই শুরু হয়ে গেল আনন্দের উচ্ছ্বলতা, নাচে গানে ঢোল বাদকদের তালে তালে শুরু হয়ে গেল ট্রেনের আনন্দ অভিগমন। ছবি তোলার নিজস্বিতায় এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি দূর লক্ষণীয় নয়! কতদিন যেন দেখা হয় না বন্ধুর সাথে বন্ধুর !! আজ যেন পেয়ে গেল বহুদিন প্রতীক্ষার পর বন্ধুর সাথে বন্ধুর দেখা। হাতে হাত ছুঁয়ে বিনিময় করেছে শীতল আর উষ্ণতার মধুর পেলবতা। ট্রেন ছাড়লো আরেকটু পরে ৭:৫০ এর দিকে আমি তো অপেক্ষাই করছিলাম ষোলশহর স্টেশনে।


জেনেছি ট্রেনের ভেতর অনেক ব্যাচের মিলিত বন্ধুরা আনন্দবন্যা বইয়ে দিয়েছেন ।

আমরা যখন নামলাম বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেন স্টেশনের প্লাটফর্মে তখন সময় ৯ টা পেরিয়েছে। ট্রেনের প্লাটফর্মে দেখা গেল অসংখ্য বাঙলা সম্মিলনের সহযাত্রীদের আরেক আনন্দঘন মুহূর্তের অবতারণা বিশ্ববিদ্যালয় জিরো পয়েন্ট পার হয়ে চললাম কাঁটা পাহাড়ের মাঝ দিয়ে , আমরা চলছি সঙ্গে ঢোল বাদকদল নানান সুর তরঙ্গে আমাদের সঙ্গে সঙ্গে জারুলতলার অভিমুখে চলছে , ক্যামেরাম্যান ও আমাদের সঙ্গে সঙ্গে নানা রকম ছবি ধারণ করে আমাদের অভিগমনের সৌন্দর্যকে স্মৃতির রাজ্যে ধারণ করে রাখতে সুন্দর সহযোগ দিয়ে যাচ্ছে । হেঁটে হেঁটে দলবদ্ধভাবে পৌঁছে গেলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চিরপরিচিত জারুলতলায়।

দেখলাম বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা বেশ বেশ কয়েকটি বুথে সেবা দিয়ে যাচ্ছে যোগদানকারী সকল সদস্যকে। সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে সংগ্রহ করছেন টোকেন এবং গিফট আইটেম গুলো। আমিও সংগ্রহ করলাম স্বাক্ষর করে নিলাম চমৎকার ব্যাগ । ব্যাগের ভেতর আছে চমৎকার রক্তবর্ণের টি শার্ট, একটি লালবর্ণের ক্যাপ, মুখম-ল উপযোগী সুন্দর মাস্ক, এবং সুদৃশ্য মগ, সবটাতেই অনিন্দ্যে দৃশ্যমান বাংলা সম্মিলন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন । সবাই ব্যাগের সাথে বুঝে নিচ্ছিলেন টিকিটের বাহারি অংশও । সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার , বিকেলের নাস্তা এবং রেফেল ড্রয়ের দুটো অংশ।

একটু পর শুরু হয়ে গেল আনন্দঘন র ্য লির আয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন কৃষ্ণচূড়ার সমারোহে লালিমার ক্যাপে যেন ভরে উঠলো ফুলে ফুলে । রেলির পথ পরিক্রমা ছিল জারুলতলা হতে শহীদ মিনার পর্যন্ত।
জারুলতলায় ফিরে এসে ততক্ষণে এসে পৌঁছলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য শিরিন আক্তার তিনি উদ্বোধন করলেন । বাঙলা সম্মিলনের কার্যকরী পরিষদের সভাপতি কথাকার বিশ্বজিৎ চৌধুরী ঘোষণা মঞ্চে একে একে আমন্ত্রণ জানালেন
বাংলা বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. ডাসলিমা শিরিন , মানব বিদ্যে বিভাগের প্রাক্তন ডিন ড.মহীবুল আজিজ স্যার ও ড. নুরুল আমিন স্যারকেও। প্রত্যেকেই বাংলা বিভাগের পুরোধা ব্যক্তিত্বদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করলেন, বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর সৈয়দ আলী আহসান প্রফেসর আনিসুজ্জামান , আবু হেনা মোস্তফা কামাল, রশিদ আল ফারুকী, সুলতান আহমেদ ভূঁইয়া ,আলাউদ্দিন আল আজাদ, দিলওয়ার হুসেন , ভূঁইয়া ইকবালসহ সকল স্যারকে।
চা কফির আয়োজন হরদম চলছিল আর চলছিল যার যখন ইচ্ছে পান করে নিচ্ছেন গরম গরম চা। নাস্তার প্যাকেটে অনেক মজাদার খাবার ছিল আমি কম খেতে পারি বিধায় স্যান্ডউইচ টা দিয়ে দিয়েছিলাম আমার এক বন্ধুকে এবং মিষ্টিটাও। অনেকের কাছে শুনলাম স্যান্ডউইচ টা অসাধারণ ছিল কিছুটা অনুতাপও করলাম আহারে স্যান্ডউইচ কেন খেলাম না!! উদ্বোধনী ঘোষণায় মাননীয় উপাচার্য বললেন আজ অনেক অনুষ্ঠান , ফরেস্ট্রি বিভাগেরও আজকে হাজারের উপর অংশগ্রহণকারী নিয়ে জমজমাট অনুষ্ঠান ওখানে উদ্বোধন করছি ঠিকই আমার মন পড়ে আছে এ বাঙলা সম্মিলনে কারণ এই বিভক্ত আমারই বিভাগ এই বাংলা বিভাগেই আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে খ্যাতি এবং সম্মান। উপ-উপাচার্য বেনু কুমার দে বেশ রসিকতা করে কথা বলছিলেন ।

পঞ্চম বাংলা সম্মিলনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আরেকটি বিষয় যুক্ত হয়েছিল সেটি ছিল ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত তিনজন সাহিত্যিক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের গৌরব। অষ্টম ব্যাচের কবি বিমল গুহ, দশম ব্যাচের কবি আসাদ মান্নান, এবং ১৫ তম ব্যাচের কথাসাহিত্যিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী। মাননীয় উপাচার্যের হাত দিয়ে সবাইকে সুদৃশ্য স্মরক ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয় যা বাংলা সম্মেলনের লোগোর স্মারকৃতিকেই ধারণ করে আছে। এই লোগোটিও আশির দশকের অন্যতম কবি ও প্রচ্ছদশিল্পী দেশের গৌরব কবি খালেদ আহসানকৃত । তিনিও এই বাংলা বিভাগেরই খ্যাতিমান দেশগৌরব।
আরো একটি বিষয় মাননীয় উপাচার্য ড শিরিন আক্তার রোকেয়া পদক প্রাপ্তিতে বাঙলা সম্মিলনের পক্ষ থেকে ওনাকেও লোগো স্মারক সম্মাননা পদক তুলে দেয়া হয়। স্মৃতিচারণে অংশগ্রহণ করেন কবি ও কথাসাহিত্যিক প্রাবন্ধিক গবেষক মহীবুল আজিজ স্যার, ডক্টর নুরুল আমিন স্যার লেফটেন্যান্ট কর্নে ল মাহমুদুল ইসলাম, কবি বিমল গুহ কবে আসাদ মান্নান ওমর কায়সার বিশ্বজিৎ চৌধুরী
সম্মাননা স্মারক পদক শেষে শুরু হল অনেকদিন ধরে রিহার্সেল করা বিশেষ আয়োজন গানের আয়োজন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উপস্থাপন করেন কবি সঞ্জীব বড়ুয়া, জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হলো সমবেত কন্ঠে গান, দ্বৈত গান, একক গান এর পরিবেশনা। সংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ গ্রহণ করেন অনেকে। অগ্রজ সতীর্থ ইমরান চৌধুরী একক গানে মাতিয়ে রেখেছিলেন , বিশ্বজিৎ চৌধুরী মনি দীপা অংশগ্রহণ করেন দ্বৈত গানে , শুভ্রা বিশ্বাস, করবী চৌধুরী , চম্পা বড়ুয়া, এবং প্যারোডি নায়ক মুজাহিদ বিল্লাহ ফারুকী একক গানে আরো একটি দ্বৈত গানে অংশগ্রহণ করে ২৩ ব্যাচ এর বন্ধু বিচিত্রা সেন ও বিকিরণ বড়ুয়া । খুবই সুন্দর গান পরিবেশন করে সবাইকে মুগ্ধতায় রেখেছিল অনুজ কয়েকজন শিল্পী।

শুরু হলো কবি ও কবিতার সহযাত্রীদের মধুর পর্ব।
প্রফেসর আইয়ুব ভূঁইয়া ও রেখা নাজনিনের উপস্থাপনায় মনোজ্ঞ স্মৃতিচারণ ও কবিতা পাঠের বিভাবনের আসর। কোন সন্দেহ নেই প্রফেসর আইয়ুব ভুঁইয়ার উপস্থাপনা ছিল অত্যন্ত মজার এবং উপভোগ্য। দারুন কথাকার তিনি হাস্যরসে পরিপূর্ণ। সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় ছিল প্রফেসর মোজাহিদ বিল্লাহ ফারুকী ভাইয়ের গানের প্যারোডি উপস্থাপনা । বাঙলা সম্মিলনের এরকম একজন অসাধারণ রসানুভবী ব্যক্তিত্ব দ্বিতীয়টি আর নেই। ওনার কাছে অগ্রজ , সতীর্থ, অনুজ সবাই যেন বাংলা বিভাগের আপনজন যেন।

সন্ধ্যার পর সবচেয়ে আরো আকর্ষণীয় ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ সাদির পরিবেশনা এবং তার পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সরলা ব্যান্ডের গান।
বাউল ও সুফি ঘরানার গান করে এমন অবস্থা তৈরি করেছিল যেন সবাই মুগ্ধ নয়নে হা করে তাকিয়ে গান শুনছিল অন্যদিকে সন্ধ্যা শেষে রাত আটটার দিকে ট্রেন ছেড়ে যাবে সেজন্য তাড়া করছিলেন মঞ্চে বিশ্বজিৎ দা এবং জিন্নাহ ভাই । এশার নামাজের আজান বিরতিতে রাফেল ড্র কিছুক্ষণ চালালেন ।। পরিশেষে সরলার শেষ গানটি যখন বিপুল নিমগ্নতায় সুর তাল ও লয়ের ঝংকারে সবাইকে বিমোহিত করে রাখছিল সুরের একাগ্রবীণা যেন থামতেই চাইল না। তবুও থামতেই যে হয় সাড়ে আটটার ট্রেনের সময় ঘনিয়ে আসার কাল যেন জানিয়ে দিল শেষ দুটি রাইফেল ড্র তাড়াহুড়ো করে বুঝিয়ে দিয়ে জানিয়ে দেয়া হলো বাংলা সম্মিলন পঞ্চম বারের মত সমাপ্তির ঘোষণা।


আমরা যে যার মতো করে কাটা পাহাড়ের মাঝ দিয়ে চলে আসলাম ট্রেনে কি ঘুটঘুটে অন্ধকার কিছুটা আলো সড়ক বাতির কাছ থেকে পাওয়া আর কিছুটা মোবাইলের ফ্লাশ লাইট এ কোনরকম উঠলাম আমাদের শাটলের বগিতে সে বগিতে পেলাম আকাশ মাহমুদ আর কবি ফাউজুল কবির দু’জনই অত্যন্ত প্রিয় তবে ফাউজুল ভাই একটু বেশি প্রিয়। উনাদের পাশে বসার আহবান ত্যাগ করে তেইশের বন্ধুদের সাথেই বসলাম । মোবাররা ডেইজি , বিকিরণ ,জোহরা , বনশ্রী এবং আমাদের সঙ্গে ছিল সেই ছেলেটি যে সুন্দর একটি গান করেছিল ৫৪ ব্যাচের ।
সাঙ্গ হল পঞ্চম বাঙলা সম্মিলনের অপূর্ব স্মৃতিময় মিলন মেলা ।
ষষ্ঠ বাংলা সম্মিলন কবে হবে আমরা কেউ জানিনা। কামনা করি আগামী বছর আবার আমরা মিলিত হবো ততদিন গেয়ে যাবো
“আবার দেখা যদি হলো সখা প্রাণের মাঝে আয়”থ এই বাণীতেই নতুন ভাবে ডাক দিয়ে যাবো।

এসো বন্ধুরা এসো এসো জারুলতলায় এসো আরেকবার
কতো কথা বলবো প্রাণেপ্রাণে হাসি আর গানে আড্ডাপুনর্বার।

চট্টগ্রামী প্রবাদের প্রথম গ্রন্থ : রচয়িতা জেমস ড্রমন্ড এন্ডার্সন

মহীবুল আজিজ জেমস ড্রমন্ড এন্ডার্সন (১৮৫২-১৯২০), সংক্ষেপে জে ডি এন্ডার্সন আজ থেকে একশ’ সাতাশ বছর আগে চট্টগ্রামী প্রবাদের সর্বপ্রাথমিক গ্রন্থটি রচনা-সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন। চট্টগ্রামী

দেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই (সম্পাদকীয়- জুন ২০২৪ সংখ্যা)

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সম্প্রতি আমাদের দেশসহ উপমহাদেশে যে তাপদাহ শুরু হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই