এখন সময়:রাত ১২:৪০- আজ: বৃহস্পতিবার-১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ১২:৪০- আজ: বৃহস্পতিবার
১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

জল মানুষ

গৌতম বিশ্বাস

বাপ হারাধন বাগদি যেদিন সংসার থেকে ভেন্ন হয়ে বাড়িঘর ছেড়ে এই খালপাড়ে এসে নতুন করে ঘর তুলেছিল সেদিন মনটা একেবারেই খারাপ হয়ে গিয়েছিল হারানের। আগের বাড়িতে যেখানে ঘরের ওপর ঘর,গাছের গায়ে গাছপালা সেখানে নতুন বাড়িতে না ছিল কোনও গাছপালা, আর না কোনও ঝোপঝাড়। বাড়িগুলোও একটু সরে সরে। আশেপাশে শুধুই ফাঁকা। ফাঁকা মানে মাঠ,ফসলের খেত। দক্ষিণ পাশে খাল। খাল থেকে অবশ্য সারাক্ষণ কেমন এক ভেজা গন্ধ উড়ে আসতো। ভালোলাগার মধ্যে জিনিস ছিল ওই একটাই। আর যা ছিল তা কেবল মনখারাপি। তা মন খারাাপ করেই বসে থাকতো হারান। কতই বা আর বয়স তখন তার। সাত-আট হবে। কিংবা আর এক আধ বছর বেশি। পুরোনো বাড়ির চারপাশে বাড়ি ছিল। খেলার সাথী ছিল। নতুন বাড়ির কাছাকাছি বাড়ি নেই। খেলার সাথী নেই। একরাশ মনখারাপি নিয়ে সে তাই কেবল আকাশ দেখতো। মাঠ দেখতো। ফসল দেখতো। মেঘ দেখতো। খালের জলে ছড়িয়ে থাকা রোদ দেখতো। জলজ ঘাস-আগাছায় ফুটে থাকা ফুল দেখতো। আর দেখতো বাপের মাছ মারা। বাপ হারাধন বাগদি তার ছোট্ট ডিঙি নৌকোটা নিয়ে সারাদিন মাছ মারতো খালে।

বিকেলে নিমাই ব্যাপারি এসে কিনে নিয়ে যেত সেই মাছ। মাছ নিয়ে ব্যাপারি যখন টাকা গুনে এগিয়ে দিত বাপের দিকে, সেই টাকার দিকে তাকিয়ে বাপের চোখে ঝলকে উঠতো একরাশ খুশি।সেই খুশির ঝিলিক ছুঁয়ে যেত বুঝি ছোট্ট হারানকেও। কারণ ওই টাকা দিয়েই বাপ কিনে আনতো চাল, ডাল, নুন, তেল, আটা। পোশাক-আশাক যা কিছু তা তো মাছ বেচা টাকাতেই আসতো। কারণ টুকুন জমিও তো ছিল না তাদের। আর বাপও ওই একটা কাজ-ই পারতো  –  মাছ মারা।

তা নতুন বাড়িতে আসার পর হারানের অমন ঝিমিয়ে পড়া ভাব দেখে একদিন মা জিজ্ঞেস করেছিল,” ও বাপ,কি হইচে তোর? অমন কইরে থাকিস ক্যান সারাক্ষণ? ”

হারান বলেছিল,” জানি নে।”

মা বলেছিল,” এ আবার ক্যামুন কথা? তোর মন খারাপ আর তুই জানিস নে মন খারাপ ক্যান?”

মাথা নেড়েছিল হারান,” না।”

”  বুঝিছি। নতুন বাড়ি ভালো লাগছে না তোর। কিন্তুক এট্টাবার ভেব্যে দ্যাক,বাড়িডা পুরোই আমাগের। বাড়িতি যা আছে তা-ও আমাগের।কত ভালো, না?”

তখন বিকেল। অঘ্রাণের আকাশ থেকে নেমে আসা রোদ ছড়িয়ে পড়েছে খালের জলে। সেখানে আবার শাপলা,কলমীর শত শত ফুল। জলজ ঘাস-আগাছায় ঝোপে ঝাপে মাছের খোঁজে বসে থাকা সতর্ক বক আর পানকৌড়ির ডানায় ছড়িয়ে পড়া রোদের ঝলক। দিনান্তের ইশারা নিয়ে সেই রোদ আবার একটু একটু করে গুটিয়ে আনতে শুরু করেছে নিজেকে।খালপাড়ের গা ঘেঁষে একসারি খেঁজুর গাছ। তাতে হাঁড়ি পাতছে ধনাই গাছি।

ঠিক তখনই মাথার ওপর দিয়ে একঝাঁক বালিহাঁস কিচ কিচ করতে করতে উড়ে গেলে ঘাড় ঘুরিয়ে সেইদিকে তাকিয়েছিল হারান।হঠাৎ করেই যেন একটা ভালোলাগা ছুঁয়ে গিয়েছিল তাকে।

সেই যে সেদিনের ভালোলাগা Ñ তা আজও রয়ে গেছে তার। কিন্তু সেই মা আজ আর বেঁচে নেই।নেই বাপ হারাধন বাগদিও। এখন নিজের একটা সংসার হয়েছে হারানের। তার বৌ আছে।মেয়ে আছে। ছনের ঘরে টিন উঠেছে।খালপাড়টাও এখন আর সেই আগের মত নেই। সেই ফাঁকা ফাঁকা জায়গাটা ভরাট হয়ে বাড়ি হয়েছে আরও খানকতক। হয়েছে গাছপালা। ঝোপ। কিন্তু সেই খাল রয়ে গেছে আগের মতোই। এখনও তাতে জল হয়। জলে মাছ হয়। সেই মাছ ধরেই সংসার চলে হারানের। বাগদি ঘরের ছেলে হারান। জলে জলেই জীবন তার। সেই যে ছোটবেলায় বাপ তাকে হাতে ধরে মাছমারাটা শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছিল, সেই বিদ্যেটাই বাঁচিয়ে রেখেছে হারানকে। বাঁচিয়ে রেখেছে তার ঘর সংসার। এই ভিটেটুকু বাদ দিলে একছটাক জমিও নেই হারানের। যাতে দু’মুঠো ফসল ফলে।বেগুন,মুলো হয়। সারাটা বছর বলতে গেলে এই জলে জলেই কাটে তার।

বৌ ফুললতা বলে,” তুমি যে এক্কেবারে জলের মানুষ হইয়ে গেলে গো।”

হারান হাসে। বলে,” হঃ,জলের মানুষ। আমি জলের মানুষ হইয়ে গিছি।”

বৌ জিজ্ঞেস করে, ” এই যে তুমি সারাদিন জলে জলে কাটাও,ভালো লাগে তুমার?”

এই প্রশ্নে একটু যেন অবাক হয় হারান। বলে,” ক্যান? লাগবে না ক্যান? আরে আমি হলাম বাগদি ঘরের ছেল্যে। জলে জলেই তো আমাগের জেবন।যত জল,তত সুখ। জলের মধ্যি আমরা যে সুখ খুঁজ্যে পাই গো।”

সত্যিই তাই। জলেই সুখ হারানের। সে খালে মাছ ধরে। সেই মাছ বেচে সে বাপের মতই কিনে আনে চাল, ডাল, তেল, নুন, আটা। যতদিন জল থাকে খালে ততদিন সুখ থাকে হারানের। কিন্তু চোত-বোশেখের কাঠফাটা রোদ যখন খালের জল সবটুকু শুষে নেয় তখনই শুরু হয় হারানের দুঃখের দিন। সে তখন তার উঠোনের সামনের কুলগাছটার নিচে ছেঁড়াফাটা খেঁজুরপাতার মাদুরে চিৎ হয়ে শুয়ে কেবল আকাশ দ্যাখে। সারাটা আকাশ আতিপাতি করে খুঁজল পেতে চায় একফালি মেঘ। যে মেঘ টেনে আনবে শত শত মেঘ। ফের একবার বৃষ্টি ঝরাবে তারা। নতুন জলে ফের ভরে উঠবে খাল। ফের তাতে ¯্রােত বইবে। ফের একবার মাছের গায়ের আঁশটে গন্ধে মাতোয়ারা হবে হারান।

বাপ হারাধন বাগদি প্রায়ই বলতো,” বুঝলি বাপ,আমরা হলাম গে জলের মানুষ। জল ছাড়া য্যামুন মাছ বাঁচে না,ত্যামুন আমাগেরও জল ছাড়া বাঁচা দায় হইয়ে ওঠে। তাই কই কি জল রে ভালোবাসপি। জলের গোন্ধ রে ভালোবাসপি। তাহলি দেকপি জলও তোরে ভালোবাসপে। জলই তোরে বাঁচায়ে রাকপে।”

বাপের কথাটা পুরোই মনে রেখেছে হারান। সে জল ভালোবাসে। জলের গন্ধকে ভালোবাসে। মুঠো ভর্তি  জল নাকের কাছে নিয়ে বুক ভরে সে শ্বাস নেয়।

বৌ ফুললতা জিজ্ঞেস করে,” ও তুমি করো কি?”

ফের একবার শ্বাস টেনে হারান বলে,”জলের গোন্ধ শুকি।”

ফুললতা অবাক হয়,” জলের আবার গোন্ধ হয় নেকি?”

হয় গো হয়। জলেরও গোন্ধ হয়। তয় এই গোন্ধ সবাই চিনতি পারে না। যারা জলের মানুষ তারাই চিনতি পারে।”

” কও কি? ”

” হঃ, ঠিকই কই। ”

ফুললতা কিছুই বুঝতে না পেরে ফ্যালফ্যাল করে খালের দিকে চেয়ে থাকে। একবুক জল নিয়ে শুয়ে থাকা খালে হয়তো তখন ছড়িয়ে পড়েছে শেষ বিকেলের রোদ। এক মায়াময় ছবি ফুটে উঠেছে তার ছোঁয়ায়। বক, পানকৌড়ি, মাছরাঙার দৃষ্টিতে দিন শেষের বিষন্নতা।

এখনও ঠিক তেমনই একটা বিকেল। মাঝ অঘ্রাণের রোদে শৈতী শিথিলতা। সারা গায়ে একরাশ আলস্য নিয়ে সেই রোদ শুয়ে আছে খালের জলে।যে জলে এখন আর ভরা বর্ষার উদ্দামতা নেই। আছে নববধুর লাজুকতা। পাড় থেকে অনেকটা নিচে নেমে যাওয়া জলের বুকে জলজ ঘাস-আগাছার দঙ্গলে খাল যেন বা বাঁধা পড়ে আছে। বাঁধা অবশ্য এমনিতেই পড়ে আছে সে। পুরো খাল জুড়ে বাঁশের ‘ পাটা ‘র বাঁধ। যে বাঁধ দিয়ে জল সরে,কিন্তু মাছ সরে না। বাঁধের মাঝ বরাবর খানিক খোলা মুখ।সেখানে’ ভেসাল ‘ জাল পাতা।ভেসালের ওপর ছোট্ট একখানি কুঁড়ে। খোলা মুখ কুঁড়ের বাঁশের পাটাতনে বসে জলের দিকে চেয়ে আছে হারান। অনেক্ষণ হয়ে গেল ভেসাল তোলা হয় না। কি-ইবা হবে তুলে। কতবারই তো তুললো। কোথায় মাছ? সাকুল্যে বড়োজোর কেজিটাক চুনোচানা পড়েছে। কি হয় ওতে? ছিদাম ব্যাপারি এসে সেই তো বলবে,” আজও এই? তা হল কি বলো তো?”

কি যে হয়েছে তা কি করে বলবে হারান। এমনটা তো হয় না কোনওদিন। আজ অন্তত দিন দশেক হয়ে গেল জালে মাছ নেই। নেই চেড়ো,আটল,ঘুনিতেও। একের পর এক ঘুনি ফাঁকা। চেড়ো,আটলে সাপ, ব্যাঙ, কাঁকড়া ছাড়া কিছুই পড়ে না। ভেসালেও মাছ নেই। অথচ নিত্যদিন দুইবেলা করে ছিদাম ব্যাপারি আসছে। আর মাছ নেই দেখে বলছে,” কি হল বলো দিনি? এরাম হলে টাকা শুধবা কি করে?”

এর কোনও উত্তর হারানের কাছে নেই। এতবড়ো খাল।তাতে বাঁধ দেওয়া, জাল,ঘুনি, চেড়ো,আটল কেনা  –  কত খরচ। মরশুমের শুরুতেই ব্যাপারির কাছ থেকে টাকা এনে বসে আছে হারান। বলেছে,” অল্প অল্প কইরে কেট্যে নিও। ”

কিন্তু তা আর হচ্ছে কই? যা হচ্ছে তাতে তো নিত্যদিনের খাওয়া-ই হয় না বলতে গেলে। তো দেনা কাটবে কি?

ক’দিন ধরে বাপ হারাধনের কথাটাই ভাবছে কেবল।বাপ বলতো, ” বুঝলি বাপ,মাছের গোন-অ গোন বল্যে এট্টা কথা আছে। মাছ সবদিন সমান ধরা পড়ে না। দিনির পরে য্যামন রাত আসে,ত্যামন রাতের পর আবারও দিনও হয়। আমাগের মাছমারাগের জেবনও তেমনি।কহনও মন খারাপ করবি নে।”

তবুও মন খারাপ হয় হারানের। আর সেই মনখারাপি নিয়েই সে নিত্যদিন জলে নামছে।চেড়ো,আটল পাতছে। ফাঁস জাল পাতছে। ভেসাল টানছে।আর একটু সময় পেলেই কুঁড়ের মাচালে বসে শিকারি বকের মত এক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকছে জলের দিকে।মাছের আশায়।না, একমুঠো সুখের আশায়।

এখনও ঠিক তেমন করেই জলের দিকে তাকিয়ে বসে আছে সে। এদিকে চারপাশে নামতে শুরু করেছে দিন শেষের ইশারা। রঙ পরিবর্তনের একটা খেলা শুরু হয়েছে আকাশ জুড়ে। খোলসের ভেতর একটু একটু করে গুটিয়ে আসতে থাকা রোদ শেষ বারের মত ছুঁয়ে যাচ্ছে খালের জল। দূরের গাছপালা, গ্রামের গায়ে পুরু হয়ে আসছে কুয়াশার চাদর। কতবার এমন কতদিনে কতো-ই না মাছ পেয়েছে হারান। ছিদাম ব্যাপারি মাছ নিতে এসে খুশি হয়ে বলেছে,” মাছ যে দেখি তোমার কাছে হেঁটে আসো গো।”

এ কথায় খুশিই হয়েছে হারান।বলেছে,” হেঁট্যে আসে কিনা জানি নে। তয় আমার কপালডা যে ভালো তা বুঝতি পারি।”

খালের যেখানে বাঁধ দেয় হারান সেখানকার জমি নগেন বিশ্বাসের। বিশ্বাস মশাই মাছ নিতে এসে খালপাড়ে দাঁড়িয়ে হাঁক ছেড়েছেন, ” কই রে হারান,দে দেখি কি দিবি।”

হারান কোনওদিন দাঁত পড়া বুড়ো শোলমাছটা, কোনওদিন গায়ে হলদে রঙের ছোঁয়া লাগা রুই, কোনওদিন হয়তো কেজিটাক জ্যান্ত কইমাছ এনে তুলে দিয়েছে বিশ্বাস মশাইয়ের খালুইতে।যা দেখে খুশি হয়েছেন নগেন বিশ্বাস।বলেছেন,” বাঃ,চোখ দু’টো জুড়িয়ে গেল রে হারান। তা নিজের জন্যে কিছু রাখলি?নাকি সব দিয়ে দিলি আমায়?”

হাসিমুখে মাথা ঝাঁকিয়েছে হারান,” না বাবু,রাখিছি।”

অথচ এখন? দিন কতক ধরেই নগেন বিশ্বাস মাছ নিতে এসে পাড়ে দাঁড়িয়ে বলছেন,” মাছ টাছ কিছু পেলি নাকি হারান? ক’টা দেওয়া যায়?”

 

দেওয়া যায় না বটে,তবুও হারান দিয়েছে।আর বলেছে,” আজও অবস্থা সেই একই।কবে যে ফের আপনেরে শোল,বোয়ালডা খাওয়াতি পারবো।”  অগত্যা কিছু চুনোচানা নিয়েই ফিরে গেছেন বিশ্বাস মশাই। আর যাওয়ার সময় বলেছেন,” বেশি ভাবিস নে হারান।আজ হোক কাল হোক মাছেদের আসতেই হবে তোর কাছে। যাবে কোথা? হয়তো আরও ক’দিন দেরি হবে।সুখ অত সহজে ধরা দেয় না রে।অপেক্ষা কর।কথায় আছে সবুরে মেওয়া ফলে।”

তা সেই অপেক্ষাতেই বসে আছে হারান। মাঝ অঘ্রাণের রোদ দ্রুতই গুটিয়ে আনছে নিজেকে। চারপাশে চওড়া হচ্ছে দিন শেষের ইশারা। একঝাঁক বালিহাঁস উড়ে গেল মাথার ওপর দিয়ে। এদিকে ঝোপঝাপে বসে থাকা বক,পানকৌড়ির ডানায় ক্লান্তির জড়তা।

আচমকা ডুবিয়ে রাখা ভেসালের ওপর বেশ বড়োসড়ো একরা মাছের ‘ উসক ‘ দেখে ঝট করে উঠে দাঁড়ালো হারান। তারপর আর কিছু না ভেবে শরীরের সবটুকু শক্তি দু’পায়ে এনে ভেসালের বাঁশে চাপ দিল সে।আর তাতে তে কোনা ভেসালটা জল থেকে উঠে এলো খানিক।সেইসাথে উঠে এলো একঝাঁক রুই। যাদের আঁশে ঝলকে ওঠা শেষ বিকেলের রোদ একরাশ খুশি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লো হারানের চোখেমুখে। আর তাতে করে জাল তুলতে যেন ভুলেই গেল হারান। তখনই স্পষ্ট শুনতে পেল বাপ হারাধন বাগদির গলা।বাপ বলছে,” তোল বাপ, তোল।ওরে,এ যে খালি মাছ না রে। এ হল জলের মধ্যি নুকোয়ে থাকা সুখ।শিগগির তোল। নাহলি আবার  –  ”

 

গৌতম বিশ্বাস, গল্পকার

বাজেটের সংস্কৃতি, সংস্কৃতির বাজেট

আলম খোরশেদ আর কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশের চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষিত হবে। আর অমনি শুরু হয়ে যাবে সবখানে বাজেট নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা। প-িতেরা, তথা অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার,

যৌক্তিক দাবি সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর

দেশে চাকরির বাজার কত প্রকট বা দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা কত তা নিরূপণ করতে গবেষণার প্রয়োজন নেই। সরকারি চাকরি বা বিসিএস ক্যাডারে আবেদনকারীর সংখ্যা দেখলেই

সংবর্ধনার জবাবে কবি মিনার মনসুর বঙ্গবন্ধু শব্দটি যখন নিষিদ্ধ ছিল তখনই আমি বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করেছি

রুহু রুহেল সময়ের সাহসী উচ্চারণ খুব কম সংখ্যক মানুষই করতে পারেন। প্রতিবাদী মানসিকতা সবার থাকে না; থাকলেও সেখানে  সংখ্যা স্বল্পই। এই স্বল্পসংখ্যক মানুষের মাঝে  সৌম্যদীপ্র