এখন সময়:রাত ৮:২৮- আজ: রবিবার-১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ৮:২৮- আজ: রবিবার
১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

বঙ্গবন্ধুর ভাষা-বৈশিষ্ট্য

দীপংকর শীল : বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম নিয়ে অসংখ্য সৃজনশীল সাহিত্য, সম্পাদিত বহু সংকলনগ্রন্থ, বহু মৌলিক গবেষণাগ্রন্থ রচিত হলেও মনে হয় যেন ‘শেষ হয়েও হইল না শেষ’। ছোটগল্পের মতোই কিছু কথা, কিছু অনুভূতি অব্যক্ত থেকে যায়। এই অব্যক্তকে ব্যক্ত করার জন্য যুগ যুগ ধরে কলম চলবে। কেননা, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সমার্থক। তিনি রাজনীতির মহাকবি। আর এই মহাকবির ভাষা সম্পর্কে বহু গবেষণাকর্ম সম্পাদিত হলেও এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে কলম ধরেছেন ভাষাবিজ্ঞানী ড. শ্যামল কান্তি দত্ত। তাঁর গবেষণাকর্মের শিরোনাম বঙ্গবন্ধুর ভাষাশৈলী (২০২২)। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা ‘প্রসঙ্গ-কথা’য় গ্রন্থ প্রকাশের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেছেন, “বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বাঙালি জাতিসত্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের প্রতীক বাংলা একাডেমি ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবর্ষ গ্রন্থমালা’ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বহুকৌণিক দৃষ্টিকোণ থেকে বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম, চিন্তাদর্শন ও অবদান মূল্যায়ন এ গ্রন্থমালার লক্ষ্য। বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিতে তিনি কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছেন তা অবলোকনও আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।” প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার বহু আগে থেকেই ড. শ্যামল কান্তি দত্ত বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিভাষা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন। এই গ্রন্থে তিনি বঙ্গবন্ধুর ভাষাবৈশিষ্ট্য নিরূপণের পাশাপাশি ও বাংলাদেশের বর্তমান ভাষাপরিস্থিতি নিয়ে তাঁর নতুন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন।

এই গবেষণাগ্রন্থে তিনটি ধাপে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিভাষা পরিস্থিতি ও প্রয়োগ কৌশল বর্ণিত হয়েছে। ধাপগুলোর শিরোনাম: ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ভাষা’ (পৃ. ১১Ñ৩৭), বঙ্গবন্ধুর অন্তঃকক্ষ ভাষণের ভাষা (পৃ. ৩৮-৬০) ৩) বঙ্গবন্ধুর ভাষাশৈলী (পৃ. ৬১-১৩৩)। প্রথম দুটি শিরোনামে বঙ্গবন্ধুর কথ্য ভাষারীতির ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং তৃতীয় শিরোনামে শৈলীবিজ্ঞানের আলোকে বঙ্গবন্ধুর সাহিত্যিক ভাষাশৈলী খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রথম প্রবন্ধে আছে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিভাষার স্বাতন্ত্র্য চিহ্নিতকরণ এবং তাত্ত্বিক আলোচনা। এই অংশের মূল আকর্ষণ বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত ক্রিয়াপদ। গবেষকের ভাষায়, “বঙ্গবন্ধুর সব বক্তৃতা করবার শিল্প ও জনগণকে আকৃষ্ট করবার কৌশলের অন্যতম উপাদান ঐ সাধারণ মানুষের ভাষার বা লোকভাষার ক্রিয়াপদগুলোর ব্যবহার। বঙ্গবন্ধুর এসব ব্যবহৃত ক্রিয়াপদগুলোর কাব্যিক ব্যবহারকে আমলে আনা হয়নি আজও। অথচ বাংলা ভাষানীতি প্রণয়নে কিংবা বাংলাভাষা পরিকল্পনা করতে জাতির পিতার ভাষাদর্শন ও ভাষাশৈলী গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হতে পারতো।” (পৃ. ২০)। গবেষকের এমন আক্ষেপ আজকের পাঠককেও আক্রান্ত করবে অন্তত আবেগাপ্লুত হবেন অবশ্যই। দ্বিতীয় প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধুর মাঠে-ময়দানের পরিবর্তে হলরুমের ভাষণগুলোকে ‘বঙ্গবন্ধুর অন্তঃকক্ষ ভাষণের ভাষা’ শিরোনামে আলোচনা করা হয়েছে- যা একটা অনালোচিত দিক এবং দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক। অ্যাকাডেমিক পাঠকদের পাশাপাশি সাধারণ পাঠকও এটি পড়ে আনন্দ পাবেন গবেষকের সহজ-সরল গদ্যভাষার কারণে।

তৃতীয় প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধুর চারটি বইয়ের ভাষার ওপর শৈলীবিজ্ঞানীর দৃষ্টিতে সরস আলোচনা করা হয়েছে। কেউ যদি বঙ্গবন্ধুর লেখা বইগুলো নাও পড়ে থাকেন অন্তত এই অংশ পড়লেও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে হৃদয়জ আবেগ অনুভূতি জাগরিত হবে; সাহিত্যের এক নতুন রস পাঠকের সম্মুখে উপস্থিত হবে; সাথে শৈলীও।

গ্রন্থের আলোচনা থেকে পাঠক হিসেবে আমরা দেখি আমাদের বাঁচার দাবী ৬-দফা (১৯৬৬) পুস্তিকায় বঙ্গবন্ধু তাঁর অপূর্ব ভাষা কৌশলে যেভাবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন তাতে বাংলা ভাষার শক্তির উৎস এখানেই নিহিত আছে। এ সম্পর্কে পাঠকের স্পষ্ট ধারণা জন্মে। আর এই বিষয়টিই লেখক শৈলীবিজ্ঞান ও যু্িক্তবিজ্ঞানের আলোকে বিশ্লেষণ করার প্রয়াস নিয়ে বলেছেন, “প্রশ্ন উত্থাপন করে বক্তব্যের যৌক্তিকতা প্রমাণ বা প্রশ্ন করবার মাধ্যমে সমস্যাগুলোকে সরাসরি নির্দেশ করবার ভাষা-কৌশল দক্ষতার সাথে প্রয়োগ করবার কারণেই আপামর জনগণসহ বিভিন্ন পেশাজীবী গোষ্ঠীও এতে এতো ত্বরিৎ সাড়া দিয়েছিল।” (পৃ.৭২-৭৩) বঙ্গবন্ধু কেবল যে পূর্ব পাকিস্তানের কথাই চিন্তা করেছেন তা নয়, সবদিকেই তাঁর দৃষ্টি ছিল। তিনি আদর্শিক, তিনি সাম্যচিন্তক, তিনি তাঁর ৬-দফাতে পশ্চিম পাকিস্তানিদের দাবিও সমভাবে উত্থাপন করেছেন, ‘যতদিন ধনতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার অবসান না হইবে, ততদিন ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে এই অসাম্য দূর হইবে না। কিন্তু তাহার আগে আঞ্চলিক শোষণও বন্ধ করিতে হইবে’। গবেষক দেখিয়েছেন, “এখানেও আভাসে ধ্বনিত হয়েছে সেই বিখ্যাত উক্তি ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ দেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু বৈষম্য কি কমেছে? সমাজদর্শী অভিজ্ঞ গবেষক তাই আক্ষেপ করে বলেন, “আঞ্চলিক বৈষম্য বন্ধ করতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, কিন্তু অসাম্য দূর করবার সংগ্রাম যে আজও অসমাপ্ত- আজও চলমান” (পৃ.৭৪)। এই গ্রন্থে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন যুক্তির ধারাবাহিক বর্ণনায় প্রমাণিত হয়েছে ‘সহজ করে বলবার বা প্রকাশ করবার জন্য ভাষার যে দক্ষতা ও প্রকাশ-ক্ষমতা প্রয়োজন শেখ মুজিব তার প্রমাণ রেখেছেন’ (পৃ.৭৪)। বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত লোকসাহিত্যের ভাষা-কৌশল ও শিল্পকুশলতা প্রয়োগের দক্ষতা কেমন ছিল তা গভীরভাবে জানতে হলে এই বইয়ের দ্বারস্থ হতে হবে।

আকরগ্রন্থ অসমাপ্ত আত্মজীবনীর সরস আলোচনায় বিভিন্ন ঘটনার সরস বর্ণনার মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষা ভাবনার স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন যেমন সমন্বয়বাদী তেমনি ভাষাচিন্তাতেও সমন্বয়বাদিতার পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। আর সমাজতন্ত্রীরা মনুষ্যসৃষ্ট কোনো বৈষম্যের পক্ষে থাকেন না। সেটা ধন-বৈষম্যই হোক আর ভাষা-বৈষম্যই হোক সর্বত্রই একটা সুষম পরিকল্পনায় দেখতে চান। এই অংশে বঙ্গবন্ধুর ভাষা ভাবনার একটা দিক উন্মোচিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কেমন ভাষা-কৌশল প্রয়োগ করেছেন তার স্বরূপ উদ্ঘাটিত হয়েছে কারাগারের রোজনামচার তাত্ত্বিক আলোচনায়। গবেষকের ভাষায়, ‘এই বইয়ে সমকালাীন পাকিস্তানের তথা বিশ্বের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থার সাথে লেখকের ব্যক্তিগত-পারিবারিক জীবনের অনেক ঘটনা বস্তুনিষ্ঠ, প্রাঞ্জল ও নৈর্ব্যক্তিভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। লেখায় ফুটে ওঠেছে লেখকের ভাবনা-দৃষ্টিভঙ্গি আর সাধারণ মানুষের বোধগম্য সহজ-সরল ও সমন্বয়বাদী ভাষাকৌশলের নিদর্শন’ (পৃ. ৯৬)। আমার দেখা নয়া চীন গ্রন্থের আলোচনায় লেখক বঙ্গবন্ধুর দৃষ্টি দিয়ে পাঠকের সম্মুখে নয়া চীনকে তুলে ধরেছেন। কমিউনিস্ট দেশ সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ভেঙ্গে দিয়েছেন। উভয় দেশের তুলনামূলক আলোচনায় নিজ দেশ গঠনে নতুন দিকনির্দেশনা সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। চীন ভ্রমণে বঙ্গবন্ধুর উপলব্ধি, ‘আইন করে কোনো অন্যায় বন্ধ করা যায় না, অন্যায় বন্ধ করতে হলে চাই সুষ্ঠু সামাজিক কর্মপন্থা, অর্থনৈতিক সংস্কার ও নৈতিক পরিবর্তন’।

এই গ্রন্থের প্রথম দুটি প্রবন্ধ ছাড়া বাকি অংশে বঙ্গবন্ধুর চারটি গ্রন্থের বঙ্গবন্ধুর ভাষাশৈলী আলোচনা করতে গিয়ে গবেষকÑলেখক বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিই জোর দিয়েছেন বেশি। তবে প্রাণবন্ত আলোচনার ভিতর দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষাশৈলীর প্রতিও পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ফলে বইটি পাঠ করতে একঘেয়েমি লাগে না। তবে শতাধিক তথ্যসূত্র ও সহায়ক গ্রন্থসূচিসহ চমৎকার এই গবেষাগ্রন্থে নির্ঘণ্ট না থাকাটা পাঠককে পীড়া দেবে।

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সমার্থক হলে বাংলাদেশের ভাষাবৈশিষ্ট্য জানতে বঙ্গবন্ধুর ভাষাবৈশিষ্ট্য, ভাষারীতি বা ভাষাশৈলী জানা আবশ্যক হয়ে পড়ে। গ্রন্থটি পাঠ করতে করতে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিভাষার কতিপয় শব্দের কাব্যিক ব্যঞ্জনা মর্মে ধ্বনিত হয়। যেমন: ‘আসসালামু আলাইকুম’, ‘খোদা হাফেজ’, ‘জয়বাংলা’, ‘বক্তৃতা করা’, ‘ইনশাল্লাহ’, ‘সংগ্রাম’ ইত্যাদি; বঙ্গবন্ধুর আন্তুরিকতা ও অন্তরঙ্গ আত্মীয়তাবাচক কতিপয় শব্দ, যেমন: ‘ভায়েরা আমার’, ‘আমার ভাইয়েরা ও বোনেরা’, ‘দেশবাসী ভাই ও বোনেরা আমার’, ‘তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের ওপর গুলি চালাবার চেষ্টা করো না, ইত্যাদি গভীর তাৎপর্যময় বহু শব্দ ও বাক্যের শৈলীÑভাষাবিজ্ঞানীর দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষিত হয়েছে এই গ্রন্থে এবং পাঠ শেষে মনে হয়Ñসত্যিই তো! এই পরিভাষাগুলোও আমাদের জানা দরকার।

সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর ভাষা পরিভাষা কী? বাংলাভাষার অসাম্প্রদায়িক রূপ কী? যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে বাংলাভাষার শক্তি কোথায়? বঙ্গবন্ধুর ভাষাশৈলী কেমন? বঙ্গবন্ধুর ভাষা-ভাবনা কেমন? বাংলাভাষার শত্রু কারা? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পাঠকের প্রয়োজন হবে এমনতর গবেষণামূলক গ্রন্থপাঠ। সর্বোপরি, এ গ্রন্থ পাঠকের বাংলাভাষাপ্রীতি বাড়ানোর পাশাপাশি ভাষাসম্পর্কে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির বিকাশ ঘটাবে বলে আমাদের বিশ্বাস। বইটি এবারকার বইমেলার প্রতিপাদ্যÑ‘পড়ো বই গড়ো দেশ/ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট-সচেতন নাগরিক সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

 

বঙ্গবন্ধুর ভাষাশৈলী

শ্যামল কান্তি দত্ত

প্রকাশক: বাংলা একাডেমি

প্রচ্ছদ লোগো: রফিকুন নবী

প্রচ্ছদ: তারিক সুজাত

প্রকাশকাল : জুলাই ২০২২

মূল্য: ১৫২ টাকা, পৃষ্ঠা: ১৩৬

 

দীপংকর শীল: ভাষা-গবেষক ও প্রভাষক

চট্টগ্রামী প্রবাদের প্রথম গ্রন্থ : রচয়িতা জেমস ড্রমন্ড এন্ডার্সন

মহীবুল আজিজ জেমস ড্রমন্ড এন্ডার্সন (১৮৫২-১৯২০), সংক্ষেপে জে ডি এন্ডার্সন আজ থেকে একশ’ সাতাশ বছর আগে চট্টগ্রামী প্রবাদের সর্বপ্রাথমিক গ্রন্থটি রচনা-সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন। চট্টগ্রামী

দেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই (সম্পাদকীয়- জুন ২০২৪ সংখ্যা)

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সম্প্রতি আমাদের দেশসহ উপমহাদেশে যে তাপদাহ শুরু হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই