এখন সময়:সকাল ৬:৫১- আজ: রবিবার-২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:সকাল ৬:৫১- আজ: রবিবার
২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

বৈষম্যমূলক কোটা প্রথায় মেধাবীরা বঞ্চিত হবে (সম্পাদকীয়- জুলাই ২০২৪)

সরকারী চাকরীতে কোটা প্রথা কোন ভালো বা গ্রহণযোগ্য প্রথা হতে পারেনা। এতে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হয়। প্রশাসনে মেধাবীর চেয়ে অমেধাবীর আধিক্য বেশী বলে রাষ্ট্রীয় কাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। দিন দিন অভিজ্ঞ ও মেধাবী সরকারী কর্মকর্তা হ্রাস পাওয়াতে আগামীতে রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
সরকারী চাকরীতে ২০১৮ সাল থেকে ৫৬% শতাংশ কোটায় নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, ১০ শতাংশ নারী, ১০ শতাংশ জেলা, ৫ শতাংশ ক্ষুদ্রজাতিগোষ্ঠী এবং ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা। শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। পরে এ কোটায় মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং তারপর নাতি-নাতনীদের যুক্ত করা হয়। বৈষম্যমূলক এই কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলনের কারণে সরকারী চাকরিতে নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত কোটা পদ্ধতি তুলে দেয় সরকার। এই বিষয়ে ২০১৮ সালে ৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিপত্র জারি করে। এই পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট করেন চাকরি প্রত্যাশী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অহিদুল ইসলামসহ সাতজন। রিটের প্রাথমিক শুনানী নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে পরিপত্রের পাশাপাশি এর আগে দেওয়া হইকোর্ট ও আপিল বিভাগের আদেশ প্রতিপালন না করা এবং মুুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্য অধিকারের প্রতি অবজ্ঞার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করা হয়। সংক্ষেপে এই হচ্ছে কোটা আন্দোলনের নেপথ্য বিষয়।
এই কোটার ভয়াবহতা নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি নমুনা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়েতে ২৫ জন নিয়োগ দিবে। বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুযায়ী এই ২৫ জনের মধ্যে ২০ জন পোষ্য কোটা আর ২ জন মুক্তিযোদ্ধা কোটা, আর মাত্র ৩ জন সাধারণ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নুরুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিদের উদ্দেশ্যে বলেনÑ“মেধা ও শ্রম দিয়ে যুদ্ধ করে প্রমাণ করো তুমি এক বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি। তোমার বাবাতো যুদ্ধ করেনি, যুদ্ধ করেছে তোমার বাবার বাবা। তাহলে তুমি কোন যুক্তিতে কোটা পাবে? মুক্তিযোদ্ধার ছেলে পর্যন্ত কোটা মানা যায়। ওয়ারিশও তো বাবার ছেলেমেয়েরা পায়। দাদার কাছ থেকে নাতিরা পায়না। প্রকৃতপক্ষে কোটা থাকা উচিত শুধু প্রতিবন্ধীদের জন্য। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক বলেছেনÑবীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত সম্মান জানানোর জন্য কোটা তুলে নিন।
এদিকে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র পুনর্বহাল সহ চার দফা দাবীতে “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা “বাংলা ব্লকেড” কর্মসূচী পালন করছে। এতে রাজধানীসহ গোটা বাংলাদেশ স্থবিরতায় পড়ে গেছে।
আমরা মনে করি বেশী জল ঘোলা না করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে একটা গ্রহণযোগ্য সমঝোতায় আসা উচিৎ। বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতির কারণে মেধাবীরা হতাশার গহ্বরে নিমজ্জিত হবে। এতে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। অতএব সাধু সাবধান।

প্রাচীন বাংলার নাগরিক জীবনে শিল্প ও সৌকর্য

ড. আবু নোমান এখন প্রাচীন বাংলার যে স্থাপত্যগুলো পাওয়া সম্ভব সেগুলোকে প্রত্মতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ বললেও বলা যেতে পারে। স্থাপনা সমাজের সভ্যতার একটি অন্যতম নিদর্শন বা উপাদান।

বৈষম্যমূলক কোটা প্রথায় মেধাবীরা বঞ্চিত হবে (সম্পাদকীয়- জুলাই ২০২৪)

সরকারী চাকরীতে কোটা প্রথা কোন ভালো বা গ্রহণযোগ্য প্রথা হতে পারেনা। এতে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হয়। প্রশাসনে মেধাবীর চেয়ে অমেধাবীর আধিক্য বেশী বলে রাষ্ট্রীয় কাজে

আহমদ ছফা বনাম হুমায়ূন আহমেদ

মাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। হুমায়ূন আহমেদ তখন আহমদ ছফার পিছন পিছন ঘুরতেন। লেখক হুমায়ূন আহমেদ-কে প্রতিষ্ঠার পিছনে যে আহমদ ছফার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, সে কথা