এখন সময়:রাত ৯:২৫- আজ: রবিবার-১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ৯:২৫- আজ: রবিবার
১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

মরুবিজয়ের কেতন উড়াও শূন্যে হে প্রবল প্রাণ

আলম খোরশেদ:

না, নিবন্ধের শিরোনামে উদ্ধৃত পঙ্ক্তিটি কোনো রণসজ্জা কিংবা যুদ্ধযাত্রার আহবান নয়। অবহিতজনেরা জানেন, এটি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের লেখা একটি গানের প্রথম চরণ, যেটি তিনি রচনা করেছিলেন শান্তিনিকেতনে তাঁর প্রবর্তিত বৃক্ষরোপণ উৎসবে গাইবার জন্য। ব্যক্তিগত এবং সামাজিক পরিসরে আনুষ্ঠানিকভাবে গাছ লাগানোর এই অপূর্ব উৎসবটি প্রথমবারের মতো আয়োজন করেছিলেন কবি তাঁর পঁয়ষট্টিতম জন্মদিনের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে। সেবার রবীন্দ্রনাথ তাঁর তৎকালীন বাসস্থান ‘উত্তরায়ণে’র পাশেই নিজহাতে রোপণ করেছিলেন অশ্বত্থ, বট, বেল, অশোক ও আমলকি গাছের পাঁচটি চারা, যা কালক্রমে পত্রপুষ্পে বিকশিত হয়ে ‘পঞ্চবটী’ নামে পরিচিতি পায়। অবশ্য পরে এই উৎসবটি অনুষ্ঠিত হতো প্রতিবছর ত্রিশে আষাঢ় বা চৌদ্দই জুলাইয়ে, আরও বিস্তৃত পরিসরে ও ততোধিক উৎসবমুখর পরিবেশে। ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণের পর থেকে পুত্র রথীন্দ্রনাথের ইচ্ছায় অদ্যাবধি এটি পালিত হয়ে আসছে তাঁর মৃত্যুদিবস তথা বাইশে শ্রাবণে।

্এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করলাম আজকাল প্রায়শই পত্রপত্রিকায় প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে গাছ কাটার বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ, বিক্ষোভের খবর কিংবা প্রতিবেদন পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে। যেমন, কিছুকাল আগে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই সরব হয়েছিলেন পরিবেশ-সচেতন বহু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।

 

আমরা আশা করব এই প্রতিবাদ, প্রতিরোধের মুখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বোধোহয় হবে এবং তাঁরা পরিবেশ ও প্রাণপ্রকৃতির আর কোনো ক্ষতিসাধন না করেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসুরক্ষার কাজটুকু এগিয়ে নিয়ে যাবেন। তবে পরিবেশ, প্রকৃতির সত্যিকার এবং দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ কিংবা উন্নয়ন চাইলে আমাদেরকে গাছ কাটা প্রতিরোধের পাশাপাশি গাছ লাগানোর বিষয়েও যথেষ্ট সচেতন, সোচ্চার ও উদ্যোগী হতে হবে। আমরা সবাই জানি বর্তমান বিশ্বের প্রধান ও ভয়াবহতম সংকটটি হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও তজ্জনিত কারণে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয়ের সমস্যাটি। আর এর অন্যতম কারণ হচ্ছে বাতাসে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ, যা  বায়ুম-লের তাপ শোষণ ও বিকীরণের মাধ্যমে পৃথিবীকে ক্রমশ উষ্ণ থেকে উষ্ণতর করে তোলার কাজ করে যাচ্ছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে এক পর্যায়ে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও সিংহভাগ নি¤œভূমি তলিয়ে যাবার সমূহ বিপদের মুখে রয়েছে খোদ আমাদের এই বাংলাদেশ নামক প্রিয় বদ্বীপখানিও।

আর এখানেই সামনে চলে আসে বনায়ন তথা গাছ লাগানোর বিষয়টি। কেননা গাছের একটা বড় গুণ বা উপকারী বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সে তার অস্তিত্বের খাতিরেই বাতাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শুষে নেয় সালোক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তার খাদ্যপুষ্টির যোগান দেওয়ার লক্ষ্যে। বিনিময়ে বিশুদ্ধ ও অফুরন্ত অক্সিজেন নিঃসরণ করে বায়ুম-লে, যাকে এককথায় আমাদের প্রাণবায়ু বলেই অভিহিত করতে পারি আমরা। অর্থাৎ বেশি করে গাছ লাগানোর ফলে একদিকে যেমন বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ঝুঁকি কমে, অন্যদিকে চারপাশের বাতাসে বিদ্যমান ক্ষতিকারক কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ হ্রাসের মাধ্যমে পরিবেশ-দূষণের রাশ টেনে ধরা যায় এবং নির্মল বায়ু সেবনের মাধ্যমে অক্সিজেনের অভাবটুকুও মেটে আমাদের। পরিবেশবিজ্ঞানীদের মতে, সামগ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য একটি দেশের বনভূমির পরিমাণ হওয়া উচিত তার মোট আয়তনের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ। বাস্তবে কোনো কোনো দেশে এর পরিমাণ চল্লিশ শতাংশ হতেও দেখা যায়। কিন্তু তার বিপরীতে, বাংলাদেশের সরকারি হিসাব মতেই আমাদের বনভূমির পরিমাণ মাত্র পনেরো শতাংশের মতো। দেশের জনসংখ্যা ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলের কথা বিবেচনায় নিয়ে আমাদের ইপ্সিত বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের এক চতুর্থাংশ হওয়া উচিত বলে মেনে নিলেও দেখা যাচ্ছে আমরা এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছি আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্য থেকে। অর্থাৎ পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং সামগ্রিকভাবে পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সামাজিক বনায়ন তথা অধিক হারে গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই আমাদের।

এই কাজে শুধু সরকার বা রাষ্ট্র নয়, সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থাসমূহ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রতিটি সচেতন নাগরিকেরই এগিয়ে আসা জরুরি বলে মনে করি। বর্তমানে বিশ্বে বৃক্ষরোপণের মতো একটি অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ কাজে আমরা সাধারণ নাগরিকেরা কীভাবে আরও বেশি করে সম্পৃক্ত হতে পারি সেই বিষয়ে সামান্য আলোকপাত করাই এই নিবন্ধের উদ্দেশ্য। শুরুতেই আমার অত্যন্ত মেধাবী ও শক্তিমান লেখকবন্ধু আবু হাসান শাহরিয়ারের কথা বলি। শাহরিয়ারের একটা অনন্যসাধারণ অভ্যাস আছে– সে কোনো কাজে, বা অনুষ্ঠানে বা ¯্রফে বেড়ানোর জন্যও কখনো কোথাও গেলে সেখানে যেভাবেই হোক এক ফাঁকে একটি গাছ লাগিয়ে আসে। আমার মনে হয়, আর কিছু না পারি আমরা সবাই অন্তত তার এই সুন্দর অভ্যাসটিকে সাধ্যমতো চর্চা করতে পারি আমাদের প্রত্যেকের জীবনে। এই প্রসঙ্গে আরেকটি কথা মনে পড়লো। কিছুদিন আগে বাংলাদেশের একটি সুখ্যাত শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকের কথা শুনি, যিনি তাঁর সহকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তাঁরা তাঁদের কর্মস্থলের আশেপাশে কোথাও কোনো খালি জায়গা পেলে সেখানে নিদেনপক্ষে একটি সজনে গাছের চারা রোপণ করেন। অনেকেই জানেন সজনে একটি অসাধারণ পুষ্টি, ভেষজ ও অষুধি গুণসম্পন্ন বৃক্ষ। তিনি তাই আমাদের এই একদা অতিপরিচিত অথচ বর্তমানে প্রায়বিলুপ্ত, মহামূল্যবান গাছটিকে সংগত কারণেই আবারও ফিরিয়ে আনতে চাইছেন বাংলার নিসর্গদৃশ্যে। এইভাবে অপরাপর বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও যদি কিছুটা হলেও এরকম পরিবেশসচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দেয়, তাহলেই কিন্তু ধীরে ধীরে পাল্টে যেতে পারে আমাদের প্রকৃতি ও প্রতিবেশের হতাশাব্যঞ্জক দৃশ্যপট।

সেই লক্ষ্যেই আমি এখানে সরকার, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং সচেতন নাগরিকসমাজের উদ্দেশে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেশ করতে চাই।

এক. শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ প্রবর্তিত বৃক্ষরোপণ উৎসবের মতো এদেশেও একটি জাতীয় বৃক্ষরোপণ উৎসবের প্রচলন করা। বাংলাদেশ সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বা এইজাতীয় কোনো একটি শক্তিশালী, প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠনের ব্যানারে বছরের নির্দিষ্ট একটি দিনে এই উৎসবের আয়োজন করা যেতে পারে। সেটি রবীন্দ্রনাথের আমলের সেই আদি তারিখ ত্রিশে আষাঢ় বা চৌদ্দই জুলাইও হতে পারে। এই দিনটিতে, পয়লা বৈশাখের মতোই সর্বস্তরের মানুষ দিনভর উৎসবের আমেজে মেতে উঠবে, আর তার কেন্দ্রে থাকবে নানা আয়োজনে ও আঙ্গিকে গাছ লাগানোর পালা। নৃত্য, গীত, পথনাটক ও নানাবিধ সাংস্কৃতিক আচার, অনুষ্ঠানের সমারোহে দিনটিকে আনন্দঘন ও বর্ণময় করে তোলার পাশাপাশি সারাদেশজুড়ে সবাই মিলে বৃক্ষ রোপণ করা গেলে এই একটি দিনেই যত গাছ লাগানো সম্ভব হবে তার ইতিবাচক ফল পেতে আমাদের খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।

দুই. এই গাছ লাগানোর বিষয়টিকে বিদ্যালয়ের একেবারে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষা কার্যক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তোলা, যাতে করে শিক্ষার্থীরা শিশুকাল থেকেই পরিবেশ বিষয়ে সচেতন হয়ে ওঠে এবং পরবর্তী জীবনেও গাছ লাগানোর মতো একটি সুঅভ্যাসকে তাদের জীবনচর্যার অঙ্গ করে নিতে পারে।

তিন. সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রতিটি জাতীয় ও অপরাপর গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলিতে বাধ্যতামূলকভাবে, সুচিন্তিত পরিকল্পনার অধীনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এহেন কল্যাণকর একটি কাজকে আমাদের সার্বিক প্রশাসনিক চর্চার আওতায় নিয়ে আসা।

চার. বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ তাদের প্রতিটি বিশেষ অনুষ্ঠানের শুরুতে বা শেষে গাছ লাগানোর বিষয়টিকে একটি অনিবার্য অনুষঙ্গ হিসাবে পালন করার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণের সংস্কৃতিকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে পারে।

পাঁচ. বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহকে তাদের সিএসআর বা প্রাতিষ্ঠানিক সামাজিক দায়িত্বের মধ্যে বৃক্ষরোপণকেও অন্তর্ভুক্ত করে তার জন্য যথাযথ অর্থের বরাদ্দ রাখতে উৎসাহিত করা এবং বিনিময়ে তাদেরকে প্রয়োজনীয় করমুক্তির সুবিধা দেওয়া।

আমার মনে হয়, এই কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে এবং নিয়মিত ভিত্তিতে করে ওঠা গেলে অচিরেই আমাদের পরিবেশের যথেষ্ট উন্নয়ন ঘটবে, বায়ুম-লের দূষণ কিছুটা হলেও কমবে, সবুজ প্রকৃতির সাহচর্যে আমাদের জীবনযাপন আরও সুন্দর ও সহনীয় হবে, সেইসঙ্গে তার অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট সুফলও মিলবে প্রচুর। তবে, এর সঙ্গে আরেকটি কথাও আমাদের মনে রাখা বাঞ্ছনীয় যে, গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে সবাইকে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, নিয়মনীতি ও বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়া, পদ্ধতি অনুসরণ করা দরকার, তা নইলে কাক্সিক্ষত ফলাফল না-ও মিলতে পারে, এমনকি হিতে বিপরীতও হতে পারে। এই কথাটা এজন্যে বলা যে, আমাদের সর্বজনমান্য নিসর্গবিদ দ্বিজেন শর্মাই তাঁর কোনো একটি লেখায় উল্লেখ করেছিলেন, খোদ সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে ও ঢাকা শহরের অন্যত্র গাছ লাগানোর সময় সুচিন্তিত কোনো পরিকল্পনা অনুসরণ না করায় সেখানেও প্রচুর অপ্রয়োজনীয় এবং অনাকাক্সিক্ষত বৃক্ষের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

সবশেষে, লেখাটির শিরোনামে ব্যবহৃত পঙ্ক্তিখানি রবীন্দ্রনাথের যে-গানটির অংশ, তার পুরোটাই এখানে উল্লেখ করে, কবির তিরাশিতম প্রয়াণদিবসের প্রণতি জানিয়ে এই লেখার ইতি টানছি। বৃক্ষবন্দনার এমন গূঢ়, গভীর বাণী পৃথিবীতে কবে কোথায় আর কে উচ্চারণ করেছেন, আমার জানা নেই।

মরুবিজয়ের কেতন উড়াও শূন্যে,

হে প্রবল প্রাণ।

ধূলিরে ধন্য করো করুণার পুণ্যে,

হে কোমল প্রাণ।

মৌনী মাটির মর্মের গান কবে

উঠিবে ধ্বনিয়া মর্মর তব রবে,

মাধুরী ভরিবে ফুলে ফলে পল্লবে,

হে মোহন প্রাণ।

পথিকবন্ধু, ছায়ার আসন পাতি

এসো শ্যাম সুন্দর,

এসো বাতাসের অধীর খেলার সাথী,

মাতাও নীলাম্বর।

ঊষায় জাগাও শাখায় গানের আশা,

সন্ধ্যায় আনো বিরামগভীর ভাষা,

রচি দাও রাতে সুপ্তগীতের বাসা,

হে উদার প্রাণ।

 

আলম খোরশেদ, গবেষক  ও প্রাবন্ধিক

চট্টগ্রামী প্রবাদের প্রথম গ্রন্থ : রচয়িতা জেমস ড্রমন্ড এন্ডার্সন

মহীবুল আজিজ জেমস ড্রমন্ড এন্ডার্সন (১৮৫২-১৯২০), সংক্ষেপে জে ডি এন্ডার্সন আজ থেকে একশ’ সাতাশ বছর আগে চট্টগ্রামী প্রবাদের সর্বপ্রাথমিক গ্রন্থটি রচনা-সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন। চট্টগ্রামী

দেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই (সম্পাদকীয়- জুন ২০২৪ সংখ্যা)

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সম্প্রতি আমাদের দেশসহ উপমহাদেশে যে তাপদাহ শুরু হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই