এখন সময়:রাত ১২:০২- আজ: বৃহস্পতিবার-১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ১২:০২- আজ: বৃহস্পতিবার
১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

শূন্যস্থান

কাজী লাবণ্য : ব্যাংকে কাজ ছিল। সাধারণ গৃহিণী। টাকা উত্তোলন বা জমা করা ছাড়া আর কী কাজ থাকে! সেটা সেরে একটা দোকান থেকে বাসার গৃহকর্মী মেয়েটির বাবাকে মাসিক বেতনের টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দিয়ে, জ্যাম ঠেলে বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে ঢুকলাম। মেয়ের জন্য টুকিটাকি কিছু কিনতে হবে। ওর বাবার নাকি ফর্মাল কিছু শার্ট লাগবে আর ডাইনিং টেবিলের উপরের কিছু ম্যাট কিনতে হবে। সেগুলো খুব চমৎকার, খুব আকর্ষণীয় হতে হবে, দেখি পাই কিনা। বসুন্ধরা শপিং প্লেসটা আমার খুব ভালো লাগে। এক এক ফ্লোর এক এক ধরনের জিনিস দিয়ে সাজানো।

এখানে এলে লিফটে না উঠে চলন্ত সিঁড়ি ব্যবহার করি। তাহলে অনেক লোকজন দেখা যায়, মানুষ দেখা আমার পুরনো অভ্যাস। বিয়ের আগ পর্যন্ত ছোটবোনের সাথে সবসময় মানুষের চেহারা মিলাতাম। সেটা এখনও করি। মেয়ের সাথে আর মেয়ের বাবার সাথে। দুজন নারী পাশাপাশি থাকলেই মেলাতে থাকি সহোদরা নাকি মাতা কন্যা। এসব মেলানোর খেলায় নানা রকম ছোটছোট ট্রিক্স আছে। তারমধ্যে প্রধান হচ্ছে চেহারা। মেয়ে সাথে থাকলে ওকে নিয়ে এই খেলা খেলি। সে খুব মজা পায়। মেয়ে সদ্য স্কুলের গ-ি পেরিয়ে কলেজের বিশাল প্রাঙ্গণে পা রেখেছে। আরিফ মানে মেয়ের বাবা তো এই খেলা নিয়ে আমাকে নানাভাবে চ্যালেঞ্জ দিয়ে প্রশ্নবাণে অতিষ্ট করে তোলে।

এখানকার মাথার উপরের গোল ডোমটা দেখতে অদ্ভুত লাগে। বিদেশে গেলে তাদের উন্নত, নান্দনিক স্থাপনাগুলো দেখে অবাক হই, ভালো লাগে। কিন্তু নিজের দেশের এমন একটি চমৎকার শপিংমল আরো বেশি মুগ্ধ করে। টেবিলের জন্য খুব

সুন্দর কিছু ম্যাট পেয়েছি আর ৬টা অপুর্ব সুন্দর গ্লাস দেখে ছাড়তে পারলাম না। নিয়ে নিলাম। মেয়ে আর ওর বাবার জন্যও সব কেনাকাটা সেরে বুঝলাম খিদে জানান দিচ্ছে। বাসায় ফেরার তাগিদ অনুভব করলাম। সাথে মেয়ে বা আরিফ  না থাকলে আমি কখনই ফুডকোর্টে বসি না। একা একা ইচ্ছে করে না। চলন্ত সিঁড়ির দিকে হাঁটতে লাগলাম…

এই উইকএন্ডে আরিফের বন্ধুরা বাসায় খাবে। মাঝে মাঝেই খায়। আমার হাতের নারকেলের দুধে হাঁসভুনা নাকি তুলনাহীন। সেজন্যই টেবলম্যাট দরকার ছিল। অবশ্য ওইদিন নতুন গ্লাস সেটটারও উদ্বোধন হয়ে যাবে। আরিফ একটু খোঁচা দিতে ছাড়বে না তবে খুশিই হবে। বন্ধুদের ব্যাপারে সে উদার, আমি বলি দিলদার।

চর্বচোষ্যলেহ্যপেয় শেষে সবাই বিদায় নেবার পর সবকিছু পরিস্কার করে গুছিয়ে তুলে শুতে শুতে রাত অনেক হয়ে গেল। ছুটা খালা আছে, সহকর্মী মেয়েটি ছিলই এছাড়াও এমন দিনগুলোতে আরিফও হাত লাগায়। কাল সকালে অবশ্য অফিস নেই। তাতে কী, ছুটিশূন্যস্থান

কাজী লাবণ্যর দিনের স্পেশাল নাস্তা হবে, দুপুরে কি হবে মনে মনে একটা ছক কেটে মেয়েটিকে বুঝিয়ে বলে ওকে শুতে পাঠিয়ে নিজেও তড়িঘড়ি শুয়ে পড়লাম। আরিফ একটু বেড়াল ম্যাঁও ম্যাঁও করে আবার নিজের থেকেই বলল-আজ খুব খাটুনি গেছে, ঘুমিয়ে পড়। বলে মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দেয়।

সকালে উঠে বাসার সবাই দৌড়ায় সাথে ঘড়ির কাঁটা, ড্রাইভার, আর গাড়িও দৌড়ায়। ওরা বাবা মেয়ে চলে গেলে গান ছেড়ে আমি একটু ইয়োগা সেরে নেই। পেপার খুলে বসি। ধীরে সুস্থে নাস্তা করি। হাতে নেই মগভর্তি সবুজ চায়ের লিকার অথবা বেশি করে দুধ চিনি সহ কফি। টিভিটা চলতে থাকে। এই সময়টুকু একান্ত আমার। আয়েশের। বিলাসিতার। ভাবনার।

টিভিতে খবর চলছে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানতে পারে, চীনের উহান প্রদেশে অজ্ঞাত অসুখে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। পরে জানা যায় আসলে সকলেই করোনা নামে এক নতুন ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। যাকে বলা হচ্ছে ঈড়ারফ ১৯. উহান প্রদেশের অবস্থা নাকি খারাপ। সন্দেহ করা হচ্ছে রোগটা নাকি ভীষণরকম সংক্রামক।

কিছুক্ষণ ফেসবুক দেখি। কিছু ফোনকল সেরে নেই। এরপর আবার শুরু হয় নিত্য দিনকার একই চিন্তা। দুপুরে কী মেন্যু হবে, রাতে কী হবে। মেয়ে কী খেতে পছন্দ করে, ওর বাবা কোনটা খায় না। ধোয়া, মোছা, গোছাগুছির নিত্য সংসার। সংসারের প্রতিটি জিনিস, প্রতি প্রঞ্চি ঝকঝকে তকতকে চাই। টিপটপ গোছানো থাকাটা আমার অভ্যাস। আমার আনন্দ।

পরের দিন। রাতের খাবারের পর আরিফ অস্থির আঙুলে টিভির চ্যানেল বদলাতে বদলাতে হঠাত বলে উঠল,

-আচ্ছা, ওইদিন শপিংমলে তুমি অনেক কেনাকাটা করেছ? আর কী করেছ?

-আর! আর আবার…আরে হ্যাঁ সেটাই তো তোমাদের বলতে চাচ্ছি, শোন না মজার… আমাকে থামিয়ে দিয়ে হঠাৎ ও টিভি অফ করে হাতের রিমোটটা টেবিলে ঠক করে নামিয়ে রেখে অসহিষ্ণু বলে উঠল,

-চল, চল শুয়ে পড়তে হবে, কাল অফিস আছে। মেয়েও কেমন করে যেন আমার মুখের দিকে তাকিয়ে কোন কথা না বলে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়। মনে হলো দরজা লাগানোর শব্দটা স্বাভাবিক নয়।

বিছানায় আরিফ কোন কথা বলল না। উল্টোদিকে মুখ ঘুরিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। ঘরে রাতবাতির ম্লান আলো। বাইরে রাস্তার কুকুরগুলো কেমন যেন একঘেয়ে করুণসুরে কাঁদতে থাকলো। এবারে ঢাকায় বেশ শীত পড়েছে। অর্ধেক লেপের তলায় আমি সজাগ, পুরো ব্যাপারটাই কেমন যেন বিব্রতকর হয়ে উঠল। আবার মনে হলো আমিই এমন বিব্রতকর ভাবছি, আসলে ও ক্লান্ত। আচ্ছা আগামীকাল রাতে ঠিক হয়ে যাবে।

পরদিন রাতে খাবার টেবিলে কেউ কোন কথা বলে না। কেমন যেন একটা অস্বস্তিকর থমথমে পরিবেশ। সেদিনের ঘটনাটা খুলে বলতে গেলেই দেখি দুজনেরই ব্যস্ততা, অনাগ্রহ। থেমে যাই বা থমকে যাই। ক্রমশ, বাসায় আমি যেন হয়ে উঠেছি একজন উহান প্রদেশের সন্দেহজনক ভাইরাস বহনকারী। ওরা কি আমাকে এড়িয়ে চলছে! কোনভাবেই ভেবে পাচ্ছি না হলো কী! এভাবে সপ্তাহ শেষে আবার ছুটিরদিন আসে। এই গুমোটভাব অসহনীয়।

আমাদের হাসিখুশির সংসার। গতি, শান্তি, স্বস্তির তিরতিরে গ্রোত ঠিক রাখার জন্য নিজেকে পুরোপুরি সংসারী করেছি। আরিফ সবসময় বলত আমার একার আয় আমাদের জন্য এনাফ। তোমাকে চাকরি করতে হবে কেন! ঠিক আরিফের কথায় নয় চাকরি বাদ দিয়েছি অন্য কারণে।

মেয়ের বয়স তখন পাঁচ বছর। দুজনই অফিস করি। এমনিতেই মেয়েকে বাসায় রেখে যাই শান্তি পাই না, ভীষণ দুশ্চিন্তা হয়। তার উপর দুদিন ধরে মেয়েটার জ্বর। খাবারে অরুচি। যা খায় বমি করে দেয়। বাসায় ছোট একটা মেয়ে, ওকে অষুধ পথ্য বুঝিয়ে দিয়ে অফিসে যাই। ওইদিন দুপুরেই ফিরে এসেছি। এসে দেখি মেয়ে ড্রয়িং স্পেসে মেঝেতে শুয়ে আছে। দ্রুত কাছে গিয়ে দেখি বমি করে কাহিল মেয়ে আমার সেই নোংরার উপর নেতিয়ে পড়ে ঘুমুচ্ছে। গায়ে হাত দিয়ে দেখি প্রচ- তাপে গা পুড়ে যাচ্ছে। দেখাশোনার মেয়েটি আরেকদিকে ঘুমুচ্ছে। মেয়েকে বুকে নিয়ে হাউমাউ করে কেঁদে উঠি। সে সময় মেয়ে অনেকদিন ক্লিনিকে ছিল।

সেই থেকে আমি ঘোরতর সংসারী হয়েছি। আনন্দ নিয়ে সংসার করে যাচ্ছি। কাজেই গুমোটভাব অসহ্য।

দূর করতে চাই।

মুখোমুখি হই আরিফের। প্রশ্নের পর প্রশ্ন করলেও সে এড়িয়ে যেতে চায়। বলে-

-কই কিছু হয়নি তো। খামোখা জল খোলা করছ কেন?

-আমি জল ঘোলা করছি না, তুমি ইতোমধ্যেই তা করে রেখেছ।

অতঃপর অনেক পীড়াপীড়িতে সে খুলে বলে।

মেয়ের বন্ধুর বাবা জানিয়েছে, শপিংমলের ফুডকোর্টে কার সাথে বসে আমি খাওয়া দাওয়া করেছি। আর হাস্যরসে আড্ডা দিয়েছি এবং আমাকে সুন্দর দেখা গেছে।

নিমিষেই ধোঁয়াশা কেটে সব পরিষ্কার। কিন্তু এতদিন ধরে যে মজার গল্প বলার জন্য স্বামী মেয়েকে চেয়েছি মুহূর্তে তা নিভে যায়। আর চাই না। কতকি ভেবে রেখেছিলাম মজা করে ওদেরকে জানাব, বন্ধুকে একদিন বাসায় নেমন্তন্ন করব…

আমার কলেজ, ভার্সিটির বন্ধুর সাথে দেখা হয়েছিল। সে থাকে দেশের বাইরে। শপিং শেষে যখন এক্সলেটরে উঠতে যাব, তখনই দেখা এবং ওর পীড়াপীড়িতে ফুডকোর্টে বসে খাওয়া। খাওয়া তো মুখ্য নয়, মুখ্য ছিল কথা, কুশল বিনিময়। সেটাই মেয়ের বন্ধুর মা দেখে নিজ মেয়ে ও স্বামীকে জানিয়েছে এবং তার স্বামী আরিফকে জানিয়েছে।

ক্রোধে কান, মাথা ঝাঁ ঝাঁ করতে লাগলো। বিবমিষায় মন তিতা হয়ে উঠল। ইচ্ছে করল কাউকে কিচ্ছু বলব না। তোমরা থাকো তোমাদের ভাবনা নিয়ে। আমার কিচ্ছু যায় আসে না। দুপুরের খাওয়া শেষ হলো গভীরতম নিরবতায়। সমতল নিষ্প্রাণ টেবিল থালা বাটি বুকে ধারন করল সন্তপর্ণে। মেয়ের মুখটা কালো, গম্ভীর। ও কী ভাবছে কে জানে! ওর বন্ধুর কাছে এমন কথা শুনতে নিশ্চয়ই ওর খারাপ লেগেছে। এখন মাকে কিছু জিজ্ঞেস করতেও পারছে না।

দিন শেষে সন্ধ্যা এলো। জানুয়ারির বিকেলগুলো দ্রুতই ফুরিয়ে আসে। হিমরেণু নামছে শহরে। হিমের শৈত্য। নরম একফালি রোদ তেরচা হয়ে গড়িয়ে আছে ব্যালকনিতে। চারপাশের সব ব্যালকনিতে মরশুমি ফুলের বাহার। ব্যালকনির তৃষ্ণার্ত কুঞ্জলতা, ক্যামেলিয়া, অপরাজিতাকে জল দিতে দিতে ক্রোধ ক্রমে বিষাদে রূপ নেয়। নিজেকে বোঝাই, এই অস্বস্তি আমাকেই দূর করতে হবে। নিরবতা আমাকেই মুখর করতে হবে। অশান্তি ইলাস্টিকের মত। টানলে বাড়ে, বাড়তেই থাকে। একদ- অশান্তি আমার ভালো লাগে না। বিবমিষা, গুমোট ভাবকে দূরে ঠেলে দিয়ে ওর মুখোমুখি হলাম। ওকে সব খুলে বললাম। সে আগে থেকেই আমার এ বন্ধুর কথা জানত। চুপচাপ শুনতে শুনতে ক্ষণে ক্ষণে মুখভাব বদলাতে লাগল। নিমেষেই মুখর, চাঙ্গা। চোখমুখ উজ্জ্বল করে বলে উঠল,

-আরে ধুর ধূর বাদ দাওতো! আমি তোমাকে চিনি না! এসব কোন কথা হল! এই রাজ্জাক সাহেব মানুষটাই আছে কেবল মানুষের কান ভারি করতে। যত্তসব! উঠো   তো যাও রেডি হও, আজ ডিনার হবে বাইরে। শোন, আজ কিন্তু তুমি শাড়ি পরবে…ওর উল্লাস আমাকে স্পর্শ করে না, চোখে চোখ রাখি। স্থির, ক্লান্ত…

-প্রথমত, সত্যিই তুমি আমাকে চেন না। চিনলে এমন আচরণ করতে না। দ্বিতীয়ত বহু মহিলা রাজ্জাক আছে কান ভারি করার জন্য কই আমার কান তো ভারি হয় না। এসব রাজ্জাক মার্কা কথাবার্তা আমার বিশ্বাসের দেয়াল টপকে কান অবধি পৌঁছুতেই পারে না, তা আবার ভারি! দৃঢ় কিন্তু মৃদুকন্ঠে বলা শেষে মেয়ের ঘরের দিকে হাঁটতে লাগলাম।

সংসারের  ছেঁড়াফাটা জায়গাগুলোকে ঠিকঠাক রিপু করা দরকার যেন একদম ঝকঝকে নতুন দেখা যায়। ঝকঝকে তকতকের উপর আমার যে বড় লোভ।

সদ্য পা দেয়া কলেজে ওর মেয়েবন্ধুর পাশাপাশি ছেলেবন্ধুও আছে। আজ থেকে ১০/১৫ বছর পরে কোন ছেলেবন্ধুর সাথে ওর দেখা তো হতেই পারে। দরজায় টোকা দেই, এখানেও ধুলো পরিষ্কার করার দায়িত্ব আমারই।

 

কাজী লাবণ্য, কথাসাহিত্যিক

বাজেটের সংস্কৃতি, সংস্কৃতির বাজেট

আলম খোরশেদ আর কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশের চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষিত হবে। আর অমনি শুরু হয়ে যাবে সবখানে বাজেট নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা। প-িতেরা, তথা অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার,

যৌক্তিক দাবি সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর

দেশে চাকরির বাজার কত প্রকট বা দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা কত তা নিরূপণ করতে গবেষণার প্রয়োজন নেই। সরকারি চাকরি বা বিসিএস ক্যাডারে আবেদনকারীর সংখ্যা দেখলেই

সংবর্ধনার জবাবে কবি মিনার মনসুর বঙ্গবন্ধু শব্দটি যখন নিষিদ্ধ ছিল তখনই আমি বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করেছি

রুহু রুহেল সময়ের সাহসী উচ্চারণ খুব কম সংখ্যক মানুষই করতে পারেন। প্রতিবাদী মানসিকতা সবার থাকে না; থাকলেও সেখানে  সংখ্যা স্বল্পই। এই স্বল্পসংখ্যক মানুষের মাঝে  সৌম্যদীপ্র