এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

সনতোষ বড়ুয়ার হালের ছড়া, কালের ছড়া

অর্জন গর্জন বর্জন

 

গায়ের শালে লাগিয়ে আগুন

ঝরিয়ে দিলেন ঘাম,

স্বর্ণাক্ষরে থাকবে লেখা

ইতিহাসে নাম!

 

পরাজিত পাকিস্তানও

যা’ করেনি আজও,

রিজভী ভাইয়ে দিলেন করে

সেই বিপ্লবী কাজও।

 

রাজনীতিতে যার থাকে না

একটুও অর্জন,

সেই নেতারই কণ্ঠে শুনি

বাঘেরই গর্জন!

 

থাকলে মাথায় রাজাকার আর

পাকিস্তানি জোস,

সবকিছুতেই আমরা খুঁজি

ভারতীয় দোষ।

 

 

আবার লড়াই-এক

 

নিজকে ভাবিস বুদ্ধিমান আর

আমায় ভাবিস অজ্ঞ,

কোন সাহসে করতে আছিস

বৃক্ষ নিধন যজ্ঞ?

 

কা- দেখে ভাবছি আমি

‘গাইল’ দেব আজ কি দিয়ে,

গাছ কাটলে খবর আছে

ভাব বুঝে নাও সিডিএ।

 

প্রাচীন গাছে শোভা বর্ধন

তোর উন্নয়ন রাখ,

লুট করে মাছ লুকিয়ে রাখার

কোথায় তেমন শাক?

 

উন্নয়নের নাম বেচে খাও

দেশ জনগন জানে,

ধান্ধাবাজি বাদ দিয়ে দে

বাঁচবি সসন্মানে।

 

 

 

 

 

কিশোর গ্যাং

 

মা চেয়েছে সন্তান তার

থাকুক শুধু দুধভাতে,

অবস্থা আজ ত্রাহি ত্রাহি

কিশোর গ্যাং এর উৎপাতে।

 

মু-ু কাটে হাত-পা কাটে

বীর দর্পে ঘুরছে,

লাগছে আগুন শহর জুড়ে

দেবালয়ও পুড়ছে।

 

ষ-া নেতা পা-া নেতা

অপরাধীর গডফাদার,

বলছে সবাই করতে দমন

করতে হবে ‘কট’ ফাদার।

 

বুঝতে হবে কে পুষছে

কালনাগিনী, ফেলছে শ্বাস,

সরকারি দল দিচ্ছে ছাতা

ছাতার নিচে করছে বাস?

 

সেই না হলে দমন করা

হাতের তুড়িই যথেষ্ট,

আইন ও পুলিশ শেষ ভরসা

দেখতে রাজি কে শ্রেষ্ঠ!

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো