
চক্র
সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো

দীপক বড়ুয়া আমি স্বপ্নদীপ। মা বাবার প্রথম সন্তান। আমার জন্মের আনন্দে বাবা নাম রেখেছিল স্বপ্নদীপ। মা বাবা কেউ বুঝেনি আমি বড় হলে বামন হব।

বিশ্বজিৎ মণ্ডল শহরের কোলাহল যখন ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে, ঠিক তখন অবিনাশের দিন শুরু হয়। অবিনাশ একজন চিত্রশিল্পী। তবে তার ক্যানভাস সাধারণ দিনের আলো

রেজাউল করিম খোকন হানিফ সহযোগীদের নিয়ে প্রায় সন্ধ্যায় এসে চড়াও হচ্ছে তার ওপর। মেয়েটা বাড়িতে থাকলে তাদের অসুবিধা হয়। মেয়েটাকে নানার বাড়িতে পাঠানোর আগে

আজাদ বুলবুল লকডাউন ঘোষণার পর সামনের দিনকাল কীভাবে কাটবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় মাথা খারাপ হবার অবস্থা পুনংচানের। যেখান থেকে বা যাদেরকে ভুলিয়ে ভালিয়ে তার

মহীবুল আজিজ একটা কোকিল এল্মগাছটার ওপর দিয়ে ডাকতে ডাকতে ওয়েস্ট রোড হয়ে পাইনহার্স্টের দিকে উড়ে চলে গেলে মিল্কম্যানটাও ঠিক তখনই দুধের বোতলটা নিঃশব্দে

সৈয়দ মনজুর কবির তুমি কে ও? কোন বাড়ির ছেলে? কই আগে তো কোনোদিন দেখি নাই? বেশ উচ্চ:স্বরে একটানে প্রশ্নগুলো করেন পিয়ার খান প্রায় আশি হাত

দেবাশিস ভট্টাচার্য শৈশব নিয়ে লিখতে গেলে আমি আবেগ আপ্লুত হয়ে যাই, জীবনের এতটা সময় পার করে এসে মনে হয় শৈশবই মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়।

তানভীর আহমেদ হৃদয় ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি মাটিতে নামেনি। পূর্ব আকাশে সূর্যের আভা ফুটে উঠলেও গ্রামের অধিকাংশ মানুষের ঘুম ভাঙেনি। কিন্তু আব্দুল করিম কামারের ঘরে

মূল : বানু মুশতাক কন্নড় ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষান্তর : দীপা ভাস্তি বাঙলায়ন : কুমার প্রীতীশ বল (বানু মুশতাক: দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের একজন

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো