এখন সময়:সন্ধ্যা ৭:২৫- আজ: শুক্রবার-১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:সন্ধ্যা ৭:২৫- আজ: শুক্রবার
১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

একে একে নিভিছে দেউটি (সম্পাদকীয়- অক্টোবর ২০২৫)

অতি সম্প্রতি খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দেশের এক ঝাঁক প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রাজ্ঞমনস্ক অবিনশ্বর মানসসম্পদ প্রয়াত হলেন। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ অশীতিপর ছিলেন,  প্রত্যেকেরই স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যু যতই স্বাভাবিক ও অনিবার্য হোক না কেন, মেনে নেয়াটা  বড়ই কঠিন;  কারণ এঁরা সমাজের দীপ্র ও দীপ্ত শিখা। এঁদের মধ্যে কেউ প্রতিষ্ঠিত লেখক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সমাজবিজ্ঞানী, বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ, ইতিহাসবিদ, শিল্পী, ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিক। তাই এঁদের মৃত্যুটা শোকের অধিক গভীর এক ক্ষতের দাগ  হয়ে অন্তরে বিঁধে থাকা ধারালো বর্শার ক্ষরণ ও দহনজ্বালার মতো; যা আমাদের অনেক দিন পোড়াবে।

প্রণম্য প্রয়াত এই গুণী মানুষেরা—বদরুদ্দীন উমর, যতীন সরকার, অধ্যাপক আহমেদ রফিক, লালনকন্যা ফরিদা পারভীন, অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ড. সুনীতি ভূষণ কানুনগো, প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ চৌধুরী, তোফায়েল আহমদ (স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ), রকিব হাসান, সাবের আহমদ আজগরী, এবং শহর চট্টগ্রামের প্রিয়মুখ স্বপন সেন—কঠিন ও দুর্বিনীত দুঃসময়ে আমাদের পরমাত্মীয় ছিলেন। এই মানুষগুলো পরিণত বয়সে স্বাভাবিক মৃত্যুকে আলিঙ্গন করলেও আমাদের মনে কষ্ট ও আক্ষেপ থেকে যায়। এই ভালো ও বড় মাপের মানুষগুলোকে আমরা হারাতে চাই না। তারা  মুক্ত আকাশের বিহঙ্গ; সত্য, শুভ, কল্যাণ, শান্তি ও প্রগতির প্রতীক। এই ধরণীতে তাঁরা বেঁচে থাকলেই সুন্দর কখনো তিরোহিত হবে না।  অন্ধ বিবরে সত্য ঢাকা পড়বে না। তাই আমরা চেয়েছিলাম  এবং এখনো চাই এ ধরনের বড় মাপের মানুষগুলো  আমাদের সত্তা ও অস্তিত্বের অতন্দ্র প্রহরী হয়ে থাকুন।

এঁরা এমন সময় চলে গেলেন, যখন ঘাড়ে চেপে বসে আছে অস্পৃশ্য, অদৃশ্য, বর্ণ, গন্ধহীন একটি বিশাল ওজনের ভার; যা অনুভূতিকে ভোঁতা করে দেয়, ভয় ও অনিশ্চয়তা প্রতি মুহূর্তকে তটস্থ করে রাখে। সন্দেহ ও অবিশ্বাস এতোটাই প্রকট কাউকে আপন ভাবা যায় না। বিশ্বাসের জায়গাটিও ভীষণ নড়বড়ে। গন্তব্যহীন যাত্রায় গা ভাসিয়ে উৎসব উৎসব ভাব দেখালেও ভেতরে চেপে আছে একটি গোপন কান্না। তাই এই অল্প সময়ের ব্যবধানে যে ক’জন উজ্জ্বল মানস সম্পদকে হারালাম তাদের জন্য এই কান্না আর গোপন থাকলো না। কারণ সত্যিইতো একে একে নিভিছে দেউটি। চারিদিকে অন্ধকার।  তাই আলোর ইশারা খুঁজি।

বাঙালির ভাষার অধিকার হরণ- রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক মৃত্যু

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ জননী রঞ্জিতা বড়ুয়াকে নিবেদিত সন্তান সত্যজিৎ বড়ুয়ার ‘সুরাঞ্জলি’

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া   সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

জলে জঙ্গলে (পর্ব তিন)

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম