
একটি জাতীয় সংগীত, একটি পতাকা আর একটি ফুটবল
নিখিল রঞ্জন দাশ “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি”— ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের দামাল ছেলেদের নিয়ে সংগঠিত হয়েছিল একটি ফুটবল দল

নিখিল রঞ্জন দাশ “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি”— ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের দামাল ছেলেদের নিয়ে সংগঠিত হয়েছিল একটি ফুটবল দল

নিখিল রঞ্জন দাশ এদেশের আপামর জনসাধারণ ও ক্রীড়ামোদিদের মনের মণিকোঠায় অনেক খেলার মাঝে যে খেলাটি ঠাঁয় করে নিয়েছে তা হলো ফুটবল। শৈশবে বাড়ির আঙিনায় বাতাবি

নিখিল রঞ্জন দাশ আজকাল এম.এ.আজিজ স্টেডিয়ামে গেলেই একটা নষ্টালজিয়ায় মনটা ছেয়ে যায়,ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই দিনগুলোতে যখন হাঁটিহাঁটি পা পা করে এই কংক্রীট ঘেরা চত্ত্বরে

সুলতানা কাজী গ্রামীণ পরিবেশে কাটানো দুরন্ত ছোটবেলা আমার! গাছে চড়া থেকে শুরু করে খালে-বিলে মাছ ধরাও বাদ নেই তাতে। মনে পড়ে, সেই মধুর দিনের কথা।

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো