এখন সময়:রাত ১১:৫২- আজ: মঙ্গলবার-৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:রাত ১১:৫২- আজ: মঙ্গলবার
৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

দেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই (সম্পাদকীয়- জুন ২০২৪ সংখ্যা)

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সম্প্রতি আমাদের দেশসহ উপমহাদেশে যে তাপদাহ শুরু হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই আর আমাদের দেশে বৃক্ষ রোপণের উপযুক্ত সময় হচ্ছে জুন-জুলাই মাস।
আজ থেকে দু’দশক আগে থেকে বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন বিশ্বের উষ্ণতা বেড়ে যাওয়াতে জমাটবাঁধা বরফ গলে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাবে। সে পানিতে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বেশ কটি দেশের আংশিক অঞ্চল পানিতে তলিয়ে যাবে। এর প্রভাব এখন বাংলাদেশে পড়তে শুরু করেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণতার ঝুঁকিতে থাকা অন্যতম তিনটি ক্যাটাগরিতে ১২টি দেশের তালিকায় বন্যায় প্রথম অবস্থানে বাংলাদেশ, ঝড়ে আছে দ্বিতীয় অবস্থানে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনে নেতিবাচক প্রভাবে ইতোমধ্যে বৃষ্টিপাত হ্রাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিঝড়, ভূমিকম্পসহ নানা দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে।
প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল বৃদ্ধি করতে হবে। একটি দেশের আয়তন অনুযায়ী ঐ দেশের ২৪ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের দেশের আয়তন অনুযায়ী আমাদের বনভূমি আছে ১৫.৫৮ শতাংশ মাত্র। এর মধ্যে থেকেও প্রতিদিন খবরের কাগজে খবর আসছে হাজার হাজার বৃক্ষ নিধনের। এ সব বৃক্ষ নিধন কঠোর হস্তে দমন করতে না পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ অমানিশার অন্ধকারে তলিয়ে যাবে।
বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে দেশকে সবুজায়ন করতে হবে। এতে শুধু নান্দনিক দৃশ্য দেখা দেবে না পাশাপাশি দূষণমুক্ত হবে পরিবেশ ও আবহাওয়া। একটি পরিপূর্ণ বৃক্ষ ১০ জন মানুষের বার্ষিক অক্সিজেনের চাহিদা পূরণ করে। এ ছাড়া ফলদ বৃক্ষ আমাদের শরীরের নানা চাহিদা মেটায়। বৃক্ষরোপণকে এখন সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তর করতে হবে।
শুধু বৃক্ষরোপণ করলে হবে না এর উপযুক্ত পরিচর্যা করে পরিপূর্ণ বৃক্ষে পরিণত করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া সবুজাভ দৃশ্য আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও আন্তরিকতার। এ ব্যাপারে আমাদের প্রচার মাধ্যমগুলো ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদেরও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি নেওয়া যেতে পারে। এই নিয়ে আন্দরকিল্লার চলতি সংখ্যায় ‘তাপ প্রবাহে জর্জরিত হবেন, নাকি গাছ লাগিয়ে বাঁচবেন?’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছে, এটি লিখেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক ফজলুর রহমান। প্রিয় পাঠক এই নিবন্ধেও এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে।

বাঙালির ভাষার অধিকার হরণ- রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক মৃত্যু

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ জননী রঞ্জিতা বড়ুয়াকে নিবেদিত সন্তান সত্যজিৎ বড়ুয়ার ‘সুরাঞ্জলি’

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া   সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

জলে জঙ্গলে (পর্ব তিন)

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম