এখন সময়:সকাল ৯:২৯- আজ: মঙ্গলবার-১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:সকাল ৯:২৯- আজ: মঙ্গলবার
১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পেইন্টিং ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি

॥ আন্দরকিল্লা ডেক্স ॥শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পেইন্টিং ‘সাঁওতাল দম্পতি’ সম্প্রতি নিউইয়র্কের একটি নিলাম হাউজে ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ যাবতকালে কোন বাংলাদেশী পেইন্টারের কোন ছবি এত দামে বিক্রি হয়নি। তাই এটি একটি রেকর্ড! কাঠের প্যানেলে তৈল মাধ্যমে জয়নুল আবেদিন ‘সাঁওতাল দম্পতি’ প্রথম এঁকেছিলেন ১৯৫১ সালে। পরে ছবিটির একাধিক সংস্করণও করেছিলেন তিনি। সেদিনের নিলামে শিল্পাচার্যের আরো একটি পেইন্টিং বিক্রি হয়। ‘বসে থাকা নারী’র চিত্রটি ক্যানভাসে তৈল মাধ্যমে তিনি এঁকেছিলেন ১৯৬৩ সালের দিকে। এ চিত্রকর্মটি বিক্রি হয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ কোটি ৭ লাখ টাকায়! পেইন্টিং দুটির আগের কালেক্টর ছিলেন পাকিস্তানি কূটনৈতিক ও ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার জামশেদ মার্কার ও তাঁর স্ত্রীর সাথে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৩ সালে পেইন্টিং দুটি তাঁরা সরাসরি জয়নুল আবেদিন থেকে কিনেছিলেন। এর ৬১ বছর পর পেইন্টিং দুটি নিলামে উঠলো। উল্লেখ্য জামশেদ মার্কার কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। (এর আগেও বিখ্যাত নিলাম হাউজ ক্রিস্টিতে শিল্পাচার্যের সাঁওতাল মহিলা ছবিটি ২ কোটি টাকার উপরে বিক্রি হয়েছিলো।) বিত্তশালী শিল্পসমঝদার কালেকটর ছাড়াও ধনকুবের ব্যবসায়ীরা ইনভেষ্টমেণ্ট হিসেবে দামী শিল্পকর্ম কালেক্ট করে থাকেন কারণ এগুলো ডলার বা গোল্ড থেকেও ভালো রিটার্ণ দিতে পারে! আমাদের দেশে বেঙ্গল গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, স্কয়ার গ্রুপ ও কিছু ফাউন্ডেশনের এমন সব দামী পেইন্টিংস এর বড় কালেকশন আছে। বেশ কিছু বছর বুধ গ্রহের একটি ক্রেটারের নাম রাখা হয়েছিলো শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নামে। এবার তাঁর দুটি ছবি সোয়া ৭ কোটি টাকায় বিক্রি হয়ে আবার শিল্পাচার্য নিউজে আসলেন যা নতুন প্রজন্মকে উনার কাজ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী করে তুলতে এবং সাঁওতাল জাতির সম্পর্কে জানতে ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

বাঙালির ভাষার অধিকার হরণ- রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক মৃত্যু

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ জননী রঞ্জিতা বড়ুয়াকে নিবেদিত সন্তান সত্যজিৎ বড়ুয়ার ‘সুরাঞ্জলি’

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া   সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

জলে জঙ্গলে (পর্ব তিন)

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম