এখন সময়:ভোর ৫:৩২- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:ভোর ৫:৩২- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

ভিক্টোরিয়া অ্যামেলিনার চারটি কবিতা

ভাষান্তর : জয়দেব কর

 

সাক্ষ্য

এই অদ্ভুত শহরে শুধু নারীরাই সাক্ষ্য দেয়  একজন জানায় হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাটির কথা  বেসমেন্টের মধ্যে নির্যাতিত মানুষের কথা জানায় দুইজন

তিনজন জানায় তারা ধর্ষণ স¤পর্কে শুনেনি এবং তারা তাদের চোখ ফিরিয়ে নেয়

সেনাসদর থেকে ভেসে আসা আর্তচিৎকারের কথা জানায় চারজন

পাঁচজন জানায় তাদের আঙ্গিনায় গুলিবিদ্ধ মানুষের কথা

ছয়জন যা বলে তা বোধগম্য হয়ে ওঠে না

সাতজন এখনও খাদ্যের মজুদ হিসেব করছে উচ্চৈঃস্বরে

আটজন আমাকে মিথ্যাবাদী বলে, কারণ এখানে কোনও ন্যায়বিচার নেই

গোরস্থানমুখী হয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলে নয়জন

 

আমিও যাচ্ছি আমার পথে, কারণ এই শহরের প্রত্যেককেই জানি

এর সকলের মৃত্যু আমার মৃত্যু

এবং এর সকল জীবিতরা আমার বোন

 

দশজন জানায় বেঁচে যাওয়া সে মানুষটি স¤পর্কে

যে ওদের হাতে বন্দি ছিল

সে-ই নির্যাতনকারীদের বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে

 

আমি তার দরোজায় কড়া নাড়ি

তার প্রতিবেশিনী বেড়িয়ে আসে

সে তার হয়ে উত্তর দেয়:

 

মনে হচ্ছে সে বেঁচে আছে

যাও, নারীদের সাথে কথা বলো

 

ইউক্রেনীয় থেকে ইংরেজিতে ভাষান্তর করেছেন ভ্যালজিনা মর্ট।

 

 

একটি কাক স¤পর্কিত কবিতা

 

অনুর্বর বসন্তের মাঠে

কালো পোশাকে আছে দাঁড়িয়ে এক নারী

বোনদের জন্য কাঁদছে

শূন্য আকাশে একটি পাখির মতো

তাদের সকলের জন্য তার কান্না

 

যে উড়ে গিয়েছিল খুব তাড়াতাড়ি

যে করেছিল মৃত্যুভিক্ষা

যে পারেনি থামাতে মৃত্যুকে

যে করেনি প্রতীক্ষার অবসান

যে করেনি বিশ্বাসের অবসান

যে এখনও নীরবে করে শোক

 

মাটির ভেতর সে কাঁদবে তাদের সকলের জন্য

যেন মাঠে বেদনা করছে রোপন

এবং বেদনা ও নারীদের নামগুলো হতে

তার নতুন বোনেরা জন্ম নেবে ধরিত্রী থেকে

আর আবার গাইবে গান জীবনানন্দে

কিন্তু, তার কি হবে, কাক?

সে এই মাঠে থাকবে চিরকাল

কারণ শুধু এই কান্না তার

ধরে রাখে আকাশের ওইসব আবাবিল

 

তুমি কি শুনতে পাও কীভাবে সে ডাকে

প্রত্যেকের নাম ধরে?

 

ইউক্রেনীয় থেকে ইংরেজি ভাষান্তর করেছেন উইলিয়াম ব্ল্যাকার।

 

 

শিরোনামহীন-১

 

ওই নারীকে দেখো, পেছনে বাড়ানো বাহু?

সে সম্ভবত স্যুটকেস বা কাউকে টেনে নিয়ে আসছে তার সাথে

অদৃশ্য স্যুটকেস অবশ্যই খুব ভারী, তাই সে ধীর

এমন নারী সাধারণত খুবই অদ্ভুত মনে হয়

তার ভস্মীভূত বাড়ি থেকে নিয়ে আসার মতো কিছুই ছিল না

এবং ওখানে তার সাথে কে বাস করত? এখন কেউ জানে না

তবুও তারা তাকে অনুসরণ করে দেখে শ্লথহাঁটা একটি শিশু পেছনে

আর তাই নারীটি থামে : তার জন্য সব সময় থাকে অপেক্ষায়

 

ইউক্রেনীয় থেকে ইংরেজি ভাষান্তর করেছেন লরিসা বাবিজ

 

 

শিরোনামহীন-২

 

এক অদ্ভুত সাগরের পাড়ে দাঁড়িয়ে এক নারী, সর্বস্বান্ত,

আলুথালু চুল, জীর্ণ কাপড়ের জুতো পায়ে,

রক্তাক্ত ঠোঁটে ফিসফিসিয়ে বলছে একটি নাম

স্থানীয়রা ভাবছে এই নারী তার স্বামীকে হারিয়েছে

 

কিন্তু তার উচ্চারিত নাম আমি শুনেছি

এটা কোনও পুরুষের নাম নয়, নয় কোনও শিশুর নাম

সে দাঁড়িয়ে আছে সাগরের পারে এবং ডাকছে সাগরকে

 

সাগরও ভাবছে যে সে তার স্বামীকে হারিয়েছে

এই অদ্ভুত অখ্যাত নামের জবাব দেয় না সে

শুধু ঝিনুকের খোলস ও তীক্ষèধার পাথর ধুয়ে যায়

শুধু সামুদ্রিক ভাষায় ফিসফিসিয়ে বলে:

 

হে নারী, সে তোমার কাছে ফিরবে,

তোমার আজভ

 

ইউক্রেনীয় থেকে ইংরেজি ভাষান্তর করেছেন লরিসা বাবিজ।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি