এখন সময়:সকাল ৭:২১- আজ: শনিবার-৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-শীতকাল

এখন সময়:সকাল ৭:২১- আজ: শনিবার
৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-শীতকাল

মানতের ডিম- মূল: চিনুয়া আচেবে

ভাষান্তর: জ্যোতির্ময় নন্দী

 

[প্রখ্যাত নাইজেরীয় কথাশিল্পী চিনুয়া আচেবে’র পুরো নাম অ্যালবার্ট চিনুয়ালুমোগু আচেবে। ১৯৩০-এর ১৬ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনাধীন নাইজেরিয়ার ওগিডিতে তিনি জন্ম নেন। মৃত্যু ২০১৩’র ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের বোস্টন শহরে।

আচেবেকে আধুনিক আফ্রিকান সাহিত্যে সর্বাধিক পঠিত লেখক বলে মনে করা হয়। সর্বসম্মতভাবে আচেবে’র শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘থিংস ফল অ্যাপার্ট’ (১৯৫৮)। তাঁর বহুলপঠিত অন্যান্য বইয়ের মধ্যে আছে ‘নো লংগার অ্যাট ইজ’, ‘অ্যারো অব গড’, ‘এ ম্যান অব দ্য পিপল’, ‘অ্যান্টহিলস অব দ্য সাভান্নাহ’ প্রভৃতি। সাহিত্যকর্মের জন্যে আচেবের পাওয়া পুরস্কারগুলোর মধ্যে আছে: নাইজেরিয়ান ন্যাশনার অর্ডার অব মেরিট (১৯৭৯), সেন্ট লুই সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৯), দা ডরোথি অ্যান্ড লিলিয়ান গিশ পুরস্কার (২০১০)।

সাহিত্যে আচেবে নোবেল পুরস্কার না পাওয়ায় সাহিত্যরসজ্ঞদের অনেকে বিস্মিত হয়েছেন। তাঁকে মরণোত্তর নোবেল পুরস্কার দেয়ার প্রস্তাব উঠেছিলো, যেটাকে এই মহান লেখকের প্রতি এক বিরাট অপমান হিসেবেই দেখেছেন তাঁর স্বদেশী এবং ১৯৮৬’র নোবেলবিজয়ী কথাসাহিত্যিক ওলে সয়িঙ্কা। অসামান্য ঔপন্যাসিক, গল্পকার, কবি, অধ্যাপক, সাহিত্য সমালোচক চিনুয়া আচেবের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর ‘এ স্যাক্রিফিসিয়্যাল এগ’ গল্পটির বাংলা অনুবাদ ‘মানতের ডিম’ নামে এখানে পত্রস্থ করা হল। মানুষের কুসংস্কার, মৃত্যুভীতি, আতঙ্ক, আর আত্যন্তিক বিষাদ এ গল্পে পরিস্ফুট হয়ে উঠেছে।]

 

 

জুলিয়াস ওবি তার টাইপরাইটারের দিকে তাকিয়ে বসে ছিলো। তার বস মোটকু বড়বাবু নিজের টেবিলে ঘুমোচ্ছিলেন নাক ডাকিয়ে। বাইরে সবুজ উর্দি পরা দারোয়ানটাও ঘুমোচ্ছিলো তার গুমটি ঘরে। প্রায় এক হপ্তা ধরে ওই ফটক দিয়ে কোনো খদ্দের আসা-যাওয়া করেনি। ওজন করার বিশাল যন্ত্রটার ওপর একটা খালি ঝুড়ি রাখা। যন্ত্রটার আশেপাশে ধুলোর মধ্যে ছড়িয়ে ছিলো কয়েকটা তালের বিচি।

 

 

জুলিয়াস এগিয়ে গেলো জানলাটার দিকে যেখান দিয়ে নাইজার নদীর তীরে বড়বাজারটা দেখা যায়। ইবোদের সব বাজারের মতো এটাও হপ্তায় চারদিনের একদিন বসে। কিন্তু সাদা মানুষরা আসার পর উমুরু একটা বড় পাম অয়েল চালানের কেন্দ্র হয়ে ওঠায় এটা এখন দৈনিক বাজারে পরিণত হয়েছে। তা সত্ত্বেও অবশ্য, মূল ‘এন্ক্বো’ দিনগুলোতেই এটা সবচেয়ে জমজমাট হয়ে উঠতে দেখা যায়। কারণ, বাজারটির অধিষ্ঠাত্রী দেবী কেবল ওই দিনটাতেই তাঁর কৃপাদৃষ্টি দেন। বলা হয়ে থাকে, ওইদিন ভোরে মোরগ ডাকার ঠিক আগটায় তিনি একটা বুড়ির রূপ ধরে বাজারটার কেন্দ্রস্থলে আবির্ভূত হন, এবং পৃথিবীর চার দিকে– তাঁর সামনে, পেছনে, ডানে, এবং বাঁয়ে– তাঁর জাদুপাখাটা দুলিয়ে দেন, বহুদূরের জ্ঞাতিগোত্রগুলো থেকেও নারী-পুরুষদের এ-বাজারে টেনে আনার জন্যে। এবং তারা সত্যিই আসে, ওই নারী-পুরুষেরা, তাদের বানানো আর জমিতে ফলানো তালের তেল (পাম অয়েল) আর বিচি, কোলা বাদাম, কাসাভা, মাদুর, ঝুড়ি, আর মাটির হাঁড়িপাতিল নিয়ে। এবং তারা এ-বাজার থেকে কিনে বাড়ি নিয়ে যায় বহুরঙের কাপড়চোপড়, ধোঁয়ায় জারানো মাছ, লোহার থালাবাসন।

 

আরো অনেকে আসে সুপরিসর নদীপথে তাদের ক্যানোতে করে ইয়াম (একরকমের মিষ্টি আলু) আর মাছ নিয়ে। মাঝে মাঝে ওগুলো হয় দশ-বারোজন লোক নিয়ে বেশ বড় ক্যানো, আবার কখনো ওগুলো দ্রুতপ্রবাহিনী আনাম্বারা নদী থেকে আসা শুধু একজন জেলে আর তার বউকে নিয়ে ছোট্ট একটা নৌকো। নৌকোটাকে নদীর তীর ঘেঁষে নোঙর করে তারা বিস্তর দরাদরি করে তাদের মাছগুলো বেচে। তারপর জেলেবউটা নদীর খাড়া পাড় বেয়ে উঠে বাজারের কেন্দ্রস্থলে গিয়ে নুন আর তেল কেনে, বিক্রিবাটা ভালো হলে কিছুটা কাপড়ের থানও কিনে থাকে। বাড়িতে ছেলেমেয়েদের জন্যে সে ইগারা মেয়েদের গড়া পিঠে বা আকারা আর মাই-মাইও কেনে। সন্ধ্যে ঘনিয়ে এলে তারা হাতে দাঁড় তুলে নেয় এবং নৌকো বেয়ে চলে যেতে থাকে, অস্তায়মান সূর্যের আলোয় ঝিলমিল করতে থাকে নদীজল, এবং তাদের ক্যানো দূরে চলে যেতে যেতে ছোট থেকে ছোটতর হতে হতে একসময় দেখায় জলের ওপর ভাসমান কালো একটা বাঁকাচাঁদের মতো আর তার ওপর সামনে-পেছনে দোদুল্যমান দুটো কালো অবয়ব।

 

জুলিয়াস ওবি উমুরুর লোক না। সে এসেছে বিশ মাইল বা আরো দূরের এক বুনো গাঁ থেকে। ১৯২০-এ একটি মিশন স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীর পরীক্ষায় পাস করার পর সে কেরানির চাকরি নিয়ে আসে নাইজার কোম্পানির অফিসে, যার কারবার ছিলো তালের তেল আর বিচির। অফিসটা ছিলো বিখ্যাত উমুরু বাজারের পাশে, যেজন্যে জুলিয়াসকে প্রথম দু-তিন সপ্তাহ ধরে শিখতে হয়েছে কীভাবে বাজারে হৈচৈয়ের ভেতরে কাজ করতে হয়। মাঝে মাঝে অফিসের বড়বাবু যখন বাইরে যান বা ঘুমিয়ে পড়েন, সে জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে তাকিয়ে পিঁপড়ের মতো মানুষদের বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখে। এসব লোকের বেশির

 

ভাগই আগের দিন এখান ছিলো না, কিন্তু তারপরও বাজারটা তো লোকে ভরপুরই ছিলো, সে ভাবতো। এই পৃথিবীটাতে নিশ্চয় অনেক অনেক লোক আছে। অবশ্য ওরা বলে থাকে যে, এ-বাজারে যেসব লোক আসে, তাদের সবাই কিন্তু আসলে মানুষ নয়। জেনেটের মা-ও অমনটাই বলেছিলেন।

 

“লোকজনের ভিড়ের মধ্যে দিয়ে গা গলিয়ে চলে যেতে যেসব অল্পবয়সী মেয়েদের দেখো, তারা সবাই কিন্তু সত্যিকারের মানুষ না, নদী থেকে উঠে আসা ম্যামি-উওটা,” তিনি বলেছিলেন।

 

“ওদেরকে চেনা যাবে কী করে?” জুলিয়াস জিজ্ঞেস করেছিলো। আসলে সে তো লেখাপড়া জানা মানুষ, এসব কুসংস্কারের বাইরে। কিন্তু সে সাবধানে থাকতো যাতে তার অবিশ্বাসটা ধরা পড়ে না-যায়। সে অনেক আগেই জেনে গিয়েছিলো, এসব বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে তর্ক করাটা খুব খারাপ হবে।

 

“সে ঠিকই চেনা যায়,” তিনি বলেছিলেন, “কারণ তাদের সৌন্দর্যটা দেখলেই বোঝা যায় সেটা এ-দুনিয়ার নয়। তুমি এই হয়তো আড়চোখে ওদেরকে দেখলে, আবার পরক্ষণেই দেখবে কেউ নেই, মানুষের ভিড়ের মধ্যে ওরা হারিয়ে গেছে।”

 

এখন জানলার পাশে দাঁড়িয়ে বাজারের জনশূন্য জায়গাটির দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে জুলিয়াস কথাগুলো ভাবছিলো। কে ভাবতে পেরেছিলো যে, বড়বাজারটা এমন ফাঁকা হয়ে যাবে? কিন্তু কিটিক্পা বা বসন্ত রোগের ক্ষমতা এমনই।

উমুরু যখন একটা ছোট্ট গ্রাম ছিলো, তখন এর বাসিন্দারাই এটাকে ঝেড়ে-পুঁছে পরিষ্কার রাখতো। কিন্তু এখন এটা একটা কর্মব্যস্ত, সম্প্রসারমাণ, জনাকীর্ণ আর নোংরা নদীবন্দরে পরিণত হয়েছে। আর তারপর দেখা দিলো কিটিক্পা। ইবো জনগোষ্ঠী আর কোনো রোগবালাইকেই কিটিক্পার মতো অত ভয় পেতো না। এটাকে একটা অপদেবতার রূপও দেয়া হয়েছিলো। এ-রোগে আক্রান্ত রোগীরা মারা গেলে কেউ কাঁদতো না, পাছে দেবতা অসন্তুষ্ট হন। রোগটা দেখা দিলে পড়শিদের বাড়ি বা গ্রাম থেকে গ্রামে আনাগোনা বন্ধ হয়ে যেতো। ওরা বলাবলি করতো, “ওই গাঁয়ে কিটিক্পা দেখা দিয়েছে, এবং সঙ্গে-সঙ্গেই পড়শিরা ওখানে যাওয়া-আসা বন্ধ করে দিয়েছে।”

 

জুলিয়াসের মনটা তখন খারাপ, কারণ জেনেট বলে যে-মেয়েটাকে সে বিয়ে করতে যাচ্ছে, তার সঙ্গে প্রায় হপ্তাখানেক ধরে তার দেখা হয় নি। জেনেটের মা খুব নরম গলায় তাকে বুঝিয়ে বলেছে যে, “যদ্দিন-না জেহোভার কৃপায় বিয়েটা হয়ে না-যাচ্ছে”, ততদিন তাঁদের ওখানে আসাটা তার উচিত হবে না। মা খুবই ভক্তিমতী খ্রিস্টান, এবং জুলিয়াসকে তাঁর একমাত্র কন্যার বর হিসেবে নির্বাচন করার পেছনে একটা কারণ এই ছিলো যে, সে গির্জার কয়ারে গান করতো।

 

“তুমি তোমার ঘর থেকে একেবারেই বেরুবে না,” তিনি বলেছিলেন। “বলা যায় না, রাস্তায় কার না কার সঙ্গে তোমার দেখা হয়ে যাবে। ও-বাড়িটাতেও ওটা দেখা দিয়েছে।” তিনি রাস্তার ওপাশে বাড়িটার দিকে আঙুল তুলে দেখালেন। “দরজার বাইরে তালগাছের শুকনো হলুদ ডাল রাখার ওটাই হলো মানে। পুরো পরিবারটাকে আজ একটা সরকারি লরিতে করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

 

জ্যানেট কিছুটা পথ তার সঙ্গে হেঁটে এসেছিলো, আর তারপর তারা পরস্পরকে শুভরাত্রি জানিয়েছিলো। এবং তারা হাতে হাতও মিলিয়েছিলো, যেটা তারা সাধারণত কখনোই করে না।

 

জুলিয়াস সেদিন সরাসরি বাড়িতে ফেরেনি। সে নদীর পাড়ে চলে গিয়ে শুধু এপাশ-ওপাশ পায়চারি করেছে। সম্ভবত অনেকক্ষণ সে ওখানে ছিলো, কারণ রাতের প্রেতের এক্বে বা কাঠের ঘন্টার আওয়াজ যখন শোনা গেলো, তখনও সে ওখানেই ছিলো। সঙ্গে-সঙ্গেই সে হাঁটা আর দৌঁড়ের এক মাঝামাঝি ভঙ্গীতে বাড়ির পথ ধরলো। প্রেতটা শহরের মধ্যে দিয়ে ছোটাছুটি শুরু করার আগে প্রায় আধঘন্টার মতো সময় লাগার কথা তার বাড়ি গিয়ে পৌঁছতে ।

ছুটতে ছুটতে বাড়ি যাওয়ার সময় কী-একটা জিনিসের ওপর জুলিয়াসের পা পড়ায় তা তরল কিছুভর্তি একটা জিনিসের মতো সামান্য শব্দ করে ফেটে গেলো। থেমে গিয়ে সে নিচু হয়ে তাকালো ফুটপাতের দিকে। চাঁদ তখনো ওঠেনি, তবে মৃদু যে-আলো ছিলো তাতে বোঝা যাচ্ছিলো, উঠতে আর খুব বেশি দেরি নেই। সে-আলোয় জুলিয়াস দেখতে পেলো, সে যেটার ওপর পা ফেলেছে, ওটা একটা মানতের ডিম। ওটার চারপাশে ছিলো তালের কচি ডালপালা। দুর্ভাগ্যের শিকার কেউ সন্ধ্যেবেলায় এসে রাস্তার মোড়ে এ-অর্ঘ্য রেখে গেছে। আর সে ওটার ওপর পা ফেলে ওই দুর্ভাগার দুর্ভাগ্যকে নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে নিয়েছে।

“যত্তো সব বাজে কথা!” এটা বলে সে তাড়াতাড়ি আবার চলতে শুরু করলো। কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে, রাতের প্রেত ততক্ষণে বেরিয়ে পড়েছে। হাওয়ার চলাচলহীন, নীরব-নিশুতি, নিকষ কালো রাতে তার প্রেতস্বর উঁচুতে উঠছিলো এবং পরিষ্কার শোনা যাচ্ছিলো।

 

ওটা তখনও অনেক দূরে, কিন্তু জুলিয়াস জানতো, এদের কাছে দূরত্ব কোনো ব্যাপারই না। তাই সে করলো কী, সোজা রাস্তার পাশে কোকোয়াম খামারে ঢুকে গিয়ে শুয়ে পড়লো উপুড় হয়ে। কাজটা সে সবেমাত্র শেষ করেছে কি করেনি, এমন সময় সে শুনতে পেলো প্রেতটার খটখট শব্দ এবং একটা দুর্বোধ্য রহস্যময় কথার গর্জ্যমান স্রোত। শব্দগুলো যেন তার ওপর চেপে বসলো। আর তারপর সে শুনতে পেলো পায়ের আওয়াজ। মনে হচ্ছিলো যেন অন্তত কুড়িজন লোক তার দিকে ছুটে আসছে। মুহূর্তেই শব্দগুলো তাকে ছাড়িয়ে রাস্তার ওপারে দূরে মিলিয়ে গেলো।

ফাঁকা বাজারটার দিকে তাকিয়ে জানলায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে জুলিয়াস আবার ফিরে গিয়েছিলো সেই রাতের অভিজ্ঞতাগুলোর মধ্যে দিয়ে। ঘটনাটা ঘটেছে মাত্র হপ্তাখানেক আগে, কিন্তু এর মধ্যেই মনে হচ্ছে বিশাল এক শূন্যতা দিয়ে সেগুলো বিচ্ছিন্ন রোজকার জীবন থেকে। সময় যতই পেরিয়ে যাবে, এ-শূন্যতা ততই গভীর থেকে গভীরতর হবে। তার একধারে দাঁড়িয়ে থাকবে জুলিয়াস, আরেক ধারে মা এবং জ্যানেট, যারা হারিয়ে গেছে বসন্ত নামের এক মহামারীর ঘোরে।

 

জ্যোতির্ময় নন্দী, কবি ও অনুবাদক

মুসলিম সম্পাদিত ও প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র : শিখা

ইসরাইল খান ভূমিকা: উনিশ শতকের রেনেসাঁস হিন্দুসমাজেই বদ্ধ ছিল। ওর মর্মবাণী সমাজঅভ্যন্তরে প্রবাহিত করেছিলো যেসকল সাময়িকপত্র তা ছিল হিন্দুসমাজপতিগণের। মুসলিম- পত্রপত্রিকার উদাহরণ কেবলই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। উল্লেখ

নাটোরের সাহিত্য সম্মেলনে রত্নগর্ভা হাজেরা খাতুন পদক ২০২৫ প্রদান ও গুণীজন সংবর্ধনা

\ আন্দরকিল্লা ডেক্স \ নাটোর ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার হাজেরা ফাউন্ডেশন সাহিত্য সম্মেলন শুভ উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে প্রতি

আন্দরকিল্লা’র উদ্যোগে তিন কবির জন্মদিন উদযাপন

মন ও প্রাণের অনাবিল আনন্দ আমেজে শীতার্ত সন্ধ্যেয় হৃদয়ের উষ্ণতায় উচ্ছল উচ্ছ্বাসে আন্দরকিল্লার ২৮ বছর পদার্পণ, ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬, এবং তিন কবির জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠিত

প্রজেক্ট ক্লাউড হাউস

রোখসানা ইয়াসমিন মণি ডা. অভ্র সেনগুপ্ত, একজন প্রথিতযশা জ্যোতির্বিজ্ঞানী। ল্যাবের কাঁচের দেওয়ালের ওপারে ধূসর আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। আজ সকালটা মেঘাচ্ছন্ন, ঠিক তার মনের মতো।