
পু
জাহেদ মোতালেব: পিপু আমার নাম পিপু। মা আদর করে ডাকে পু। পু মানে ভালোবাসা। ডুমুরগাছের পাশে বড় ঘাসের ফাঁকে যাচ্ছিল আমাদের একটি দল। সেখানে

জাহেদ মোতালেব: পিপু আমার নাম পিপু। মা আদর করে ডাকে পু। পু মানে ভালোবাসা। ডুমুরগাছের পাশে বড় ঘাসের ফাঁকে যাচ্ছিল আমাদের একটি দল। সেখানে

প্রভাতের পুষ্পমহল ফকির ইলিয়াস ‘ভালোবাসার স্বপ্নগুলো কেমন হয়’-তোমার এ প্রশ্নের সঠিক জবাব আমি আজও দিতে পারিনি। বলতে পারিনি- বৃষ্টিকে ভিজিয়ে দেবো বলেই আমি একদিন

রাজকুমার শেখ: নোরিন ফুপু বেশ কয়েকবার তাকে ডেকে গেছে। কিন্তু সে উঠবো উঠবো করে এখনো ওঠেনি। আম বাগানে একটা মৌটুসী ডাকছে। ওকে ডাকবার সময় পুবের

মুহাম্মদ ইসহাক: পর্যবেক্ষণে চোখ আবশ্যক। যে চোখ প্রত্যক্ষ করে এবং বিশ্লেষণে পারঙ্গম। কথায় আছে দেখা এবং লেখা। আমরা সবাই দেখি, পড়ি কিন্তু মননে ধারণ করে

মুজিব রাহমান: ‘আপ রুচি খানা, পর রুচি পরনা’ এ-প্রবাদ জনরুচি সম্পর্কে আমাদেরকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়। সমাজ মানুষ-সৃষ্ট। নানান অর্জন ও অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে তৈরি

অমল বড়ুয়া: পুরাণ সব লোককথা বা লোককাহিনি ও লোকসাহিত্যের আদি ও প্রাচীনতম উপাদান। পুরাণ ইতিহাস, আখ্যান-উপাখ্যান, ধর্মীয় বিধিবিধান ইত্যাদি সম্বলিত এক শ্রেণীর মিশ্র সাহিত্য। সাধারণ

সালাহউদ্দীন আইয়ুব: [২০১২ বা তারও আগে লিখিত এ লেখার প্রথম বাক্য পড়ে পাঠক প্রতিহত হতে পারেন─তার কারণ এই দীর্ঘ বাক্যটি আমি, ইচ্ছাকৃতভাবে, কমলকুমারের স্টাইলে লিখেছিলাম।

মোরশেদ তালুকদার: ‘বিদায়, হে মোর বাতায়ন-পাশে নিশীথ জাগার সাথী! ওগো বন্ধুরা, পা-ুর হয়ে এল বিদায়ের রাতি! আজ হ’তে হ’ল বন্ধ আমার জানালার ঝিলিমিলি, আজ হ’তে

খায়রুল আনাম: ১৯২৯ সাল। ‘চট্টগ্রাম এডুকেশন সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত সভাপতি হিসেবে চট্টগ্রামে আসেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এখানে তিনি এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। নব্বই

ড. শ্যামল কান্তি দত্ত: সাহিত্যস¤্রাট বঙ্কিমচন্দ্র একচল্লিশ বছর বয়সে সাম্য (১৮৭৯) নামে গ্রন্থ প্রকাশ করলেও কিছুদিন পরে এ গ্রন্থে প্রকাশিত মত ‘ভুল’ বলে ঘোষণা করেন

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে