
কোয়ারান্টাইন
সরকার হুমায়ুন : ২১৩০ সাল। পৃথিবী একটি নির্জন বর্জ্যভূমি। শতাব্দীর দূষণে পৃথিবীর আবহাওয়া দুষিত। শতো বছরের চলমান যুদ্ধে মানুষ বেঁচে নেই বললেই চলে। বিশেষ নিরাপত্তা

সরকার হুমায়ুন : ২১৩০ সাল। পৃথিবী একটি নির্জন বর্জ্যভূমি। শতাব্দীর দূষণে পৃথিবীর আবহাওয়া দুষিত। শতো বছরের চলমান যুদ্ধে মানুষ বেঁচে নেই বললেই চলে। বিশেষ নিরাপত্তা

লুনা রাহনুমা: আমার আব্বার ইচ্ছে ছিল আমাকে বিয়ে দিয়ে কমপক্ষে নগদ দশ লক্ষ টাকা যৌতুক নিবেন মেয়ের বাবার কাছ থেকে। আমি দেখতে সুপুরুষ, পোশাকে আশাকে

জাহাঙ্গীর আজাদ: একফোঁটা মেঘের চিহ্ন ছিলো না আকাশে, ঝড়বৃষ্টির কথাও ছিলো না তাই, দু’এক মোচড় দমকা বাতাসের ধাক্কাও গতরে লাগলো না কারও। তামাম রাইতভর আলগা

মুহম্মদ র ই শামীম: চলে আসার সময় কোনো আড়াল থেকে হলেও শ্রুতিকে দেখার পলাশের খুব ইচ্ছে ছিল। ইচ্ছে তো করবেই। একজন মানুষকে শুধু একনজর দেখার

ইলিয়াস বাবর : সামনে ঝুলানো দেয়াল ঘড়িটার দিকে বার কয়েক তাকালেন রিয়াজ সাহেব। নামাজের বাকি আর বেশিক্ষণ নেই। তারউপর জরুরত সারার ব্যাপার আছে। তার আবার

উভয়সঙ্কট আমিনুল ইসলাম ভয় ছিলÑ স্বপ্নের ভূগোল থেকে হারিয়ে যাবে শ্রাবণের নদী পোয়াতিধানের মাঠ চাঁদনীরাতের মেঘ-ছায়া আড়াল; ভয় ছিলÑ মনের ভুলে খুইয়ে ফেলবো

অমল বড়ুয়া : আদিযুগে কাব্যভাষাই ছিল সাহিত্যের প্রধান অবলম্বন। পৃথিবীর অন্যান্য সাহিত্যের মত বাংলাসাহিত্যেরও গোড়াপত্তন কবিতা দিয়েই। বাংলা সাহিত্যের বয়স দেড়-হাজার বছরের অধিক। আর এই

শাকিল আহমদ: মুহম্মদ নূরুল হুদা (১৯৪৯) কবিতার ক্ষেত্রে যেমন সীমারেখাকে ভেঙে ভেঙে ক্রমাগত নতুন সীমা রেখা সৃষ্টিতে প্রয়াসী, ঠিক তেমনিভাবে মননশীল সাহিত্য প্রবন্ধের ক্ষেত্রেও চিন্তায়-চেতনায়,

আ.ম.ম.মামুন : ২০১৭ এর শেষের দিকে দেশ জুড়ে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হালদা’ চলচ্চিত্র নিয়ে বোদ্ধাদর্শকদের আগ্রহ আর হালদার পারের জনগণের উৎসাহ উদ্দীপনার রেশ না কাটতেই চলচ্চিত্রটির কাহিনি

রিজোয়ান মাহমুদ: কবিতা কবির মানস চেতনার বিস্ফারিত স্বরের কাব্যিক চিৎকার। কবির মানস লোকের নিরন্তর দ্বন্দ্ব ও সংঘাত থেকে অনুভূতির উৎপত্তি। বলা যায় সৃষ্ট অন্তর্গূঢ় তুফান

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে