
উইলিয়াম রাদিচে : বাঙালিত্বের সাধক
মহীবুল আজিজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এক অনন্য সাধক উইলিয়াম রাদিচে’র নাম তাঁর বাঙালিত্বের সাধনার জন্য সমগ্র পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। তাঁর অনূদিত রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প

মহীবুল আজিজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এক অনন্য সাধক উইলিয়াম রাদিচে’র নাম তাঁর বাঙালিত্বের সাধনার জন্য সমগ্র পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। তাঁর অনূদিত রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প

সাজ্জাদ হোসেন জামি ও আ.ম.ম.মামুন শিল্পসাহিত্য ও সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘মাসিক আন্দরকিল্লা’র জুলাই-২০২৩ সংখ্যা। প্রচ্ছদে ব্যবহৃত স্নিগ্ধ ব্যতিক্রম একটি ছবি দেখে চোখ আটকে গেলো। রঙের

মুহাম্মদ ইসহাক বিশ্বের ইতিহাসে নানান সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। উন্নয়নশীল, অনুন্নত, উন্নয়নকামী কিংবা উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ কিংবা বিদ্রোহ হয়েছে। সাম্রাজ্যবাদ

আসহাবে কাহাফ আমাদের প্রজ্ঞা ও সাধনার যথেষ্ট ঘাটতি আছে, এ ঘাটতি থেকেই আমাদের সভ্য সমাজের প্রতিটি মানুষের অন্তরে প্রবেশ করেছে, পরশ্রীকাতরতা ও হীনমন্যতার! যার

অনড় প্রতিযোগিতা এই মাত্র ভোরের সূর্য লাল আভা ছড়িয়েছে! অসংখ্য কাক উড়ছে দিক্ বিদিক। শুধু একটি কাকের যত আগ্রহ ডাস্টবিনের পাশে তাকিয়ে থাকা লোকটির

সুজন সাজু গাড়ির আওয়াজ য়ুনি জানালাদি হাপ্পোয়াই চার বেয়াকগুনে। রাস্তার অংগে ঘর বাজাইয়া। গাড়ি চলিলি আওয়াজ ঘরর ভিতরে য়ুনা যায়। এইদিন বিয়ালে হঠাৎ গরি

নিলুফা ইসলাম রাতের আকাশে ধবধবে তারকারাজি। সাথে আছে নজরকাড়া চাঁদের আলো।এমন সুন্দর রাতে উঠানে মাদুর পেতে হাসেম মিয়া একপলকে চাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে। মনে

জাকিয়া শিমু আমার বাড়ির এই দিকটায় সন্ধ্যাবেলায় না থাকে দিনের আলো, না জমে ঠিকঠাক রাতের আঁধার। যার দরুন স্ট্রিট লাইটগুলো পরিপূর্ণতা পায় না! এমন

ইদরিস আলী মধু আবিদ সাহেব তার বাসার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে যখন হাত ঘড়িতে চোখ রাখছিলেন তখন রাত পৌনে তিনটে। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় সময়টা ভালোভাবেই দেখে নেন

ভাষান্তর : জ্যোতির্ময় নন্দী [প্রখ্যাত জাপানি লেখক হারুকি মুরাকামি (জন্ম: ১২ জানুয়ারি, ১৯৪৯)’র পরিচয় বিশ্ব সাহিত্যের পাঠকদের নতুন করে দেয়ার কিছু নেই । তাঁর

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে