এখন সময়:ভোর ৫:৩০- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:ভোর ৫:৩০- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

মার্কিন কবি উইলিয়াম কার্লোস এর কবিতা

অনুবাদ : আলমগীর মোহাম্মদ :

 

১.

বিয়ে

অমিল অনেক, এক পুরুষ

ও এক নারীঃ

বহতা নদী এক

বেয়ে পড়ে এক মাঠে।

 

২.

ক্ষমা

আজ আমি কেন লিখব?

 

সৌন্দর্য

সেই অসাধারণ মুখগুলোর

আমার অসহায়ত্ব

ফুটে ওঠে এটার প্রতিঃ

 

কালো মেয়েমানুষ

দিন মজুর-

বুড়ো ও অভিজ্ঞ

গোধুলিতে বাড়ি ফেরে

ছেঁড়া পোশাকে

মুখগুলো ঠিক

পুরনো ফ্লোরেন্টাইন ওকের মতো।

 

আরো

পুরনো মুখগুলো

আমাকে নাড়া দেয়

নেতৃত্বস্থানীয় নাগরিক

কিন্তু

একইভাবে না।

 

৩.

ভালোবাসার গান

 

“তোমাকে কি বলব

কখন দেখা হবে?

এখনো –

তোমায় ভেবে পড়ে রই।

 

ভালোবাসার ছাপ

পৃথিবীর বুকে

হলদে,হলদে,হলদে,

আস্তে আস্তে পাতায় ঢেকে যায়

জাফরান রংয়ে

শাখাগুলো ঝুলে পড়ে

প্রবল বেগে

নীলাভ বিশাল আকাশে বিপরীতে।

এখানে কোন আলো নেই-

আছে শুধু ঘন মধুর ন্যায় দাগ

যা গড়িয়ে পড়ে পাতায় পাতায়

এবং শিরায় শিরায়

রং মুছে দেয়

পুরো পৃথিবীর।

 

আমি নিঃস্ব।

ভালোবাসার ভার

ভাসমান করেছে আমায়

যতক্ষণ না

মাথা আমার ঠেকে আকাশে।

 

দেখ আমায়!

চুল বেয়ে ঝরে পড়ছে মধু

স্টার্লিং বয়ে বেড়ায় এটা

তাদের কালো ডানায়।

শেষবার দেখ

আমার বাহু আর হাতজোড়া

নির্তেজ পড়ে রয়।

 

আমি কিভাবে বলব

আবার কখনো ভালোবাসব কি তোমায়?

যেমনটা বাসি এখন।

 

৪.

তরুণী গৃহিণী

 

সকাল দশটায় তরুণী স্ত্রী

তার স্বামীর কাঠের তৈরি দেয়ালের পেছনে

শেমিজ প’রে ঘুরাফেরা করে।

আমি আমার গাড়িতে একা বসে থাকি।

 

তারপর সে গেইটের কাছাকাছি আসে

বরফওয়ালা ও মাছওয়ালাকে ডাকতে,  দাঁড়িয়ে থাকে

লাজুক ভঙ্গিতে, স্থিরদৃষ্টিতে, উন্মার্গগামী কুন্তলগুচ্ছ ভাঁজ করা, আমি তার সাথে মিল

পাই একটা ঝরা পাতার।

 

আমার নৈ:শব্দ গাড়ির চাকা

কচকচিয়ে শুকনো পাতা মাড়িয়ে যায়

যখন আমি নত হয়ে হাসিমুখে এগিয়ে  যাই।

 

৫.

আফ্রিকা

লেখালেখি ছাড়ো

এবং মরক্কো গিয়ে

শস্য ফলাও।

 

 

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি