এখন সময়:রাত ৮:০৯- আজ: সোমবার-২৫শে নভেম্বর, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-হেমন্তকাল

এখন সময়:রাত ৮:০৯- আজ: সোমবার
২৫শে নভেম্বর, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-হেমন্তকাল

প্রকৃতির নির্মম প্রতিশোধ ও আমাদের দায়বদ্ধতা

সারাদেশে এবার অসহনীয় গরম অনুভূত হচ্ছে। চলছে তীব্র দাবদাহ। দাবদাহে মানুষের জীবন অতীষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। কোথাও কোথাও পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়াতে দেখা দিয়েছে খাবার পানির সংকট। সাধারণ টিওবওয়েলে অনেক জায়গায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। এসবের অন্তর্নীহিত কারণগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এই সুন্দর ধরিত্রীকে আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠুরতার সাথে ধ্বংস করছি। বিশ্বব্যাপী ব্যাপক শিল্পায়নের কারণে এর থেকে নি:সৃত কার্বনডাইঅক্সাইড সীমা লঙ্ঘন করে জলবায়ুকে দূষিত করছে, ধরিত্রীর তাপমাত্রা সীমাহীন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে উত্তর মেরুতে গলছে বরফ, বৃদ্ধি পাচ্ছে পানি, বৃদ্ধি পাচ্ছে সমুদ্রের উচ্চতা। এই অতিরিক্ত পানি বিশ্বের কোথাও কোথাও বন্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প ও সুনামির মতো নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে পৃথিবী এখন ক্রমাগত বসবাসের অযোগ্য হয়ে ওঠেছে। মরুভূমিতে অতিবৃষ্টিতে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে উপমহাদেশে তাপদাহ ও খরায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অতীষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের দেশে বন ও পাহাড় দস্যুদের কারণে দিন দিন বনভূমি বিরান হয়ে যাচ্ছে। বিলীন হয়ে যাচ্ছে পাহাড়। দখলে দূষণে মরে যাচ্ছে শত শত নদী। অপরিকল্পিত শিল্পায়নের ফলে পরিবেশ ও আবহাওয়া হচ্ছে দূষিত। এসব কঠোর হস্তে দমন করতে না পারলে আগামীতে আরো কঠিন ও ভয়াবহ অবস্থা আমাদের সামনে আসবে।
পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ বৃক্ষরোপন করতে হবে উপযুক্ত সময়ে। শুধু বৃক্ষরোপন করলে হবেনা, এর পরিচর্যা করে পরিপূর্ণ বৃক্ষে পরিণত করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া সবুজাভ দৃশ্য আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও আন্তরিকতা। এতোদিন প্রকৃতির ওপর আমরা নানাভাবে যে নিষ্ঠুর অত্যাচার করেছি এখন প্রকৃতি তাঁর রুদ্রভাব প্রকাশ শুরু করেছে। আর ব্যাপারটা শুধু বাংলাদেশের একার না। গোটা পৃথিবীর জলবায়ু, নদী-সাগর বনভূমি, পাহাড়কে স্বাভাবিক রাখার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে এক্ষুণি। এ জন্য প্রয়োজন আন্ত: মহাদেশীয় যোগাযোগ। এই বিশ্বকে বসবাস যোগ্য রাখার দায়িত্ব সকল রাষ্ট্রের, সকল মানুষের। নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা ব্যক্তি উদ্যোগে তা সম্ভব নয়। সুতরাং সময় থাকতে সাধু সাবধান।

হান কাংঃ নৈতিক গল্প বলার নীরব শক্তির বেঁচে থাকা : আধুনিক কোরিয়ান সাহিত্যে হান কাং—এর আখ্যানশৈলী ও স্বায়ত্তশাসনের অন্বেষণ

হামিদ রায়হান হান কাং, দক্ষিণ কোরিয়ার ঔপন্যাসিক ও কবি, নোবেল পুরস্কার লাভের বহুপূর্বে বিশ্ব সাহিত্যে একটি অনন্য স্থান দখল করে আছেন তাঁর দ্য ভেজিটেরিয়ান— উপন্যাসের

সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের নবনিবার্চিত কার্যকরি পরিষদ‘কে ফুলেল শুভেচ্ছা অব্যাহত 

সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের দ্বি—বার্ষিক নিবার্চন পরবতীর্ নবনিবার্চিত কার্যকরি পরিষদ‘কে বিভিন্ন শ্রেণি—পেশাজীবিদের ফুলেল শুভেচ্ছা অব্যাহত আছে। প্রতিদিন ক্লাব প্রাঙ্গনে ফুল নিয়ে ভিড় করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক, পেশাজীবি ও

দুঃখিনী কর্ণফুলি, কেমনে তোমারে ভুলি?

প্রফেসর ইদ্রিস আলী উপরে নির্মল নীলাকাশ। দিগন্তব্যাপি উঁচু নিচু মাটি, বৃক্ষ, ঝোপ ঝাড়ের শ্রীমান শ্রীবিষাদের পাহাড় শ্রেণী। উঁচু বিদীর্ণ কাটা পাহাড়ের পাশ দিয়ে আঁকা—বাকা পাহাড়—

তাবুকের বুকে কয়েকদিন : ভবিষ্যৎ নগরী নিওম

মিনহাজুল ইসলাম মাসুম তাবুকের কথা: বিশ্বনবি (সা.)—এর তাবুক অভিযান এবং বর্তমানে নিওম সিটির কারণে তাবুক আমাদের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে! অবশ্য এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান