এখন সময়:ভোর ৫:২৭- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:ভোর ৫:২৭- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

প্রকৃতির নির্মম প্রতিশোধ ও আমাদের দায়বদ্ধতা

সারাদেশে এবার অসহনীয় গরম অনুভূত হচ্ছে। চলছে তীব্র দাবদাহ। দাবদাহে মানুষের জীবন অতীষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। কোথাও কোথাও পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়াতে দেখা দিয়েছে খাবার পানির সংকট। সাধারণ টিওবওয়েলে অনেক জায়গায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। এসবের অন্তর্নীহিত কারণগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এই সুন্দর ধরিত্রীকে আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠুরতার সাথে ধ্বংস করছি। বিশ্বব্যাপী ব্যাপক শিল্পায়নের কারণে এর থেকে নি:সৃত কার্বনডাইঅক্সাইড সীমা লঙ্ঘন করে জলবায়ুকে দূষিত করছে, ধরিত্রীর তাপমাত্রা সীমাহীন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে উত্তর মেরুতে গলছে বরফ, বৃদ্ধি পাচ্ছে পানি, বৃদ্ধি পাচ্ছে সমুদ্রের উচ্চতা। এই অতিরিক্ত পানি বিশ্বের কোথাও কোথাও বন্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প ও সুনামির মতো নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে পৃথিবী এখন ক্রমাগত বসবাসের অযোগ্য হয়ে ওঠেছে। মরুভূমিতে অতিবৃষ্টিতে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে উপমহাদেশে তাপদাহ ও খরায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অতীষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের দেশে বন ও পাহাড় দস্যুদের কারণে দিন দিন বনভূমি বিরান হয়ে যাচ্ছে। বিলীন হয়ে যাচ্ছে পাহাড়। দখলে দূষণে মরে যাচ্ছে শত শত নদী। অপরিকল্পিত শিল্পায়নের ফলে পরিবেশ ও আবহাওয়া হচ্ছে দূষিত। এসব কঠোর হস্তে দমন করতে না পারলে আগামীতে আরো কঠিন ও ভয়াবহ অবস্থা আমাদের সামনে আসবে।
পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ বৃক্ষরোপন করতে হবে উপযুক্ত সময়ে। শুধু বৃক্ষরোপন করলে হবেনা, এর পরিচর্যা করে পরিপূর্ণ বৃক্ষে পরিণত করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া সবুজাভ দৃশ্য আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও আন্তরিকতা। এতোদিন প্রকৃতির ওপর আমরা নানাভাবে যে নিষ্ঠুর অত্যাচার করেছি এখন প্রকৃতি তাঁর রুদ্রভাব প্রকাশ শুরু করেছে। আর ব্যাপারটা শুধু বাংলাদেশের একার না। গোটা পৃথিবীর জলবায়ু, নদী-সাগর বনভূমি, পাহাড়কে স্বাভাবিক রাখার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে এক্ষুণি। এ জন্য প্রয়োজন আন্ত: মহাদেশীয় যোগাযোগ। এই বিশ্বকে বসবাস যোগ্য রাখার দায়িত্ব সকল রাষ্ট্রের, সকল মানুষের। নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা ব্যক্তি উদ্যোগে তা সম্ভব নয়। সুতরাং সময় থাকতে সাধু সাবধান।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি