এখন সময়:রাত ৩:০৮- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ৩:০৮- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

প্রসঙ্গ: আন্দরকিল্লা ও একজন সম্পাদক

ওসমান গণি

 

আমি মনে করি একটি সংকলন হল সাহিত্য চর্চার একটি একক ভলিউমে সংগৃহীত কাজের একটি সিরিজ, সাধারণত একটি একীভূত থিম বা বিষয় । এই কাজগুলি নিবন্ধ, গল্প, ছোট গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা, গান বা নাটক হতে পারে এবং সেগুলি সাধারণত কবি ও সম্পাদক নুরুল আবসার তা বাছাই করে থাকেন তাঁর অজস্র শ্রম মেধা ও সুনিপুণ দক্ষতায়। আন্দরকিল্লা সংখ্যাগুলো পাঠে তা অনুধাবন করি।

 

সময়কে দেখতে দেখতে তিনি কাজ করেছেন, লিখেছেন। অভিজ্ঞতা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেছেন। আন্দরকিল্লা শিল্প সাহিত্য ও সমাজ ভাবনা মূলক কাগজটি তিনি করেন অন্তর্তাগিদে। কবি নূরুল আবসারের দীর্ঘ জীবনের অনুভবগুলি তাঁর লেখায় ও সম্পদনায় প্রতিফলিত হয়। সাহিত্য চর্চার ধ্যানমগ্নে কাজে আমাদের শিখিয়ে দেয় মানের উচ্ছ্বাসের সংজ্ঞা।

চলমান সমাজ বাস্তবতার সঙ্গে সাহিত্য জীবনের শিল্পসত্তার ঐকান্তিক মিলন পাঠক মাত্রই অবগত আছেন। সমাজ, রাষ্ট্র বাস্তবতা সাধারণ মানুষকে যেভাবে জাগিয়ে তোলে, ভাবিয়ে তোলে কবিকে ভাবিয়ে জাগায় আরও একধাপ এগিয়ে ; সাহিত্য আন্দোলনের অনুরণের মধ্যে দিয়ে, সচেতন শিল্পীর পক্ষেই রাষ্ট্রের অসঙ্গতি ও অসংগতিগুলো পাঠককে পুর্নবার স্মরণ করিয়ে দেন তাঁর কাজের মাধ্যমে কবি ও সম্পাদক নূরুল আবসার।

 

চেরাগির মোড় মানে আন্দরকিল্লা অফিস, চট্রগ্রামের সব কবি, শিল্প সাহিত্যের আড্ডা। আবসার ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় হয় ২০০৫ সালে কবি ও শিশুসাহিত্যিক আইউব সৈয়দের মাধমে অত্যন্ত আন্তরিক মানুষ। সুদীর্ঘ ২৬ বছর ধরে তিনি নিরলস ভাবে আন্দরকিল্লা কাগজটি করে আসছেন ক্লান্তিহীন ভাবে। আমি মনে করি তিনি যুগ সচেতন ও যুগের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। সেই বোধ থেকে মনে হয় ভাষা-সাহিত্যের সাথে সংযোগ ঘটাতে তিনি আগামী একুশে বইমেলায় “আন্দরকিল্লা” বিশ্ব বাংলা-সাহিত্য সংখ্যা করতে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি সৃজনশীল বই প্রকাশক, আবির প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী।

শুভ কামনা রইলো কবি ও সম্পাদক নুরুল আবসারের প্রতি, কল্যাণ হোক আন্দরকিল্লা’র।

 

ওসমান গণি, সম্পাদক “সরোদ’

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি