এখন সময়:সকাল ৭:৫৫- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:সকাল ৭:৫৫- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

আইনাল  হক এর গুচ্ছ কবিতা

ব্যাগ ভর্তি সংকট নিয়ে ঘুরে বেড়াই

 

ধোঁয়া ওঠা কাপে চুমুকের ফাঁকে জীবন্ত হয় রাজনীতি

ওমুক স্বৈরাচার তমুক রাজাকার

আলোচনায় বাদ যায় না হাওয়া ভবন কিংবা আয়নাঘর;

স্লোগান, ঘেরাও, মিছিলের দামামায় বেসামাল দেশ

শত আছিয়ার সরব আলোচনা জমে ওঠে বেশ

হাসি উড়ার ফুরসতে একদা চা ঠান্ডা হয়ে আসে

যুক্তি পাল্টা যুক্তির পসরা সাজে সারা বাংলাদেশে

অথচ দিন শেষে পর্দার আড়ালে ঢেকে যায়

দুই টাকা পিচ কপিতে বজ্রপাতের খবর কৃষকের মাথায়।

 

 

 

 

 

 

সোনালী রোদ ও কুয়াশার দিন

 

ইদানিং সিগারেট হাতে তোমার সামনাসামনি দাঁড়াতে  ভীষণ ইচ্ছে করে, জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে বহুমাত্রিক দুঃখের শিরোনাম হয়ে কি লাভ? পার্থিব মোহ কিভাবে আমাদের দু’জগতের বাসিন্দা করে দিল, দেখলে?

একটি পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে সৃষ্ট সংকট কতটা ভয়াবহ হয়

তার উজ্জ্বলতম উদাহরণ এই অমিমাংসিত ভালোবাসা।

আচ্ছা; তোমার মন খারাপের দিনে নিশ্চয় বৃষ্টিদের নিমন্ত্রণ করো! ঝালমুড়ির সাথে চলে বৃষ্টিবিলাস।

আহা! সেসব সোনালি রোদ, কুয়াশা দিন কতই না মধুর।

 

 

 

 

 

এক ডজন রূপালী জোছনা

 

বিশ্বাস করো; এক ডজন রূপালী জোছনা

বুক পকেটে পুরে বসন্তের বিকেলে চৌরাস্তায় মোড়ে দাঁড়িয়েছিলাম; দক্ষিণা হাওয়ায় হাতের সিগ্রেটে হৃদয় পুড়িয়েছি এক আকাশের অপেক্ষায়।

কথা ছিল ইজিচেয়ারে বসা যেনতেনএকটা গোধূলি পেলে

মুখোমুখি তাকিয়ে থাকবো, কথা ছিল ছেঁড়াফাটা একটা

বাজারের ব্যাগ পেলে বিপ্লবী স্লোগানে ভর্তি করবো।

হঠাৎ কোত্থেকে উড়াধুড়া এক আচলা রোদ এসে পুড়িয়ে গেল আমাদের স্যাটেলাইট চেতনা। এখন শূন্য হাতে তোমার সামনাসামনি দাঁড়াতে ভীষণ লজ্জা পাই।

 

 

 

 

 

 

দুঃখবোধের পালকিতে সৌখিন বিলাসিতা

 

একমগ ধোঁয়া ওঠা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে

ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকি পুরাতন ও রংচটা পৃথিবীর দরজায়

দুঃখবোধের পালকিতে আমাদের সৌখিন বিলাসিতা

এবং শুকনো পাতার নিচে চাপা পড়ে অব্যক্ত প্রেমালাপ।

সমুদ্রের গা ঘেঁষে বেড়ে ওঠা কালো পাহাড় চূড়ায়

শান্তির প্রতীক হয়ে ডানা মেলে ধূর্ত কবুতর

নির্লিপ্ত আলোর মুখ জুড়ে অমাবস্যার আনাগোনা

আমাদের বিরহী দিনগুলোর কথা ভুলতে দেয় না।

 

 

 

 

 

 

 

 

সংস্কৃতির ভাগ্যাকাশে ঘোর অমানিশা

 

চরম দুর্ভাগ্য কাঁধে গুটিসুটি মেরে বসে থাকে বনমোরগ

নতজানু ইতিহাস পালকের মতো খসে পড়তে থাকে বেওয়ারিশ শরীর থেকে।

কি নিদারুণ বাস্তবতা!

কি নিদারুণ বিভৎসতা!

সংস্কৃতির চোখের নিচের কালো দাগ পড়ে

ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ের কথা সহজেই অনুমান করা যায়।

মুক্তচিন্তার মুখোমুখি দাঁড়ানো বালি ভর্তি ট্রাক

আমাদের দৈন দশার কথা স্মরণ করে দেয় বারবার।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি