এখন সময়:রাত ৪:১১- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ৪:১১- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

ওমর কায়সার এর গুচ্ছ কবিতা

ডানকিনে কফির পেয়ালায়

 

এই প্রশস্ত বিকেলের  আকাশে মুমূর্ষু রোগীর

মতো নিস্তব্ধ শুয়ে আছে মেঘ। আর তার চোখ

থেকে ঝরে পড়া জলে ভিজে গেছে ম্যাপলের পাতা।

 

একজন সোনালী সুন্দরী কিছু হাওয়া সঙ্গে নিয়ে

চুপচাপ ঢুকে পড়ে কফি হাউজের নিঃসঙ্গতায়।

তারপর ডুব দেয় ল্যাপটপে। কফি ঠান্ডা হয়ে

যাবে। একটি চুমুক দিতে সে ভুলে যাবে সর্বশেষ

চুমুটির মতো।

 

বিলম্বিত সন্ধ্যা এসে ঢেকে দেবে বেলমন্টের

পাহাড়। কাচে ঘেরা ডানকিন ডোনাট আরও

আর্দ্র ও নির্জন হবে। বৃষ্টি  ক্রমশ প্রবল হয়ে

আছড়ে পড়বে কাচের দেয়ালে।

 

আমি সেই ফিরে যাওয়া বৃষ্টির ফোটার পাশে

শ্রাবণের কান্না শুনে শুনে কফির পেয়ালায়

জীবনের উষ্ণতা মেপে নেব একবার।

 

 

সেতুর ওপর ট্রেন

(উৎসর্গ: আমজাদ আল মামুন)

 

এই যে দেখছ সুদীর্ঘ একরোখা ট্রেন

পেছনের সব কিছু ফেলে দৌড়াচ্ছে কেবল ।

যেতে যেতে

এখন সে মনভাঙা নদীর ওপর।

 

দেখ,

ইঞ্জিন পেরিয়ে গেছে

এখনো কিছু অংশ তার রয়ে গেছে সেতুর শরীরে –

ওইটাই স্মৃতি।

 

অবশেষে পুরো ট্রেন পার হয়ে যায় ।

 

দেখ

জোয়ারের জলে ভরা পরিপূর্ণ নদী

তার ওপর রেললাইন বুকে নিয়ে

প্রবাসীর হৃদয়ের মতো

একা পড়ে আছে সেতু –

 

এর নাম শূন্যতা

এর নাম হাহাকার।।

 

 

 

 

 

 

 

 

তবুও আকাশ নীল

 

মেঘের ভাঁজে একটি পাখি

তিনটি ডিমে দিচ্ছে ওম

তার পাশে এক উড়োজাহাজ

পেট ভর্তি হাজার বোম।

 

একটু দূরে চোখ রাঙিয়ে

উড়ছে দেখ মস্ত চিল

তবুও আকাশ নীল কেন রে

তবুও আকাশ ভীষণ নীল।

 

তার নিচে এক বাড়ি ছিল

এখন সেটা মৃত্যু কূপ

চোখ যেদিকে যাচ্ছে কেবল

দেখছি কেবল লাশের স্তূপ

 

যদি ফিরে আসি কোনোদিন

 

তাজিংডঙের শীর্ষে পতাকাটি

ওড়ে যেন চিরকাল অভ্যাসবশতঃ।

 

যদি ফিরে আসি কোনো দিন

অনন্ত নীলের পরবাস থেকে

কেবলই ক্রন্দনরত এই গ্রহে

যেন আমি বুঝে নিতে পারি

এক টুকরো কাপড়ের ভাঁজে

কীভাবে কেমন করে

রক্তের স্রোতের মতো সূর্যোদয় হয়।

 

আকাশগঙ্গার ওই পথরেখা ধরে

ফের যদি চলে আসি পৃথিবীতে

উড্ডীন পতাকা দেখে বুঝে নেব

ওখানে নদীর ধারে এখনো হয়তো আছে

আমাদের উত্তর পুরুষ।

 

বাতাসের প্রত্নকণা থেকে খুঁজে পাব সুর

প্রার্থনার জাতীয় সংগীত।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি