নাজিমুদ্দীন শ্যামল
সামাজিক দায়বোধ থেকে যিনি কলম ধরেন তেমনই একজন সাংবাদিক, লেখক জসীম চৌধুরী সবুজ। গতানুগতিক ধারার বাইরে তাঁর রয়েছে স্বতন্ত্র, স্বচ্ছ ও উজ্জ্বল ভুবন, যে ভুবনে তিনি নিঃশঙ্ক। দৈনিক সংবাদ ও যুগান্তরে তাঁর অসংখ্য অনুসন্ধানী রিপোর্ট দেশে-বিদেশে ব্যাপক আলোচিত হয়।
প্রবন্ধ ও কলাম জাতীয় রচনায়ও তাঁকে আমরা পাই দ্বিধাহীন সাহসী উচ্চারণের অগ্রসৈনিক হিসেবে। তাঁর লিখনশৈলী ইত্যকার বীক্ষিত সব বিষয়াদি নির্মেদভাবে বিনির্মিত হওয়ার পাশাপাশি প্রবল আবেগ ও মানবিকতায় সিক্ত হয়ে ওঠে।
অর্থ কিংবা প্রতিষ্ঠার পথে না গিয়ে সমাজ বদলে বন্ধুর পথের পদাতিক হয়েছেন, হয়েছেন কীর্তিমান সাংবাদিক, হয়েছেন যশস্বী লেখক। তিনি সমাজের নানা খুঁটিনাটি বিষয় অনুসন্ধিৎসু চোখে শুধু নির্ণয়ই করেননি তাঁর লেখায় সেসব অসঙ্গতির সমাধানের দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন।
চিন্তার কারনেই তাঁর লেখাগুলো গতানুগতিকতার গণ্ডি পেরিয়ে মানবিক মূল্যবোধ জাগানিয়া প্রবল গদ্য হয়ে উঠেছে। তিনি প্রাঞ্জল ও প্রচল ভাষায় সেসব ধ্বনি লিখেছেন, যেগুলো মানুষকে বারংবার রুখে দাঁড়াতে, ঘুরে দাঁড়াতে আর প্রতিবাদ-প্রতিরোধে সাহসী হতে প্রণোদিত করে। সবকিছু মিলিয়ে তাঁর প্রতিবেদন বা কলামগুলো চলমান সময়কে নির্ণয়ই শুধু করেনি, বরং সময়কে বদলানোর সাহসী স্বপ্নটুকু নিরন্তর সঞ্চায়িত করতে তিনি প্রয়াসী হয়েছেন। তিনি বর্তমানে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এবং চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন খেলাঘর-এর জাতীয় পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৩ বছর।
একসময় রাজনীতিতে সক্রিয় জসীম চৌধুরী বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)র সাতকানিয়া উপজেলা কমিটির প্রথম সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯২ সাল পর্যন্ত।
তিনি বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন চন্দনাইশ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য, ক্ষেতমজুর সমিতি, কৃষক সমিতির সংগঠক হিসেবেও কাজ করেন তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতির পটপরিবর্তন এবং ১৯৯৩ সালে পার্টি বিভক্ত হলে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে আসেন এবং সার্বক্ষণিক সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত হন। তিনি কলাম ও প্রবন্ধ লেখায়ও পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষন করতে সক্ষম হন।
কাজ করেছেন শ্রমিকদের কল্যাণেও। বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন সংস্থা (বিএফআইডিসি) শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সাঙ্গুভ্যালী টিম্বার ইন্ডাস্ট্রিজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সভাপতি পদেও নির্বাচিত সিবিএ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিএফআইডিসির প্রতিনিধি হিসেবে শিল্প সম্পর্ক শিক্ষায়তনে শ্রম আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
কালিয়াইশ ইউনিয়নের নিজগ্রাম কাটগড়ে ১৯৭৮ সালে জসীম চৌধুরী সবুজ প্রতিষ্ঠা করেন নবকল্লোল যুব সংঘ নামে একটি সামাজিক সংগঠন। যেটি ১৯৮০ সালে সরকারের সমাজকল্যাণ বিভাগের রেজিস্ট্রশন লাভ করে। সংগঠনটি এখনো সমাজসেবায় অনন্য অবদান রেখে চলেছে।
জসীম চৌধুরী সবুজ সাংবাদিকতা পেশায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ, নির্বাহী সদস্য হিসেবে একাধিকবার নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের দৈনিক নায়াবাংলা ইউনিটে ডেপুটি ইউনিট চিফ এবং ইউনিট চিফ ও প্রতিনিধি ইউনিটে ইউনিট চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান। চট্টগ্রাম সাংবাদিক কোঅপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) আসনের উত্তর সাতকানিয়ার ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে পৃথক একটি উপজেলা গঠনের উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি সবসময় তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। এলাকায় শঙ্খ নদের ভাঙন রোধে তাঁর প্রচেষ্টায় স্পার নির্মাণ হলে বিপুল জনপদ রক্ষা পায়। ১৯৯৮ সালে পানিসম্পদ মন্ত্রী আবদুর রাজ্জাককে সরজমিন এলাকায় নিয়ে গিয়ে তহবিল বরাদ্দে কার্যকর উদ্যোগ নেন তিনি।
নগরীর বাকলিয়ায় দিলোয়ারা জাহান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে এটি নগরীর মানসম্পন্ন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পায়।
চার দশকেরও বেশি সাংবাদিকতা ও লেখালেখির জীবনে তিনি সৎ ও নিষ্ঠাবান যেমন থেকেছেন, তেমনি প্রতিষ্ঠা করেছেন তাঁর আধুনিক মন ও বিশ্বাসকে। পেশাগত কাজে তিনি ভ্রমণ করেছেন জাপান, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, ওমান, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মিশর, থাইল্যান্ড ও ভারত। যা তাঁর চিন্তার পরিধিকে করেছে আরও বিস্তৃত, আরও সমৃদ্ধ। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ২০২৪ সালে জসীম চৌধুরী সবুজকে একুশে সম্মাননা স্মারক পদকে ভূষিত করেন।
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ হচ্ছে – প্রবন্ধ : ১. দেশ বিক্রি হয় যেভাবে (২০০৭), ২.গন্তব্য অজানা (২০০৯), ৩.চট্টগ্রাম :সমকালীন প্রসঙ্গ ( ২০০৯), ৪. সমাজচিন্তা (২০১০), ৫. মূল্যবোধের সংকট ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন (২০২৪)। ভ্রমণ কাহিনী : ৬. তাইওয়ান থেকে জাপান-প্রশান্ত প্রভায় (২০১৩)।
প্রখ্যাত সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক ও লেখক জসীম চৌধুরী সবুজ চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার তৎকালীন কেঁওচিয়া এবং বর্তমান কালিয়াইশ ইউনিয়নের কাটগড় গ্রামে চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল সার্টিফিকেট অনুযায়ী তাঁর জন্ম তারিখ ১৫ জানুয়ারি ১৯৫৭ সাল। ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি তিনি সত্তুরে পা দিয়েছেন।
তাঁর পিতা এয়াকুব আলী চৌধুরী ছিলেন একজন সমাজসেবক ও বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিত্ব এবং কাটগড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি একটানা ২৮ বছর এই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মাতা সকিনা বেগম চৌধুরী ছিলেন একজন বিদূষী মহিলা। নানা লোহাগাড়া থানার ধলিবিলা গ্রামের প্রখ্যাত জমিদার অছিয়র রহমান চৌধুরী। তিনি ধলিবিলা প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। জসীম চৌধুরী সবুজের স্ত্রী হোসনে আরা খামন রুমা। শ্বশুর আবদুল মান্নান খান ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলার বরকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। একমাত্র কন্যা শিক্ষানবিশ আইনজীবী চৌধুরী তাসমিয়া জসীম এল এল বি (অনার্স), এল এল এম ডিগ্রি নেন আইআইইউসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। একমাত্র পুত্র চৌধুরী তাহমিদ জসীম (আপন) ২০১১ সালের ৩১ আগস্ট পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিন গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গিয়ে পুকুরে পড়ে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে অকালে মৃত্যুবরণ করে। সে সময় আপন চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
জসীম চৌধুরী সবুজ কাটগড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে দোহাজারী জামিজুরী এ রহমান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭২ সালে এসএসসি পাস করেন। ৮ম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালীন ১৯৬৯ সালে
পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আয়ুব খানের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে অংশ নেন। ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কর্মী হিসেবে মিছিলে-মিটিংয়ে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭০ সালে প্রলয়ংকরী ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে উপকূলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কক্সবাজার সফর শেষে ফেরার পথে দোহাজারীতে পথসভা করেন। বাবার হাত ধরে সেই পথসভায় উপস্থিত কিশোর সবুজের মাথায় হাত রেখে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনী দোহাজারী সিএন্ডবি অফিসে ক্যাম্প স্থাপন করে পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামে ঘৃণ্য তৎপরতা চালায়। সে সময় সবুজ একজন কিশোর গেরিলা হিসেবে কাজ করেন। ১২ ডিসেম্বর ক্যাপ্টেন গুরুংয়ের নেতৃত্বে ভূটানি সেনাবাহিনী এবং আবদুল গফুরের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীর সমন্বয়ে মিত্রবাহিনী সাঙ্গু নদের দক্ষিন তীরে কাটগড় গ্রামে অবস্থান নিয়ে ওপারে দোহাজারীতে অবস্থানরত পাক হানাদার বাহিনীর ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। টানা ৪৮ ঘন্টারও বেশি দুপক্ষের এই সন্মুখ যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সহযোগী হিসেবে অস্ত্রহাতে সন্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। ১৪ ডিসেম্বর দুপুরে পাক বাহিনী পিছু হটে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে গেলে লাল-সবুজ পতাকা হাতে বিজয়ের মিছিলে অসংখ্য কিশোর মুখের একটি ছিল সবুজের।
স্বাধীনতার পর গাছবাড়ীয়া কলেজে উচ্চমাধ্যমিক এবং সাতকানিয়া কলেজে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নকালে ছাত্র ইউনিয়নের একজন সংগঠক হিসেবে পরিচিতি পান জসীম চৌধুরী সবুজ। ১৯৭৩ সালে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের সমন্বয়ে ছাত্র ঐক্য গঠিত হলে সেখানে ভূমিকা রাখেন। জসীম চৌধুরী সবুজ বিএফআরআই থেকে প্লাইউড ও কম্পোজিট উড ওয়ার্কিং বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফআইডিসি)। সুপারভাইজার পদে যোগ দিয়ে পদোন্নতি পেয়ে সহকারি তত্ত্বাবধায়ক হন। ১৯৮৩ সালে বৃত্তি নিয়ে জর্ডানে যান এবং ডিপ্লোমা শেষে জর্ডান
টিম্বার প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি লি: (জেটিপিআই) এ ‘ প্রোডাকশন কো-অর্ডিনেটর’ পদে যোগ দেন এবং সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন। সেখানে প্রায় তিন বছর কর্মরত থেকে দেশে
ফিরে ফুফাত ভাই কবি, সাহিত্যিক মাহবুব আজাদ চৌধুরীসহ একটি প্লাইউড ফ্যাক্টরি স্থাপনের উদ্যোগ নেন। কিন্তু সে চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি। এ সময়ে দীর্ঘ বিরতির পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। জসীম চৌধুরী সবুজকে সরকারি চাকরি বা বিদেশে চাকরি তেমন আকৃষ্ট করতে পারেনি। তাঁর ঝোঁক ছিল লেখালেখি ও সাংবাদিকতার দিকে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি সমসাময়িক বিষয়াদি নিয়ে কলাম লিখেছেন। ১৯৮০ সালে দৈনিক সংবাদ-এ ‘পটিয়া মহকুমা প্রতিনিধি ‘ হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন। মাঝখানে বিদেশে থাকাকালীন কাজ করেন সাপ্তাহিক বিচিত্রায়। ‘প্রবাস থেকে’ কলামে তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। দেশে ফিরে তিনি সার্বক্ষণিক সাংবাদিকতায় যোগ দেন। কাজ করেন দৈনিক নয়াবাংলায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটে নগর সাংবাদিকতার ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
১৯৯২ সাল থেকে দৈনিক সংবাদ’ এ স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিয়ে পরে চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান হিসেবে কাজ করেন। দৈনিক যুগান্তর প্রকাশলগ্নে ১৯৯৯ সালে তিনি চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান হিসেবে যোগ দেন এবং পরে পদোন্নতি পেয়ে ‘বিশেষ প্রতিনিধি’ হন, একইসাথে ব্যুরোপ্রধানের দায়িত্বও পালন করেন। টানা ১৬ বছর যুগান্তর’এ কাজ করেন। ২০১৭ সালে এশিয়ান টিভিতে এডভাইজার (নিউজ অ্যান প্রোগ্রাম) পদে এবং পরে দৈনিক সময়ের আলোতে বিশেষ প্রতিনিধি ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান হিসেবে কাজ করেন। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে পত্রিকায় তিনি নিয়মিত কলাম লিখে যাচ্ছেন। যা পাঠক মহলে ব্যাপক সমাদৃত।
নাজিমুদ্দীন শ্যামল, কবি, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক




