এখন সময়:ভোর ৫:৪৫- আজ: বৃহস্পতিবার-১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-শীতকাল

এখন সময়:ভোর ৫:৪৫- আজ: বৃহস্পতিবার
১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-শীতকাল

মনজু রহমানের গুচ্ছ কবিতা

ধুরন্ধর যুবতি ধাঁচ

 

মহাসংকটে রঙিন সুতোর জট

আঙুল খোলে?

খোলার চেষ্টা অহরহ দিনাতিপাত

কাটে গণ্ডগলে?

বিপক্ষের তুষের ধুয়োয় অজস্র হাত

নরমগরম গলায় তর্কে মিষ্টি বারুদ

ছেটায় যত্রতত্র

আলো নিভিয়ে কোন আলোর সন্ধানে

না পাওয়ার মন্ত্র

উল্লাসে মাতে বোঝার দায়, প্রেম নয়—

ভাঙনের ঐক্য পিষে তীরন্দাজ খুরে

ধুরন্ধর যুবতি ধাঁচ ভাঙে, অনৈক্যের সুরে

 

মনে হতে পারে যারা দেশপ্রেমে ভূত

তাদেরই গলার স্বর বিমর্ত— অদ্ভুত

সামনে পৌষমাস, দিনের পড়ন্ত রোদ

মিইয়ে যায়। সামনে পরাজিত বোধ

ঠেসে ধরে অন্ধকারে

অশুভ শিষ আকারে!

 

জানি— বারুদ পুড়ায় তাহার নিত্য ভঙ্গী

অবাক দ্বিমুখা তার দ্রৌপদী নীরব সঙ্গী!

 

 

যাও, যেতে পারো

 

বোকা নও বুঝো, বুঝো বলেই ভাসানো জলে

কোনো স্মৃতিময় অভিধানে চাওনা ফুটান্ত ফুল

কোনো অনুশোচনা নেই, আকণ্ঠ নীল অতলে

ভাঙো রহস্য তিথি বিব্রত শাড়ির পঞ্চমী চুল।

 

যা বলি তার উল্টো সুরে ভাসাও নীলমেঘ ঢেউ

দ্বিচারিনী বলবো না, বলবো না নিঃ¯পাপ কাটো

ধবল দাঁতে, রূপল যৌবন ছোঁবে না তো কেউ

বুঝি— তোমার অনুযোগ মিথ্যার কাঁচিতে ছাঁটো।

 

বলবো না—

যেওনা, যাও যেতেই পারো, কল্পকালের গন্তব্যে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

হেলেপড়া মেঘ

 

এই যে হেলেপড়া মেঘ দিনের ক্লান্তি

নিয়ে হারালো ঘনআঁধারে

সে তোমার মতো অমানবিক নয় যে—

প্রত্যুষে আলো নিয়ে ফিরে।

 

এই যে পাহাড় ডগাচুয়ে ঢালুতে নামা

জল-জলের স্বচ্ছ ধারে

সে আর ফিরে না পাহাড়ে। প্রকৃতির

ক্রোধ কভু খুঁজবে না তারে।

 

অথবা মাঠের ফসলি জমি রাতের

সঙ্গমে দেয় যে ওম

শস্যের মতো তুমিও উদ্ভাবনে দেবী

টানো করবী কুসুম।

 

রাতেই সৃষ্টি হয় মহাপৃথিবীর আয়ু

রমন হও, রমণী তুমি

বীজের স্বপ্ন বোপন করে ক্রোড়পত্র

ঠোঁট চুষে নাভির ভূমি।

 

 

উনত্রিশের জোয়ার

 

যেখানে দাঁড়িয়ে আছো সেখানে শীতকুয়াশা

সেখানেই ভাবলেসহীন রাঁধা

প্রেমহীনা ঝরে অকারণ স্বর, তাও জানো

মিথ্যার ঘুমঘরে পড়ে কী বাধা?

 

কেমন যুবতি তুমি উনত্রিশে জোয়ার টানো

কার চুষো রক্তের অনুবীজ প্রাণ

উড়ান্ত পাখির মতো খোঁজো অসহায় যুবার

বাসন্তিক আঁচড়ে অলীক সন্ধান!

 

শখের প্রতিমা, দেবী তো নও, নও মানবিক

বিষধর শঙ্খ, পুজারী ভয়ে অসহায়

বসে না পুজায়; তারও আছে সম্মুখে মৃতুর ভয়্য

সে-ও নির্বাক, ধর্মের ধামাকায় হায়!

 

কিসে দেমাকী তুমি, কোন খেলায় মেতে আছো

আরও আরও খেলা রেখেছো বাকি

নব্য নাগর খোঁজে উড়ো, উড়াও মেঘের অন্তর

সে যে ছিল প্রাণনাথ, রাতের জোনাকি!

বাঙালির ভাষার অধিকার হরণ- রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক মৃত্যু

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ জননী রঞ্জিতা বড়ুয়াকে নিবেদিত সন্তান সত্যজিৎ বড়ুয়ার ‘সুরাঞ্জলি’

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া   সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

জলে জঙ্গলে (পর্ব তিন)

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম