এখন সময়:ভোর ৫:৫০- আজ: বৃহস্পতিবার-১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-শীতকাল

এখন সময়:ভোর ৫:৫০- আজ: বৃহস্পতিবার
১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-শীতকাল

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া

 

সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত হয়েছেন-সম্মানিত হয়েছেন-নন্দিত হয়েছেন সর্বোপরি ছড়াজাদুকর— ছড়াসম্রাট হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছেন। নানা প্রতিকূলতার মাঝে অফুরান প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হয়ে সুকুমার বড়ুয়া ১৯৫৮ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় সাত দশক নানা বিষয় ভিত্তিক ছড়া লিখে খ্যাতিমান ছড়া লেখকের অভিধায় সম্মানিত হয়েছেন।

১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাউজান থানার বিনাজুরি গ্রামে জন্ম নেয়া ক্ষণজন্মা এই ছড়াসাহিত্যিক ৮৮ বছর বয়সে ২০২৬ সালে ২ জানুয়ারি শুক্রবার রাউজানে পরলোকগমন করেন। সুকুমার বড়ুয়া তাঁর সাত দশকের লেখালেখির জীবনে প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২০টি। বিদগ্ধ এই ছড়া সাহিত্যিক সুকুমার বড়ুয়া বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার সহ অসংখ্য সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেছেন। বাংলা ছড়ার স্বরকার সুকুমার বড়ুয়ার জীবন ও কর্ম নিয়ে ‘সুকুমার বড়ুয়াঃ এক শ্রদ্ধা স্মরণ’ অনুষ্ঠিত হয় শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ও সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র উদ্যোগে আবির বুকস মিলনায়তনে।

৩১ জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া দুই ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠানে স্মরণ্যশ্রদ্ধায় বক্তব্যে উপস্থিত বিশিষ্টজনরা বলেন—‘সুকুমার বড়ুয়ার ছড়া সমগ্র বা সমস্ত রচনা অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। স্বাধীনতা পুরস্কার ব্যতিত সকল সরকারি-বেসরকারি পদক বা পুরস্কার তিনি লাভ করেছেন বটে, তবে আজ পর্যন্ত শিশু একাডেমি, বাংলা একাডেমি বা শিল্পকলা একাডেমি তাঁর জন্য কোনো শোক বা স্মরণ সভার আয়োজন করেনি, হয়নি কোনো নাগরিক শোক সভা। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত শ্লাঘার ও লজ্জাজনক। যতদূর পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যের সাম্রাজ্য বিস্তৃত রয়েছে ততদূর পর্যন্ত সুকুমার বড়ুয়ার সাম্রাজ্য, এই সাম্রাজ্যের তিনিই একমাত্র সম্রাট। ছড়া সাহিত্যে তিনি বহুদিন বেঁচে থাকবেন বাঙালির মনন সত্তায়।

নানা সংগতি ও অসংগতি নিয়ে লেখা তাঁর ছড়া বহুদিন টিকে থাকবে পাঠক মননে। চট্টগ্রামকে ছড়ার রাজধানী বলা হয়। তাই প্রয়াত এই ছড়া সম্রাটকে নিয়ে একটি নাগরিক শোক সভা করা ছড়াকারদের পবিত্র দায়িত্ব। আশা করি সেটা তারা করবেন।

সংক্ষিপ্ত পরিসরে আড্ডাচ্ছলে অনুষ্ঠিত এই শ্রদ্ধা স্মরণের জন্য বক্তারা আন্দরকিল্লা সম্পাদককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন করে এবং তাঁর জনপ্রিয় ছড়া পাঠ করে আলোচনা করেন যথাক্রমে—কবি ও অনুবাদক প্রফেসর মুজিব রাহমান, কবি ও চিন্তক প্রদীপ খাস্তগীর, কবি ও সাংবাদিক ওমর কায়সার, ‘লিরিক’ সম্পাদক ও কবি এজাজ ইউসূফী, কবি রূপক বরন বড়ুয়া, অধ্যাপক সনজীব বড়ুয়া, শিশুসাহিত্যিক বিপুল বড়ুয়া, শিশুসাহিত্যিক উৎপল কান্তি বড়ুয়া, শিশুসাহিত্যিক অপু বড়ুয়া, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসহাক, শিশুসাহিত্যিক ও স্লোগান এর নির্বাহী

 

 

সম্পাদক ইফতেখার মারুফ, সিলেট থেকে আগত ‘অগ্নিশিখা’ সম্পাদক ও কবি সুমন বণিক, ছড়াকার ও গবেষক রানা কুমার সিংহ, কবি রুহু রুহেল, ‘তৃতীয় চোখ’ সম্পাদক আলী প্রয়াস, কবি মানস কুমার বড়ুয়া, সাহিত্যানুরাগী চন্দন কুমার চৌধুরী, কবি ও ছড়াকার অনিন্দ্য শিমুল, লেখক ও সাংবাদিক বিপ্লব বড়ুয়া, আন্দরকিল্লা’র নিয়মিত আলোকচিত্রী নাজমুল হুদা, আশীষ নন্দী প্রমুখ।

কবি ও আবৃত্তি শিল্পী সোমা মুৎসুদ্দীর সাবলীল উপস্থাপনায় এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘আন্দরকিল্লা’ সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার।

 

বিপুল বড়ুয়া, শিশু সাহিত্যিক

বাঙালির ভাষার অধিকার হরণ- রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক মৃত্যু

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ জননী রঞ্জিতা বড়ুয়াকে নিবেদিত সন্তান সত্যজিৎ বড়ুয়ার ‘সুরাঞ্জলি’

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া   সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

জলে জঙ্গলে (পর্ব তিন)

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম