
রাসসুন্দরী দাসীর আমার জীবন : নারীর চিরকালীন লড়াইয়ের গল্প
নূর সালমা জুলি : মরা মাটি ফুঁড়ে ওঠে জীবনের কায়া লাল ত্বকে সবুজাভ ক্ষীণ তরু হলুদ বসন্ত ওরে দেখা দিবি নাকি এই বিমুখ প্রান্তরে .

নূর সালমা জুলি : মরা মাটি ফুঁড়ে ওঠে জীবনের কায়া লাল ত্বকে সবুজাভ ক্ষীণ তরু হলুদ বসন্ত ওরে দেখা দিবি নাকি এই বিমুখ প্রান্তরে .

শহীদুল ইসলাম : মূর্খ পাকিস্তানিরা যুদ্ধোত্তর সময়ে অনেক কিছেই ধ্বংস করেছে, ছারখার করে পুড়িয়ে মেরেছে অনেক কিছুই। সেই ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হায়েনা বাহিনী শহীদ সাবেরের

রূপক বরন বড়ুয়া : দীর্ঘদিন এজাজ ইউসুফী ও আমি একই এলাকায় থাকলেও দু’জনের তেমন পরিচয় ছিলো না, আলাপ ও তেমন হয়নি ‘করোনা’ মহামারীর দু’বছর আগ

মুহাম্মদ ইসহাক: পর্যবেক্ষণে চোখ আবশ্যক। যে চোখ প্রত্যক্ষ করে এবং বিশ্লেষণে পারঙ্গম। কথায় আছে দেখা এবং লেখা। আমরা সবাই দেখি, পড়ি কিন্তু মননে ধারণ করে

নিজামুল ইসলাম সরফী : আনিসুজ্জামান বাঙালির সারস্বত প্রজম্মের চেতনালোকের অনন্য সারথি, মহীরুহ ও বটবৃক্ষ বটে। শৈশবে স্কুলে আমরা যে শিক্ষককে স্যার বলে সম্বোধন করি পৌঢ়ত্ব

দীপংকর শীল : বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম নিয়ে অসংখ্য সৃজনশীল সাহিত্য, সম্পাদিত বহু সংকলনগ্রন্থ, বহু মৌলিক গবেষণাগ্রন্থ রচিত হলেও

মুহাম্মদ ইসহাক : সে যাহা করে তাহার সবটা হয়ত আমার পছন্দ নহে, আমার যাহা পছন্দ তাহার সবটা হয়ত করে না সে- যখন তাহার মুখে হাসি

রহিম উদ্দিন : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থ নোবেল জয়ের মাধ্যমে বাংলা কবিতা ১৯১৩ সালে বিশ্ব কবিতার মর্যাদা লাভ করে। ফলে, বাংলা সাহিত্য ও বাংলা কবিতা

রূপক বরন বড়ুয়া ষাটের দশকে যে ক’জন কবি রয়েছেন তাদের মধ্যে ময়ুখ চৌধুরী এক ব্যতিক্রমী নাম। তবে তিনি দশক মানেন না। তিনি বলেন “আমি দশকওয়ারি

ইসরাইল খান ভূমিকা: উনিশ শতকের রেনেসাঁস হিন্দুসমাজেই বদ্ধ ছিল। ওর মর্মবাণী সমাজঅভ্যন্তরে প্রবাহিত করেছিলো যেসকল সাময়িকপত্র তা ছিল হিন্দুসমাজপতিগণের। মুসলিম- পত্রপত্রিকার উদাহরণ কেবলই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। উল্লেখ

\ আন্দরকিল্লা ডেক্স \ নাটোর ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার হাজেরা ফাউন্ডেশন সাহিত্য সম্মেলন শুভ উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে প্রতি

মন ও প্রাণের অনাবিল আনন্দ আমেজে শীতার্ত সন্ধ্যেয় হৃদয়ের উষ্ণতায় উচ্ছল উচ্ছ্বাসে আন্দরকিল্লার ২৮ বছর পদার্পণ, ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬, এবং তিন কবির জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠিত

ইকবাল তাজওলী কলেজ থেকে ফিরছি। সাধারণত আমি ট্রেনেই ফিরি। কী করব? বাড়ি বেশ দূরেও না, আবার একদম কাছেও না। যোগদান করেছি এই মাস ছয়েক

রোখসানা ইয়াসমিন মণি ডা. অভ্র সেনগুপ্ত, একজন প্রথিতযশা জ্যোতির্বিজ্ঞানী। ল্যাবের কাঁচের দেওয়ালের ওপারে ধূসর আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। আজ সকালটা মেঘাচ্ছন্ন, ঠিক তার মনের মতো।