
দুপুর রঙের বৃষ্টি (পর্ব-১৪)
রাজকুমার শেখ নাদিরা আজ অনেক ভোরে উঠেছে। আম বাগানে একটা কোকিল ডাকছে। ও যেন কি একটা হারিয়ে ফেলেছে? থামবার ফুরসত নেই যেন। নাদিরা ওর ডাক

রাজকুমার শেখ নাদিরা আজ অনেক ভোরে উঠেছে। আম বাগানে একটা কোকিল ডাকছে। ও যেন কি একটা হারিয়ে ফেলেছে? থামবার ফুরসত নেই যেন। নাদিরা ওর ডাক

রাজ কুমার শেখ বৃষ্টি পড়লেই নাজের মন খারাপ হয়ে যায়। সে কোথাও বের হতে পারে না। ভাবনার জাল বুনে চলে সারাক্ষণ। সব হাবিজাবি কথা। পুরোনো

রাজ কুমার শেখ : নাজের ঘুম ভাঙে অনেক বেলায়। আজ রমি আসবে বলেছে। মিনাও আসতে পারে। গত রাতে যা ঘটেছে তা এখন ও মনে করতে

রাজকুমার শেখ : কদিন ধরেই ওর নোরিন ফুপুকে কেমন অন্য মনস্ক লাগছে। আজ খুব সকালে কোথায় যেন গেছিলো। নাজ অত সকালে না উঠলে মনে হয়

রাজকুমার শেখ : গতকাল বৃষ্টিতে ভিজে নাজের ঠান্ডা লেগেছে। আজ ওর কলেজ যেতে ইচ্ছে করছে না। আজ ঘুম থেকে উঠতে দেরি হল। আম বাগানে রোজ

রাজকুমার শেখ: নোরিন ফুপু বেশ কয়েকবার তাকে ডেকে গেছে। কিন্তু সে উঠবো উঠবো করে এখনো ওঠেনি। আম বাগানে একটা মৌটুসী ডাকছে। ওকে ডাকবার সময় পুবের

রাজকুমার শেখ : পাখিটা ডেকেই চলেছে। ভোর ভোর একটা ভাব। এখনো অনেক রাত। আসগর আলির ঘুম আসে না। কি জানি একটা চিন্তা মাথার মধ্যে ঘুরপাক

রাজ কুমার শেখ : নাজ দাঁড়িয়ে ছিল কলেজের গেটের সামনে। আজও একটু আগেই বের হল কলেজ থেকে। রমি আসবে বলেছে। কিন্তু এত দেরি করছে কেন

রাজ কুমার শেখ : আজ তার মাথার ভেতর শুধু একটি কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। শান্তি কী? এ কথার উত্তর দিতে পারেনি আসগর আলি। নাদিরা তার মুখেই

রাজকুমার শেখ আজ খুব ভোরে বের হয়েছেন আসগর আলি। রাতে তেমন আর ঘুম আসে না। রাতে হালকা খান। তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যেতে চান না। বসে বসে

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে