এখন সময়:রাত ১২:৪১- আজ: মঙ্গলবার-১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:রাত ১২:৪১- আজ: মঙ্গলবার
১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

আজিজ কাজল এর গুচ্ছ কবিতা

ধাত্রি

ধাত্রি-মা বেশি চালাক হলে সুস্থ বাচ্চাজন্ম সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে

একটি সুস্থ জলাশয় আর একটি সুস্থ মা, দুটোই পৃথিবীর জন্য বয়ে আনতে পারে কমলাগন্ধা ভবিষ্যৎ।

 

 

 

হিস্

ঢেউ-তোড়ে ভেসে যায় পৃথিবীর সমস্ত দ্বিধা ও সন্ন্যাস কিছু ঢেউ অতল ও অভিজাত, কিছু ঢেউ ক্ষুধা ও ওষুধ।

পৃথিবীর সমস্ত ডালপালা একটি অন্নভুক পাত্রের পাশেই বসবাস করে।

 

 

 

পতনাঙ্ক

শুক্লপক্ষের চাঁদে পতনের সুর নেমে এলে বাবুদের চোখ দোল-পূণিমার পালে জেগে তুলে দেহের প্রার্থনা।

ট্রেনের চাকা গতিপথের সূত্র মেনে হাজারো-শোকের শিশিরে ছড়ায় অগোছালো মুখের মায়া ভুলের পাখায়।

 

 

 

 

 

 

 

 

ধনাইবাড়ি

একটি লম্বা বাঁশের সাঁকোর উপর বসে স্নেহপাতি খুলছি। সাঁকোর প্রতিটি খাপে লাবণ্যধাম; অদূরে বর্ণবাজি আর ধোঁয়ার তামাশা একটার পর একটা যাচ্ছে গাড়ি, গন্তব্য তার নীড়

বিলপাতার সবুজ সাম্রাজ্য আর ধোঁয়ার উলঙ্গ বিষ ধনাইবাড়ির বাস্তুগোলা আজ তুমুল কংক্রিট।

 

 

ফসিল

একসময় প্রজাপতিরা খেয়ে আসতো রুপ-পুরাণের মধু।

এখন আমরা মাংশ খাওয়া ছেড়ে দিচ্ছি।

শরীরে বেড়ে যাচ্ছে ক্ষতিকর মেদকণা।

তোমার সবগুলো উৎসনদী শুকিয়ে যাচ্ছে; আমিও ধীরে ধীরে ফসিল হয়ে পড়ছি তুমি কি দেখতে পাচ্ছো?

বাঙালির ভাষার অধিকার হরণ- রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক মৃত্যু

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ জননী রঞ্জিতা বড়ুয়াকে নিবেদিত সন্তান সত্যজিৎ বড়ুয়ার ‘সুরাঞ্জলি’

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া   সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

জলে জঙ্গলে (পর্ব তিন)

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম