এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

আন্দরকিল্লার ইফতার অনুষ্ঠানে সুধীজনদের অভিমত বাঙালি জাতিসত্তা ও মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনার চিহ্নটিই অনির্বাণ অস্তিত্বের প্রতীক

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায় আবদ্ধ নয়; এটা একটি সহজ সরল পথে চলার গতিরেখা, তবে অবশ্যই দেশ-কাল-সমাজ ও রাষ্ট্রের সৃষ্টির প্রবহমান মূলধারার যাত্রী। আমাদের মূলধারার চিহ্নটি সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট। বাঙালি জাতিসত্তা ও মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনার চিহ্নটিই আন্দরকিল্লার অনির্বাণ অস্তিত্বের প্রতীক। প্রকাশনাটি এই প্রত্যয়ের বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন—আন্দরকিল্লা চট্টগ্রামের সীমানা পেরিয়ে সারা বাংলাদেশ তো বটেই পৃথিবীর নানা প্রান্তের বাঙালি পাঠকদের কাছে তার দীপ্তির আভা ছড়িয়েছে।

বাঙলি জাতিসত্তাকে আকড়ে ধরে রাখতে আন্দরকিল্লা’র প্রত্যয় ও অঙ্গীকারের সাথে সহমত ব্যক্ত করে সুধীজনরা আরো বলেন— বিগত ৫৪ বছর ধরে বাংলাদেশ নামক যে আইডেনটিটি তৈরী হয়েছে; বর্হিবিশ্বের কাছে আমাদের জাতিগত যে পরিচয় তা-ই যেন অর্থহীন এবং তুচ্ছতার দিকে ধাবিত হচ্ছে; তার সাথে এটিও ভুলে যাচ্ছি যে, আমরা এখন পশ্চিম বাংলার সাথে পার্থক্য টানতে গিয়ে নিজেদের বাঙালি বলছি না, বলছি বাংলাদেশি। কিন্তু জাতিগত সত্তা হিসেবে আমরা বাঙালিই। এই জাতিসত্তার সুদীর্ঘ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও কৃষ্টি রয়েছে; যাকে আমরা অস্বীকার করতে পারি না। আমাদের নৃতাত্ত্বিক, ভাষা ও সংস্কৃতি আমাদের অহংকার।

সুধীজন আশা প্রকাশ করেন যে, সুচিন্তিত সম্পাদনা ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিগত আটাশ বছর যাবত যে যাত্রা তা অব্যাহত থাকুক। আলো ছড়াক আমাদের জাতির মানস গঠনে।

গত ৫ মার্চ সন্ধ্যায় নগরীর পিটস্টপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে উপস্থিত হয়ে আন্দরকিল্লা’র শুভ কামনা করে বক্তব্য রাখেন— প্রফেসর মোহীত উল-আলম, প্রফেসর ওবায়দুল করিম, প্রফেসর মহীবুল আজিজ, প্রফেসর মুজিব রাহমান, নাট্যজন শিশির দত্ত, প্রফেসর শেখ সাদী, নাট্যজন অভীক ওসমান, কবি ও কথাসাহিত্যিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, কবি সাংবাদিক ওমর কায়সার, অধ্যাপক মোহাম্মদ ইসহাক, সাংবাদিক জসীম উদ্দীন চৌধুরী সবুজ, কবি ও সাংবাদিক প্রদীপ খাস্তগীর, কবি জিল্লুর রহমান, ব্যাংকার নুরউল আরশাদ চৌধুরী, ব্যাংকার শফিউল আজম, অধ্যাপক আ.ম.ম.মামুন, শিশুসাহিত্যিক বিপুল বড়ুয়া, শিশুসাহিত্যিক ইফতেখার মারুফ, সংগঠক আতিকুর রহমান, প্রবাসী রবিউল আলম, কবি রুহু রুহেল, প্রাবন্ধিক এস.এম. মোখলেসুর রহমান, সাংবাদিক হাসান নাসির, সাহিত্যকর্মী শোয়েব নাঈম, কবি মাইনুর নাহার, কবি মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, কথাসাহিত্যিক বিচিত্রা সেন, কবি সারাফ নাওয়ার, কবি এহসানুল হক কাজল, আলোক চিত্রশিল্পী নাজমুল হুদা, প্রাবন্ধিক ফিরোজ মাহমুদ, ফটো সাংবাদিক আসিফ ইকবাল, নুরুল ওসমান।

উল্লেখ্য যে, বরাবরের মতো আন্দরকিল্লার এই ইফতার মাহফিল নগরীর বিশিষ্ট সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন পেশার লোকজনের এক অভূতপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো