এখন সময়:রাত ১২:৫২- আজ: শনিবার-২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ১২:৫২- আজ: শনিবার
২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পেইন্টিং ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি

॥ আন্দরকিল্লা ডেক্স ॥শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পেইন্টিং ‘সাঁওতাল দম্পতি’ সম্প্রতি নিউইয়র্কের একটি নিলাম হাউজে ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ যাবতকালে কোন বাংলাদেশী পেইন্টারের কোন ছবি এত দামে বিক্রি হয়নি। তাই এটি একটি রেকর্ড! কাঠের প্যানেলে তৈল মাধ্যমে জয়নুল আবেদিন ‘সাঁওতাল দম্পতি’ প্রথম এঁকেছিলেন ১৯৫১ সালে। পরে ছবিটির একাধিক সংস্করণও করেছিলেন তিনি। সেদিনের নিলামে শিল্পাচার্যের আরো একটি পেইন্টিং বিক্রি হয়। ‘বসে থাকা নারী’র চিত্রটি ক্যানভাসে তৈল মাধ্যমে তিনি এঁকেছিলেন ১৯৬৩ সালের দিকে। এ চিত্রকর্মটি বিক্রি হয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ কোটি ৭ লাখ টাকায়! পেইন্টিং দুটির আগের কালেক্টর ছিলেন পাকিস্তানি কূটনৈতিক ও ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার জামশেদ মার্কার ও তাঁর স্ত্রীর সাথে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৩ সালে পেইন্টিং দুটি তাঁরা সরাসরি জয়নুল আবেদিন থেকে কিনেছিলেন। এর ৬১ বছর পর পেইন্টিং দুটি নিলামে উঠলো। উল্লেখ্য জামশেদ মার্কার কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। (এর আগেও বিখ্যাত নিলাম হাউজ ক্রিস্টিতে শিল্পাচার্যের সাঁওতাল মহিলা ছবিটি ২ কোটি টাকার উপরে বিক্রি হয়েছিলো।) বিত্তশালী শিল্পসমঝদার কালেকটর ছাড়াও ধনকুবের ব্যবসায়ীরা ইনভেষ্টমেণ্ট হিসেবে দামী শিল্পকর্ম কালেক্ট করে থাকেন কারণ এগুলো ডলার বা গোল্ড থেকেও ভালো রিটার্ণ দিতে পারে! আমাদের দেশে বেঙ্গল গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, স্কয়ার গ্রুপ ও কিছু ফাউন্ডেশনের এমন সব দামী পেইন্টিংস এর বড় কালেকশন আছে। বেশ কিছু বছর বুধ গ্রহের একটি ক্রেটারের নাম রাখা হয়েছিলো শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নামে। এবার তাঁর দুটি ছবি সোয়া ৭ কোটি টাকায় বিক্রি হয়ে আবার শিল্পাচার্য নিউজে আসলেন যা নতুন প্রজন্মকে উনার কাজ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী করে তুলতে এবং সাঁওতাল জাতির সম্পর্কে জানতে ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি