এখন সময়:রাত ১০:২৬- আজ: মঙ্গলবার-২৪শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:রাত ১০:২৬- আজ: মঙ্গলবার
২৪শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

আহমদ ছফা বনাম হুমায়ূন আহমেদ

মাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। হুমায়ূন আহমেদ তখন আহমদ ছফার পিছন পিছন ঘুরতেন। লেখক হুমায়ূন আহমেদ-কে প্রতিষ্ঠার পিছনে যে আহমদ ছফার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, সে কথা মোটামুটি সবাই জানেন।

হুমায়ূন আহমেদ ছাত্র জীবনে আহমদ ছফাকে পীর মানতেন। বোধকরি, সারাজীবনই হয়তো তাঁকে পীর মেনেছিলেন। আহমদ ছফা প্রায় রাতেই, হুমায়ূন আহমেদদের নিয়ে হাটতে বের হতেন। আর নীলক্ষেত্রে মোড়ে মাঝে মাঝে চিৎকার দিয়ে বলতেন, ‘আমার বাংলাদেশ! আমার বাংলাদেশ!’

সে কারণে হুমায়ূন আহমেদ তাঁকে বলতেন ‘হন্টন পীর’।

এই ‘হন্টন পীর’ আহমদ ছফা একদিন হুমায়ূন আহমেদকে জোর করে বাংলা বাজার নিয়ে যান। প্রকাশকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং প্রথম বই নন্দিত নরকে প্রকাশের বন্দোবস্ত করে দেন। এরপরের কাহিনি সকলের জানা। হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্যঙ্গনে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন এবং বাংলা একাডেমী থেকে সাহিত্য পুরষ্কারে ভূষিত হন।

 

এরপর হুমায়ূন আহমেদ পিএইডি সম্পন্ন করে দেশে ফিরলে, তাঁকে বাংলা একাডেমির প্যানেলভুক্ত করা হয়। আর এই প্যানেল থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হত, এইবছর কে সাহিত্য পুরষ্কার পাচ্ছে! সেবছর হুমায়ূন আহমেদ পুরষ্কারের জন্য আহমদ ছফার নাম প্রস্তুাব করলেন। যথারীতি সে প্রস্তাব বাতিলও হল। কিন্তু এই ঘটনা আহমদ ছফা কিভাবে যেন জানতে পারলেন। এরপর আহমদ ছফা হুমায়ূন আহমদকে লোক মারফত খবর পাঠিয়ে, দেখা করতে বললেন।

হুমায়ূন আহমেদ দেখা করতে গেলেন। আহমদ ছফা বললেন, ‘হুমায়ূন আপনার কত্তোবড় সাহস, আপনি আমার নাম প্রস্তাব করেন। আপনি আর কক্ষনো আমার সামনে আসবেন না। আমি যেন আর কোন সময় আপনার এই মুখখানি না দেখি’। আর সম্ভবত সেটাই ছিল হুমায়ূন আহমেদ এবং তাঁর হন্টন পীর আহমদ ছফার শেষ দেখা।

 

ছফানামা (সংগৃহীত)

বিশ্ব নারী দিবসের পুনর্পাঠ : বহুমাত্রিক নারীর নতুন ভাষ্য

শাহেদ কায়েস   নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লার ইফতার অনুষ্ঠানে সুধীজনদের অভিমত বাঙালি জাতিসত্তা ও মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনার চিহ্নটিই অনির্বাণ অস্তিত্বের প্রতীক

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

প্রথা ভেঙে বেরিয়ে এসো নারী  

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

আদিবাসী নারী

কুমার প্রীতীশ বল   ‘হৈ হৈ হৈ জুমত  যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

মহাশ্বেতা দেবী: দর্শন, সাহিত্য ও সমাজচেতনার প্রতিফলন

রওশন রুবী   মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে