এখন সময়:ভোর ৫:১৫- আজ: রবিবার-১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:ভোর ৫:১৫- আজ: রবিবার
১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

চেরাগীর শিখায় প্রত্যয়ের বছর

শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র বর্ষ: ২৮। সংখ্যা: জানুয়ারি ২০২৬-এর প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করা হয়েছে চট্টগ্রামের চেরাগী চত্ত্বরের মনুম্যান্টাল স্থাপত্যের নান্দনিক ও ভাবগত এক গভীর বোধের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এই চেরাগী চত্ত্বর এখন আর কেবল একটি ভৌগোলিক পরিসর নয়; এই চত্বর এখন হয়ে উঠেছে এক নিরবচ্ছিন্ন বুদ্ধিবৃত্তিক আলোর পরিসর। এখানে চিন্তার বহুমুখী ধারা চেরাগের শিখার মতো দিনরাত প্রজ্জ্বলিত থাকে— প্রশ্নে, তর্কে, সৃজনে, প্রকাশে ও প্রত্যয়ে। এখানকার বিবিধ ভাবনাজাত আলো কেবল চিন্তার আলোকবর্তিকার নয়; তা দর্শনের, সাহিত্যের, শিল্পের এবং সামাজিক চেতনার সম্মিলিত দীপ্তি। শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’ এবং ‘আবির প্রকাশন’-এর ঠিকানাও এই চেরাগীচত্বর সংলগ্ন। যেখানকার লেখা, প্রকাশনা ও ভাবনার মধ্যেও গড়ে উঠেছে এই চেরাগীর অবিচ্ছিন্ন প্রতিধ্বনিতে। নিরবচ্ছিন্ন এই আড্ডা চেরাগী চত্ত্বরকে রূপ দিয়েছে একটি জীবন্ত বুদ্ধিবৃত্তিক মোড়ে। প্রতিদিনের প্রতিটি প্রহরে এখানে যে নিবেদিত কথোপকথনের বিস্তৃত রেখাপথ ছড়িয়ে পড়ে, তা যেন এক অদৃশ্য সহমিলিত সম্পর্ক। এখান থেকে বিবিধ ভাবনা প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। শিল্পী ও সাহিত্যিকের পাশাপাশি সংগঠক, সাংবাদিক, প্রকাশক, মিডিয়া ও থিয়েটারকর্মী, গায়ক, শিক্ষক ও অধ্যাপক, নানান পেশাজীবী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নিয়মিত উপস্থিতি চেরাগী চত্ত্বরকে করে তুলেছে আড্ডার এক বিশুদ্ধ ও স্বতঃস্ফূর্ত ঠিকানা। এখানে মতভেদ যেমন সহাবস্থান করে, তেমনি ভিন্ন মতও নির্মিত হয় এই চত্বরের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে, এবং নাগরিক বুদ্ধিবৃত্তিকতার এক অবিরাম অনুশীলন চেরাগীর পরিসরে নিরন্তর চলতে থাকে। এবং এভাবেই চেরাগীর এই নিরবচ্ছিন্ন আড্ডা ক্রমশ গড়ে তুলেছে নাগরিক বুদ্ধির এক অবিনাশী তাত্ত্বিক গলি, যেখানে বিবিধ আলোচনা ও বিতর্ক হয়ে ওঠে নতুন বোধের অন্তত উপভোগ্য।

 

এই সংখ্যার মাধ্যমে আমরা সকলকে জানাই নতুন বছর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের জন্য এক সচেতন প্রত্যাশা। যে প্রত্যাশা কেবল ক্যালেন্ডারের পরিবর্তনে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আত্মসমালোচনার সাহস, মানবিক জাগরণের সংবেদন এবং সৃষ্টিশীল প্রত্যয়ের দৃঢ়তায় নির্মিত এক অর্থবহ সময়চেতনার আহ্বান। কামনা করি, এই বছরটি হোক চিন্তার পুনর্বিন্যাসের, বিবেকের পুনর্জাগরণের এবং সৃজনশীল অনুশীলনের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। যেখানে ব্যক্তি ও সমাজ উভয়েই নিজ নিজ সীমা অতিক্রম করে মানবিকতার বিস্তৃত পরিসরে প্রবেশ করতে পারে। ২০২৬ হোক এমন এক সময়, যেখানে প্রশ্নকে ভয় নয়, বরং এই সময় যেন এক বুদ্ধিবৃত্তিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করে। যেখানে মতভেদ বিভাজনের কারণ নয়, বরং মতভেদ সংলাপের সূত্র হয়ে উঠবে; এবং যেখানে সৃজনশীলতা কেবল শিল্পের ভেতর সীমাবদ্ধ না থেকে সামাজিক দায় ও নৈতিক প্রত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অর্থবহ রূপ লাভ করবে। এই প্রত্যাশা নিয়েই নতুন বছরের পথে আমাদের যাত্রা হয়েছে—সচেতন, সংবেদনশীল এবং সৃষ্টিশীল অনুপ্রেরণায়।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি