এখন সময়:রাত ২:১৩- আজ: শুক্রবার-২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:রাত ২:১৩- আজ: শুক্রবার
২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

ডাকটিকিট ও আধুনিক নারী প্রগতি আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব সুফিয়া কামাল

তারিকুল আমিন

 

ডাকটিকিটের ইংরেজি শব্দ হচ্ছে postage stamps। ইতিহাস আজীবন কথা বলে। কথা বলে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে যা পরে ইতিহাস হয়ে উঠে একটা সময়। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়ে যায় ডাকটিকিট। ডাকটিকিট একটি দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সভ্যতা ধারণ করে এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের পরিচয় করিয়ে দেয়। আর সেই ডাকটিকিট ভিন্ন ভিন্ন সভ্যতা, ভিন্ন দেশের সংস্কৃতি এবং সেই দেশের বিখ্যাত ব্যক্তির কর্ম তুলে ধরা হয় উক্ত ছোট্ট সেই ডাকটিকিটে। যদি প্রথম ডাকটিকিটে রানির ছবি দেয়া না থাকতো তাহলে আমরা অনেকেই বুঝতে পারতাম না যে এটা কোন দেশের ডাকটিকিট। বেগম সুফিয়া কামাল (২০শে জুন ১৯১১-২০শে নভেম্বর ১৯৯৯) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা, নারীবাদী এবং আধুনিক নারী প্রগতি আন্দোলনের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব। এই মহান লেখিকাকে নিয়ে বাংলাদেশ সরকার প্রকাশ করেন একখন্ড ডাকটিকিট। যেখানে তার সরল চোখের আড়ালে রয়েছে নারীদের প্রতি অন্যায়ের বলিষ্ঠ কলমের রেখা। তার সেই চাহনীতে চিল না কোন ভয়, ছিল না মাথা নত করার মতো ভাবনা।

সাল ১৯৭১। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা বাংলাদেশ। এই যুদ্ধে বাংলাদেশের নারীরা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। শুধু কী মুক্তিযুদ্ধে? না এ পযন্ত যতগুলো স্বৈরাচারী আন্দোলন হয়েছে সবগুলোতেই সম্মুখ সমরে নারীর অংশগ্রহণ রয়েছে। অল্প হলেও, অন্যান্য ভূমিকা অগ্রাহ্য করার মতো নয়। দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কোনো কিছুর বিনিময়ে পরিশোধযোগ্য নয়। প্রতিটি ঘরে ঘরে মায়েরা নির্ভয় নিঃশব্দ চিত্তে তাদের অতি আদরের সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধে যোগদানে উৎসাহিত করেছেন। এ ছাড়া আশ্রয়দান, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা, খাদ্য সরবরাহ, খবর আদান-প্রদান, সাংস্কৃতিক চেতনায় উৎসাহ প্রদান, অর্থ সংগ্রহসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ আপামর বাঙালি নারীরা নিরন্তরভাবে করে গেছে। কিন্তু স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে নারীদের এসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রকৃত মূল্যায়ন হয় নি। অধিকন্তু আমরা বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ ধারায় দেখতে পাই, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী’। ২৮(১) ধারায় রয়েছে, ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ ও নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্রবৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।’ জীবনের সর্বক্ষেত্রে নারীর সম-অধিকারের কথা আমাদের সংবিধানের ১০, ১৯(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। ৫ই আগস্টও নারীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সুফিয়া কামাল যাকে ‘জননী সাহসিকা’ বলা হয়। তিনি ছিলেন একজন সাহসী নারী এবং একজন সমাজ সংস্কারক। এছাড়াও তিনি ‘প্রথিতযশা কবি, লেখিকা, নারীবাদী নেত্রী’। তাকে ‘গীতিকবি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। কারণ তার লেখা রবীন্দ্র কাব্যধারার গীতি কবিতার রচয়িতা ছিল। একখণ্ড ডাকটিকিট ও আধুনিক বাংলাদেশের নারী প্রগতি আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব বেগম সুফিয়া কামালকে নিয়ে ডাকটিকিট প্রকাশিত করে বাংলাদেশ সরকার। ছোট একটুকরো ডাকটিকিটে পুরো নারী জাতিকে প্রতিনিধি করেছেন তিনি।

ঢ়ড়ংঃধমব ংঃধসঢ়ং বা ডাকটিকিট শুধু একখণ্ড কাগজ যা ডাক মাশুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ডাকটিকিট বিভিন্ন কালারের বা বিভিন্ন আয়তনের হয়ে থাকে। এই ডাকটিকিটগুলোতে নানা বর্ণে সজ্জিত হয়ে ফুটে উঠে  দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, বরেণ্য ব্যক্তিত্ব প্রকৃতি দিকগুলো ফুটে উঠে। এতে করে সেই দেশকে খুব সহজে চিনতে পারা যায়। প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে ডাক বিভাগ থেকে ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়। সাধারণত অধিকাংশ দেশে ডাকটিকিটগুলো চারকোণা বা বক্রা আকৃতির হয়ে থাকে। নানা দেশে নানা আকৃতির ডাকটিকিট তৈরি হয়। যথাৎ-

ত্রিকোণাকার, গোলাকার ও স্টার আকৃতিরসহ বিভিন্ন আকৃতির। এই ডাকটিকিটগুলো সাধারণত কাগজের তৈরি হয়ে থাকে। তবে কাঠের ফাইবার, সিনথেটিক কাপড়ের তৈরি করা ডাকটিকিটও পাওয়া যায়। নানা প্রকার ডাকটিকিট প্রচলিত আছে। ডাকটিকিট প্রধান তিন প্রকার। যর্থাৎ-স্মারক, নির্দিষ্ট/প্রচলিত, সরকারি। ১। স্মারক ডাকটিকিট আবার তিন প্রকার। যেমন : ব্যক্তিগত, ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক। ২। নির্দিষ্ট/প্রচলিত ডাকটিকিট ও তিন প্রকার। যেমন : ব্যক্তিগত, ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক। ফিলাটেলি শাখায় ফাস্ট ডে কভার ও পাওয়া যায়। ডাকটিকিটের প্রধান অংশ ৪টি। যথার্ৎ- ছবি, টিকিটের ছিদ্র, নাম, দেশের নাম।

ডাকটিকিটের জনক যুক্তরাজ্যের রোল্যান্ড হিল। ১৮৩৭ সালের কথা, সে সময় নাকি ডাকটিকিট চালুর আগে প্রাপককেই ডাক মাশুল দিতে হতো। চিঠির পাতার ওপর ভিত্তি কওে ডাক মাশুল নির্ধারিত হত। প্রায় সময় এই ডাক মাশুল ছলাকলায় প্রাপকরা দিতে চাইতেন না। সে সময় অসুবিধাসমূহ দূর করার জন্য রোল্যান্ড হিল ডাক বিভাগের সংস্কারের প্রস্তাব দেন। এর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল ডাকটিকিটের প্রচলন করা।

১৮৪০ সালে তার এই প্রস্তাব অনুসারেই প্রাপকের পরিবর্তে প্রেরক কর্তৃক ডাকমাশুল দেবার রীতি প্রবর্তন হয়। সেই সময় থেইে ওজনের ভিত্তিতে ডাকমাশুল দেবার পদ্ধতিও চালু হয়। ১৮৪০ সালে যুক্তরাজ্যে পৃথিবীর প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়। এই ডাকটিকিটে ব্রিটেনের রানির প্রতিকৃতি ছিল। রানি ভিক্টোরিয়ার ছবি সংবলিত এই ডাকটিকেটটি চালু ১৮৪০ সালের ১ মে। রোল্যান্ড হিল এটি ডিজাইন করেন। তিনি ব্রিটিশ ডাক ব্যবস্থার উন্নতির জন্য অনেক অবদান রাখেন। তাকে বলা হয় ‘ফাদার অব পোস্টেজ স্ট্যাম্প’। উইলিয়াম হুয়োনের আঁকা রানি ভিক্টোরিয়ার ছবি দেখা যায় পেনি ব্ল্যাকে। এটি ছিল কালো রঙের। কালো রঙের কারণে নাম হয় ব্ল্যাক। এর মূল্য ছিল ১ পেনি। ব্ল্যাক রঙে এবং ১ পেনি মূল্যেও কারণে বিশ্বেও প্রথম ডাকটিকিটের নাম হয় ‘পেনি ব্ল্যাক’। আর বেগম সুফিয়া কামাল এর সাদা এই ছোট ডাকটিকিটকে বলতে পারি ‘পেনি হোয়াইট’।

‘হে কবি! নীরব কেন-ফাল্গুন যে এসেছে ধরায়,

বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?

কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-

দখিন দুয়ার গেছে খুলি?

বাতাবী নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?

দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?’

 

ডাকটিকিট সংগ্রাহক সাজিদ রহমান বলেন, ‘ডাকটিকিট শুধু এক টুকরো রঙিন কাগজ নয়, এটি একটি দেশের ইতিহাস। আমাদের দেশে ভুল ধারণা আছে, ডাকটিকিট কেবল ‘শিশুদের হবি’। কিন্তু একেকটি ডাকটিকিটের একেকটি গল্প আছে। সেগুলো সংরক্ষণের দায় আছে।’ কিন্তু সরকারিভাবে এটি হয় না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে হয় না। এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব সরকার যেভাবে দেখবে সেভাবেই মূল্যায়িত হবে। দেখবেন, সংরক্ষণের যে পদ্ধতি সেটি একেবারেই সঠিক নয়। তারা জানেও না কি সম্পদ নষ্ট করে ফেলছে।’

 

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যতজন শব্দ সম্রাজ্ঞী আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন বেগম সুফিয়া কামাল। যার প্রতিটা শব্দের গাঁথুনি দিয়ে পাঠক হ্রদয়ে কবিতার মায়ায় বেঁধেছেন ১৯৩৮ সালে তার ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যগ্রন্থ দিয়ে। এরপর তিনি এই পৃথিবীকে দেখিছেন নতুন কবিতার আলোকে অন্য এক জগৎ। ১৯৬৪ সালে ‘উদাত্ত পৃথিবী’ কাব্যগ্রন্থ দিয়ে পৃথিবীকে দেখিছেন ভিন্ন মাত্রায়। তিনি মুক্তবুদ্ধি ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন এবং সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন। এছাড়াও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ছিলেন এবং নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। তিনি রাজনৈতিক সক্রিয়তার মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন এবং আইয়ুব খানের মতো শাসকের বিরুদ্ধে সাহসের সাথে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।

সৈয়দা সুফিয়া বেগম ২০শে জুন ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের বাকেরগঞ্জ জেলার শায়েস্তাবাদে মামার বাড়ি রাহাত মঞ্জিলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একটি সম্ভ্রান্ত বাঙালি মুসলমান জমিদার খান্দানের মেয়ে ছিলেন যারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্তর্গত শিলাউরের সৈয়দ বংশ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি সাত বছর থাকতে, তার বাবা সৈয়দ আব্দুল বারী ওকালতি চাকরি এবং ঘরবাড়ি ছেড়ে সন্ন্যাসী-সুফি হয়ে যান। তাই সুফিয়া তার মা সৈয়দা সাবেরা বেগমের সাথে মামার বাড়িতেই বড় হন। সুফিয়ার নানা খান বাহাদুর নবাব সৈয়দ মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন একজন জমিদার এবং বিখ্যাত ম্যাজিস্ট্রেট।

সাহিত্যপাঠের পাশাপাশি সুফিয়া কামাল সাহিত্য রচনা শুরু করেন। ১৯২৬ সালে তার প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ সেসময়ের প্রভাবশালী সাময়িকী সওগাতে প্রকাশিত হয়। ত্রিশের দশকে কলকাতায় অবস্থানকালে বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র যেমন রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র প্রমুখের দেখা পান। মুসলিম নারীদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য বেগম রোকেয়ার প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলামে’ রোকেয়ার সঙ্গে সুফিয়া কামালের পরিচয় হয়। বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা ও প্রতিজ্ঞা তার মধ্যেও সঞ্চারিত হয়, যা তার জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে।

সুফিয়া কামাল ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। বাংলাদেশি নারীদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই সম্মান লাভ করেন। প্রতি বছর এই দিনটিতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ করা হয়। বেগম সুফিয়া কামালের ওপর বাংলাদেশে ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছে, যা তাঁর সম্মানার্থে সরকারিভাবে প্রকাশিত হয়। এই ডাকটিকিটের মাধ্যমে এই প্রথিতযশা কবি, সাহিত্যিক এবং নারী অধিকার আন্দোলনের পথিকৃৎকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। ডাকটিকিটটির মূল বিষয় ছিলেন বেগম সুফিয়া কামাল। তাঁর সাহিত্যিক ও সামাজিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবং সম্মান প্রদর্শনের জন্য এই ডাকটিকিটটি প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এই ডাকটিকিট প্রকাশ করেন। এই ডাকটিকিট শুধু যোগাযোগের একটি মাধ্যম নয়, বরং এটি বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ব্যক্তিত্বের প্রতি দেশের এই সম্মান যা ভালোবাসার একটি প্রতীক।

 

তথ্যঋণ : বাংলা ট্রিবিউন, উইকিপিডিয়া, ডাক বিভাগ

 

তারিকুল আমিন, প্রাবন্ধিক, গল্পকার

ঢাকা

বিশ্ব নারী দিবসের পুনর্পাঠ : বহুমাত্রিক নারীর নতুন ভাষ্য

শাহেদ কায়েস   নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লার ইফতার অনুষ্ঠানে সুধীজনদের অভিমত বাঙালি জাতিসত্তা ও মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনার চিহ্নটিই অনির্বাণ অস্তিত্বের প্রতীক

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

প্রথা ভেঙে বেরিয়ে এসো নারী  

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

আদিবাসী নারী

কুমার প্রীতীশ বল   ‘হৈ হৈ হৈ জুমত  যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

মহাশ্বেতা দেবী: দর্শন, সাহিত্য ও সমাজচেতনার প্রতিফলন

রওশন রুবী   মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে