
আহমদ রফিক: ভাষাসৈনিক থেকে সাহিত্য-গবেষণার আলোকবর্তিকা
শাহেদ কায়েস আহমদ রফিক (জন্ম: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯২৯-মৃত্যু: ২ অক্টোবর ২০২৫) বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের ভুবনে আহমদ রফিক একটি উজ্জ্বল নাম। তিনি একাধারে

শাহেদ কায়েস আহমদ রফিক (জন্ম: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯২৯-মৃত্যু: ২ অক্টোবর ২০২৫) বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের ভুবনে আহমদ রফিক একটি উজ্জ্বল নাম। তিনি একাধারে

আন্দরকিল্লা ডেক্স \ চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম এর ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের আত্মজীবনী ‘প্লেজার অ্যান্ড পেইন’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব

সৈয়দা মাসুদা বনি নিশ্ছিদ্র অন্ধকারের কথা শোনা থাকলেও আদতেই সেটা কেমন জানা ছিল না রিশানের। এটাই তাহলে মৃত্যুর পরের জগৎ, সে ভাবে। সে ভাবতে

বিচিত্রা সেন রুবা.. রুবা খবরদার, না খেয়ে এক পাও বাইরে দিবি না। মুশকিল হয়ে যাবে কিন্তু! মায়ের হুমকিতে অগত্যা রুবাকে দাঁড়াতেই হয়। মা যে

সুজন বড়ুয়া ছাদে উঠে দেখি শানবাঁধানো উঁচু আসনে একা বসে আছেন হরিৎবরণ ঘোষাল। একটু অবাক হলাম। এ সময় তার ছাদে বসে থাকার কথা নয়।

মোশতাক আহমদ সাফায়েতের ঘটনা আজ ছুটির দিন। সকাল দশটায় তার ঘুম ভাঙল মাথার বাম দিকে সিঁথি বরাবর ঝিঁ ঝিঁ লাগার অনুভূতি নিয়ে। হ্যাঁ, ঝিঁ

মহীবুল আজিজ উজানিপাড়া থেকে বেরিয়ে পুকুরপাড়ে দাঁড়ালে একদিকে বৌদ্ধ মন্দির এবং অন্যদিকে ডন বোসকো স্কুলের চুড়ো এই দুই দর্শনীয় বিষয় খানিকটা মনোযোগ মুহূর্তে কেড়ে নিলে

আনোয়ারুল হক মুষ্ঠিবদ্ধ রক্তাক্ত বাম হাতটা বুকের কাছে লেপ্টে আছে কিশোরী মেয়েটির। হাঁপরের মতো ওঠানামা করছে বুক, উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটছে মর্জিনা রাতের অন্ধকারে শুধু সামনের

নিপুভাই আর কবিতা শুনবেন না নাজিমুদ্দীন শ্যামল আগ্রাবাদের নিবেদন প্রেসে মাথা নিচু করে বসে থাকা মানুষটি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি মানবিক সাম্যের সমাজ বিনির্মাণের

ভালোবাসা পরমায়ু নিঃশ্বাস হতে লু হাওয়া বাতাসে উত্তপ্ত ঘ্রাণ শরীর ভিজেছে যেন কর্মে পরিশ্রান্ত জীবনের হিস্সা খোঁজে কামনার ইন্দ্রধনু! বিশ্বাস হতেও ঝরছে ধূসর

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে