
আপোস
মহি মুহাম্মদ: ‘কিরে বেডা ধরতে গেছস? বাসার সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বাক্যগুলো মিতার কানে আছরে পড়ে। দরজায় বাবার অগ্নিমূর্তি। চোখ দিয়ে আগুন ঠিকরে বের হচ্ছে।

মহি মুহাম্মদ: ‘কিরে বেডা ধরতে গেছস? বাসার সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বাক্যগুলো মিতার কানে আছরে পড়ে। দরজায় বাবার অগ্নিমূর্তি। চোখ দিয়ে আগুন ঠিকরে বের হচ্ছে।

কাজী লাবণ্য : সময়ে নারী ভয়াল বিস্ফোরক, সময়ে নিশ্চল পাথর। এমন বিপদ বলে নয়, বিপদহীন সময়েও নারীর জীবনকে যদি চলমান যান ভাবা হয় নিয়মের

জয়নুল টিটো: টেবিলে রাতের খাবার ঝিমোয়। প্লাস্টিকের জালি ঢাকনায় সযতনে ঢেকে আছে সিরামিক বাসন। পানির জগ, গেলাস, নুনদানি, ম্যাট সবই পরিপাটি করে রাখা। মাঝ

দেবাশিস ভট্টাচার্য: মেয়েটির… জন্মক্ষণেই অলৌকিক ব্যাপারটি ঘটলো, প্রসূতি সূতিকা ঘরে উত্তর দক্ষিণে শোয়া। তার পাশে তোয়ালে জড়ানো মেয়েটি। ঘরটা চৌকোণা। টালির ছাদ। তেমন কোন ফাঁক

রোকন রেজা : আয়না ঠিকই টকে টকে থাকে। সময়মতো সুযোগটা লুফে নেয়। আজিমদ্দি কিছুই বুঝতে পারে না। আয়নার দৃঢ় বিশ্বাস আল্লাহ তাকে এবার ফেরাবে না।

গৌতম বিশ্বাস : বিয়ের মাস ছয়েক না পেরোতে স্বামী নটবর মারা যেতেই শ্বশুর নিতাই ম-ল পুষ্পকে বলেছিল,” আর কার জন্যি ইখানে পড়্যে থাকপা। তার চেইয়ে

জয়নুল টিটো : ধড়ফড় করে জেগে ওঠে বিছানায় বসে পড়লো রানু। বুকটা ধুক্ ধুক্ করছে। নাগরদোলায় উপর থেকে গোত্তা খেয়ে খেয়ে নিচে নামলে যেমন লাগে,

অরূপ পালিত : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আর অবিরাম ছুটে চলা জলধারাকে নিয়ে করলডেঙ্গা পাহাড়। এই পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকা কষ্ট আর ঝর্নার স্রোতধারাকে বহন

হানিফ ওয়াহিদ : আমার ঘরে একজন জাঁদরেল মহিলা বাস করেন। তার ভয়াবহ রকমের একটা গুন আছে। সেই গুনটা হচ্ছে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আমার ভুল ধরা। আমি

মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ : বাতাসের সাথে গোল্লাছুট খেলতে খেলতে ক্লান্ত মুকিত যখন বাড়ি পৌঁছুলো,তখন পশ্চিম আকাশটাকে শেষ বেলার রাঙা চেলি পড়া বধূর মতই লাগছিল। হামাগুড়ি দেয়া

ইসরাইল খান ভূমিকা: উনিশ শতকের রেনেসাঁস হিন্দুসমাজেই বদ্ধ ছিল। ওর মর্মবাণী সমাজঅভ্যন্তরে প্রবাহিত করেছিলো যেসকল সাময়িকপত্র তা ছিল হিন্দুসমাজপতিগণের। মুসলিম- পত্রপত্রিকার উদাহরণ কেবলই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। উল্লেখ

\ আন্দরকিল্লা ডেক্স \ নাটোর ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার হাজেরা ফাউন্ডেশন সাহিত্য সম্মেলন শুভ উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে প্রতি

মন ও প্রাণের অনাবিল আনন্দ আমেজে শীতার্ত সন্ধ্যেয় হৃদয়ের উষ্ণতায় উচ্ছল উচ্ছ্বাসে আন্দরকিল্লার ২৮ বছর পদার্পণ, ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬, এবং তিন কবির জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠিত

ইকবাল তাজওলী কলেজ থেকে ফিরছি। সাধারণত আমি ট্রেনেই ফিরি। কী করব? বাড়ি বেশ দূরেও না, আবার একদম কাছেও না। যোগদান করেছি এই মাস ছয়েক

রোখসানা ইয়াসমিন মণি ডা. অভ্র সেনগুপ্ত, একজন প্রথিতযশা জ্যোতির্বিজ্ঞানী। ল্যাবের কাঁচের দেওয়ালের ওপারে ধূসর আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। আজ সকালটা মেঘাচ্ছন্ন, ঠিক তার মনের মতো।