
অমীমাংসিত
সুজন বড়ুয়া মোবাইল ফোন বেজে ওঠার শব্দে হঠাৎ সংবিৎ ফিরে পেলেন কাকলি হালদার। এতক্ষণ যেন এক গভীর ঘোরের মধ্যে ডুবে ছিলেন তিনি। কোন অচেতন

সুজন বড়ুয়া মোবাইল ফোন বেজে ওঠার শব্দে হঠাৎ সংবিৎ ফিরে পেলেন কাকলি হালদার। এতক্ষণ যেন এক গভীর ঘোরের মধ্যে ডুবে ছিলেন তিনি। কোন অচেতন

রফিকুর রশীদ মাঠের চাষাকে বৈশাখ চেনাবে কে? নেকাব্বর আলী আপদমস্তক মেঠো চাষি। মাঠে মাঠে চাষ করে, তাই তাকে চাষি বলাই ঠিক। বাংলাদেশের সবুজ শ্যামল

জাকিয়া শিমু কালা সামছু চণ্ডরোগী! অতিসহজে তার রাগ ধরে যায়! দেখা যায় সাধারণ কোনো ঘটনায় সে দঙ্গল বাঁধিয়ে বসে! আজকে অবশ্য তার মন তেতিয়ে

ভাষান্তার : জ্যোতির্ময় নন্দী লেখক পরিচিতি ইউসুফ ইদ্রিস ছিলেন মিশরের একজন অগ্রণী কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও ছোটগল্পকার। তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত মিশরীয় জীবনের বাস্তবচিত্র তুলে ধরা

মুজিব রাহমান ওড়ার আনন্দে পাখি শূন্যে দিকে দিকে বিনা অক্ষরের বাণী যায় লিখে লিখে… বীজ ছড়িয়ে যে পাখিরা বন গড়ে তোলে, প্রকৃতির নীরবতায়

সাফিয়া নুর মোকাররমা “সুখ কিনতে কত লাগবে?”—প্রশ্নটি শুনতে সরল, কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে মানুষের গভীরতম আর্তি| আধুনিক জীবনের ব্যস্ততায় আমরা প্রায়ই ভাবি, সুখ যেন

সৈয়দা মাসুদা বনি কুয়াশায় দুহাত দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছে না এমনই অবস্থা| বাসটা যে কিভাবে আগাচ্ছে!! একটা স্টপেজে বাসটা থামবার পর একজন লোক উঠল

আজমীরা শ্যামা অস্পষ্ট কোন শব্দে হঠাৎ মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল। স্বপ্নাবিষ্ট হয়ে দরজা খুলে বারান্দায় চলে গেলাম। বারান্দার নীচ দিয়ে বয়ে গেছে হিসনা নদী। যার

ফরিদ মাহমুদ এক] বিকেলের দিকে সুকুমারের চোখটা লেগে এসেছিল, কথাগুলো তার কানে লাগলো। একজন বলল, লোকটার কেউ নেই? সবসময় দেখি সিঁড়ির নিচে অন্ধকারে শুয়ে থাকে।

দীলতাজ রহমান ঘুমের ভেতর ফোন বেজে ওঠায় ধড়ফড় করা বুকে কলটা রিসিভ করলেন পঞ্চাশ ছোঁয়া তাবাচ্ছুম| তিনি ভাবেন, দুঃসংবাদ ছাড়া সুসংবাদ কেউ তাদের এই

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি