
বাংলা কবিতায় শরত-এর রূপ বন্দনা
এস ডি সুব্রত কবিতায় প্রকাশিত হয় সমকালীন প্রসঙ্গ, দেশের রূপ বৈচিত্র্য, ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে বাঙালি কবিগণ মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখেছেন শরতের কবিতা। প্রাচীনকালের

এস ডি সুব্রত কবিতায় প্রকাশিত হয় সমকালীন প্রসঙ্গ, দেশের রূপ বৈচিত্র্য, ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে বাঙালি কবিগণ মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখেছেন শরতের কবিতা। প্রাচীনকালের

মোহাম্মদ শেখ সাদী আধুনিক যুগে সাহিত্য সমাজ-রাষ্ট্রের সামূহিক প্রবণতা ও অভিঘাত থেকে আন্তরপ্রেরণা গ্রহণ করেছে। অবশ্য আধুনিক রাষ্ট্র ও সমাজ-ব্যবস্থা গড়ে ওঠার পূর্বেও সমকালীন

ইসরাইল খান বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি ও সমাজের অগ্রগতিতে ‘নান্দীপাঠ’ এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কেউ অস্বীকার করতে পারবেন বলে মনে হয় না। প্রকাশিত সংখ্যাগুলোর রচনা পরিক্রমায় দেখা

আলম খোরশেদ এমন প্রশ্নের উত্তরে অবহিতজনদের কেউ বলবেন, ‘ওই মহামানব আসে; দিকে দিকে রোমাঞ্চ লাগে মর্ত্যধূলির ঘাসে ঘাসে’; আবার কেউবা বলবেন, ‘হে নূতন দেখা দিক

শাকিল আহমদ এক. মুনির চৌধুরী তাঁর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক লিখতে গিয়ে একটি সংলাপ দিয়েছেন—‘মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, ক্ষণে ক্ষণে বদলায়, সকালে

আসহাবে কাহাফ আমাদের প্রজ্ঞা ও সাধনার যথেষ্ট ঘাটতি আছে, এ ঘাটতি থেকেই আমাদের সভ্য সমাজের প্রতিটি মানুষের অন্তরে প্রবেশ করেছে, পরশ্রীকাতরতা ও হীনমন্যতার! যার ফলশ্রুতিতে,

জসীম উদ্দীন মুহম্মদ বাংলা সাহিত্যে ঋতুর গানে বর্ষা একটি অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। ষড়ঋতুর এই দেশে বর্ষা শুধু জলবায়বীয় পরিক্রমার অংশ নয়, বরং তা এক আবেগঘন,

প্রবীর বিকাশ সরকার এশিয়ায় রবীন্দ্রনাথ প্রথম নোবেল পুরস্কার অর্জন করার ফলে জাপানে তাঁকে নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। তাঁকে সরকারের সমর্থনপুষ্ট আমন্ত্রণ পাঠানো হয় ১৯১৫

আলম খোরশেদ বছর ছয়েক আগে জার্মান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের আমন্ত্রণে বিশ্বখ্যাত নাট্যোৎসব থিয়েটার ট্রেফেন এর ছাপ্পান্নতম আসরে যোগ দিতে বার্লিন গিয়েছিলাম, পৃথিবীর আরও কুড়িটি দেশের

অজয় দাশগুপ্ত কটি জাতির মেরুদন্ড মূলত: তার শিক্ষা ব্যবস্থা। ঘনঘন মত বদল বা বিষয় বদলে রাজনীতি অভ্যস্ত হতে পারে কিন্তু শিক্ষার জন্য ভয়াবহ। যে সরকার

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে