এখন সময়:সকাল ৬:৪৭- আজ: বুধবার-১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:সকাল ৬:৪৭- আজ: বুধবার
১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

আইনাল  হক এর গুচ্ছ কবিতা

ব্যাগ ভর্তি সংকট নিয়ে ঘুরে বেড়াই

 

ধোঁয়া ওঠা কাপে চুমুকের ফাঁকে জীবন্ত হয় রাজনীতি

ওমুক স্বৈরাচার তমুক রাজাকার

আলোচনায় বাদ যায় না হাওয়া ভবন কিংবা আয়নাঘর;

স্লোগান, ঘেরাও, মিছিলের দামামায় বেসামাল দেশ

শত আছিয়ার সরব আলোচনা জমে ওঠে বেশ

হাসি উড়ার ফুরসতে একদা চা ঠান্ডা হয়ে আসে

যুক্তি পাল্টা যুক্তির পসরা সাজে সারা বাংলাদেশে

অথচ দিন শেষে পর্দার আড়ালে ঢেকে যায়

দুই টাকা পিচ কপিতে বজ্রপাতের খবর কৃষকের মাথায়।

 

 

 

 

 

 

সোনালী রোদ ও কুয়াশার দিন

 

ইদানিং সিগারেট হাতে তোমার সামনাসামনি দাঁড়াতে  ভীষণ ইচ্ছে করে, জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে বহুমাত্রিক দুঃখের শিরোনাম হয়ে কি লাভ? পার্থিব মোহ কিভাবে আমাদের দু’জগতের বাসিন্দা করে দিল, দেখলে?

একটি পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে সৃষ্ট সংকট কতটা ভয়াবহ হয়

তার উজ্জ্বলতম উদাহরণ এই অমিমাংসিত ভালোবাসা।

আচ্ছা; তোমার মন খারাপের দিনে নিশ্চয় বৃষ্টিদের নিমন্ত্রণ করো! ঝালমুড়ির সাথে চলে বৃষ্টিবিলাস।

আহা! সেসব সোনালি রোদ, কুয়াশা দিন কতই না মধুর।

 

 

 

 

 

এক ডজন রূপালী জোছনা

 

বিশ্বাস করো; এক ডজন রূপালী জোছনা

বুক পকেটে পুরে বসন্তের বিকেলে চৌরাস্তায় মোড়ে দাঁড়িয়েছিলাম; দক্ষিণা হাওয়ায় হাতের সিগ্রেটে হৃদয় পুড়িয়েছি এক আকাশের অপেক্ষায়।

কথা ছিল ইজিচেয়ারে বসা যেনতেনএকটা গোধূলি পেলে

মুখোমুখি তাকিয়ে থাকবো, কথা ছিল ছেঁড়াফাটা একটা

বাজারের ব্যাগ পেলে বিপ্লবী স্লোগানে ভর্তি করবো।

হঠাৎ কোত্থেকে উড়াধুড়া এক আচলা রোদ এসে পুড়িয়ে গেল আমাদের স্যাটেলাইট চেতনা। এখন শূন্য হাতে তোমার সামনাসামনি দাঁড়াতে ভীষণ লজ্জা পাই।

 

 

 

 

 

 

দুঃখবোধের পালকিতে সৌখিন বিলাসিতা

 

একমগ ধোঁয়া ওঠা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে

ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকি পুরাতন ও রংচটা পৃথিবীর দরজায়

দুঃখবোধের পালকিতে আমাদের সৌখিন বিলাসিতা

এবং শুকনো পাতার নিচে চাপা পড়ে অব্যক্ত প্রেমালাপ।

সমুদ্রের গা ঘেঁষে বেড়ে ওঠা কালো পাহাড় চূড়ায়

শান্তির প্রতীক হয়ে ডানা মেলে ধূর্ত কবুতর

নির্লিপ্ত আলোর মুখ জুড়ে অমাবস্যার আনাগোনা

আমাদের বিরহী দিনগুলোর কথা ভুলতে দেয় না।

 

 

 

 

 

 

 

 

সংস্কৃতির ভাগ্যাকাশে ঘোর অমানিশা

 

চরম দুর্ভাগ্য কাঁধে গুটিসুটি মেরে বসে থাকে বনমোরগ

নতজানু ইতিহাস পালকের মতো খসে পড়তে থাকে বেওয়ারিশ শরীর থেকে।

কি নিদারুণ বাস্তবতা!

কি নিদারুণ বিভৎসতা!

সংস্কৃতির চোখের নিচের কালো দাগ পড়ে

ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ের কথা সহজেই অনুমান করা যায়।

মুক্তচিন্তার মুখোমুখি দাঁড়ানো বালি ভর্তি ট্রাক

আমাদের দৈন দশার কথা স্মরণ করে দেয় বারবার।

বাঙালির ভাষার অধিকার হরণ- রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক মৃত্যু

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ জননী রঞ্জিতা বড়ুয়াকে নিবেদিত সন্তান সত্যজিৎ বড়ুয়ার ‘সুরাঞ্জলি’

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া   সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

জলে জঙ্গলে (পর্ব তিন)

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম