এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির দুই বিভাগে বৈশাখী উৎসব উদযাপিত

পাবলিক হেলথ বিভাগ:

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে পাবলিক হেলথ বিভাগের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী ও পিঠা উৎসব-১৪৩৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল ৩টায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে একটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত সদস্য ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় (স্বাস্থ্য) পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জাহেদুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, বাংলা নববর্ষ ও পিঠা উৎসব আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। শিক্ষার্থীদের মাঝে এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনই নয়, বরং আমাদের শিকড়ের সাথে সংযোগ স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা একজন শিক্ষার্থীকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার বলেন, এ ধরনের উৎসব শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, দলগত কাজ এবং সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল পাঠদানের স্থান নয়; এটি একটি সাংস্কৃতিক ও মানবিক বিকাশের কেন্দ্র। পাবলিক হেলথ বিভাগের এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিভাগের লক্ষ্য শুধু একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জন নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরি করা। বৈশাখী ও পিঠা উৎসব সেই প্রচেষ্টারই একটি অংশ, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও ঐতিহ্যকে একসাথে তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে হরেক রকমের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পিঠা প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলা পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রভাষক মো. ফয়সাল আহমেদ। সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষার্থী অনামিকা দাশ ও সাদিয়া কবির। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক ডা. মুনিরা দিলশাদ ও ডা. জেসমিন মুসা। সবশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

স্থাপত্য বিভাগ:

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির দামপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে স্থাপত্য বিভাগের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ‘স্থাপত্যের আঙিনায় বৈশাখ’ শীর্ষক উৎসব উদযাপিত হয়েছে। ০৬ মে ২০২৬, বুধবার, দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকল্প প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হয় ও বাংলাভোজের আয়োজন করা হয়।

এছাড়াও আয়োজন করা হয় বরণ ও বিদায়। উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, প্রকৌশল অনুষদের সহযোগী ডিন প্রফেসর ড. সাহীদ মো. আসিফ ইকবাল, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সহযোগী ডিন প্রফেসর এম. মঈনুল হক, স্থাপত্য বিভাগের অ্যাডভাইজার প্রফেসর সোহেল এম. শাকুর, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর জনাব সাদাত জামান খান ও প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন স্থাপত্য বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব হোসেন মুরাদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার বলেন, বৈশাখ অসাম্প্রদায়িক ও সর্বজনীন উৎসব। বাঙালিদের যত উৎসব আছে, সেগুলোর মধ্যে এটাই একমাত্র উৎসব যেখানে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, বৈশাখ নতুনকে বরণ করার শিক্ষা দেয়। নতুনকে বরণ করার জন্য মানুষের মধ্যে একটা শক্তি প্রয়োজন। এই শক্তি অর্জন করতে হয়। অনেকে এই শক্তি অর্জন করতে পারে না। তারা পুরনোকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। দেশ ও সভ্যতাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে যারা নতুনকে বরণ করতে পারে, তারা দেশ ও সভ্যতাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যায়। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির বলেন, স্থাপত্য বিভাগ প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির একটি আদরণীয় বিভাগ। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ও আয়োজনে, বিভিন্ন কিছু নির্মাণে এই বিভাগ সৌন্দর্যবর্ধনের সৃজনশীল কাজটি করে থাকে। এই বিভাগ শিক্ষার্থীদের সংখ্যার দিক থেকে নয়, বরং মানের দিক থেকে উত্তীর্ণ। অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকল্প প্রদর্শনী পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। বিভিন্ন একাডেমিক বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দও উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে নজরুলের সাহিত্যিক প্রতিরোধ

শাহেদ কায়েস একজন কবিকে নিয়ে ব্রিটিশ সরকার এতটা অস্বস্তিতে পড়েছিল কেন? তাঁর লেখা বাজেয়াপ্ত করতে হয়েছে, পত্রিকার জামানত কেড়ে নিতে হয়েছে, ছাপাখানায় নজরদারি বসাতে হয়েছে,

হঠাৎ ‘আন্দরকিল্লায় অন্তরকথা

ড. মাসুদুল হক   ২৫ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা একটু একটু করে রাতের দিকে গড়াচ্ছিল। কচি অন্ধকার পাকতে পাকতে যখন চেরাগি পাহাড় মোড়ে পৌঁছালাম, তখন চট্টগ্রামের

স্বপ্নীল বোঝাপড়া

সৈয়দ মনজুর কবির তুমি কে ও? কোন বাড়ির ছেলে? কই আগে তো কোনোদিন দেখি নাই? বেশ উচ্চ:স্বরে একটানে প্রশ্নগুলো করেন পিয়ার খান প্রায় আশি হাত

লাল নীল স্বপ্নের গল্প

দেবাশিস ভট্টাচার্য   শৈশব নিয়ে লিখতে গেলে আমি আবেগ আপ্লুত হয়ে যাই, জীবনের এতটা সময় পার করে এসে মনে হয় শৈশবই মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়।

কামার

তানভীর আহমেদ হৃদয় ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি মাটিতে নামেনি। পূর্ব আকাশে সূর্যের আভা ফুটে উঠলেও গ্রামের অধিকাংশ মানুষের ঘুম ভাঙেনি। কিন্তু আব্দুল করিম কামারের ঘরে