এখন সময়:সকাল ৬:২১- আজ: বুধবার-১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:সকাল ৬:২১- আজ: বুধবার
১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

একাত্তরে আমেরিকায় দুই ডলারের এক সন্ধ্যায়

আন্দরকিল্লা ডেক্স \ ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়। ওয়াশিংটন ডিসি’র অদূরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অন্যতম শিক্ষাকেন্দ্র। সেখানকার কোল ফিল্ড হাউসে একটি সঙ্গীতানুষ্ঠান। পনেরো হাজার ছাত্র-দর্শক মন্ত্রমুগ্ধের মতো অপেক্ষায়। মঞ্চের উপরে জোরালো স্পট লাইটের আলোতে দেখা গেলো সাধাসিধে এলোকেশী এক তরুণীকে। হাতের গিটার নিয়ে তিনি শুরু করলেন। হাজারো প্রাণ যখন গানে মাতোয়ারা তখন হঠাৎ তিনি অন্যরকম একটি গান শুরু করলেন। তিনি গাইলেন- ‘হোয়েন দ্যা সান সেটস ইন দ্যা ওয়েস্ট; ডাই এ মিলিয়ন পিপল অব দ্যা বাংলাদেশ।’ মূহুর্তেই যেন শ্রোতারা থেমে গেলো। গানের কথার মতোই বিস্তীর্ণ গ্যালারির দর্শকদের নীরব চোখে-মুখে যেন ভেসে উঠলো সন্ধ্যে বেলায় দুঃখী বাঙলার ছোট্ট ঘরগুলোতে নিভুনিভু করে জ্বলতে থাকা সন্ধ্যেপ্রদীপগুলো। সেই স্বল্প আলোতে সেপ্টেম্বরের বর্ষায় অর্ধপচা সারি সারি লাশের মাঝে দ্বীপের মতো জেগে আছে কিছু অসহায় মানুষ-মৃত্যুর অপেক্ষায়। কেউ হয়তোবা বৃষ্টিতে ঘরে ফেরেনি। কেউ তাকে খুঁজতে বেরিয়েছে অনিশ্চয়তা নিয়ে। কেউ বা রওনা করেছে অজানা গন্তব্যে-বাঙলার সব পথ সেদিন ছিলো এক একটা যশোর রোড।

তারা জানতো এই লাশের কান্নার শব্দ যতদূর যায় সেই সীমানার বাইরের পৃথিবী এসব খবর জানেনা।

অথচ জানানোর কাজটিই করেছেন বিশ্ববিখ্যাত শিল্পী জোয়ান বাইজ (ঔড়ধহ ইধবু – ঢ়ৎড়হড়ঁহপব ষরশব ইধরু). জোয়ানের বিষাদমাখা গানের আবেগের ধোঁয়ায় চোখ ভিজে আসে কারো কারো। বাঙলা থেকে হাজার মাইল দূরের কোল ফিল্ড হাউস

 

ইনডোর স্টেডিয়ামের মার্কিন-বাতাস যেন সাড়ে সাত কোটির চিৎকারে ভারী হয়ে আসে জোয়ানের গানের সূরে।

 

ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জোন যে কনসার্টে করেছিলেন, তা ছিলো বাংলাদেশকে সাহায্য করার জন্য একটি চ্যারিটি শো। যারা সেদিন দু”ডলার খরচ করে একেকটি টিকেট কিনেছিলেন তারা জোনের গান শুনে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন আমাদের বাধ্যতামূলক পরিণতি।

 

আমেরিকা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের প্রতি যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েছিল তা ন্যাক্কারজনক। জোন যখন গাইছিলেন ছাত্ররা সব উঠে দাঁড়িয়ে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছিল একযোগে। পনেরো হাজার দর্শক চিৎকার করে বলছিল ‘এনকোর’ ‘এনকোর’। বিশ্ববিখ্যাত গীতিকার ও সুরকাররা সেই সব গান রচনা ও সূর দিয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন-বব ডিলন, ক্রিস ক্রিস্টোফারসন এবং জন লেনন। জোন সব সময়ই শান্তি ও স্বাধীনতার পক্ষে সূর ধরেছেন। একবার ট্যাক্স দিতে অস্বীকার করায় জেলও খেটেছিলেন – তিনি বলেছিলেন আমার ট্যাক্সের টাকা ভিয়েতনাম যুদ্ধে ব্যবহার চলবেনা। গেয়েছেন ‘Take the ribbons from your hair’, ‘I am sailing; home again’ ,’Cry me a river ‘ অথবা ‘No women no cry’- এর মত বিখ্যাত গান।

দুঃসময়ের বন্ধুদের যেন আমরা ভুলে না যাই।

বাঙালির ভাষার অধিকার হরণ- রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক মৃত্যু

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ জননী রঞ্জিতা বড়ুয়াকে নিবেদিত সন্তান সত্যজিৎ বড়ুয়ার ‘সুরাঞ্জলি’

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

আন্দরকিল্লা’য় সুকুমার স্মরণ সন্ধ্যা

বিপুল বড়ুয়া   সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

জলে জঙ্গলে (পর্ব তিন)

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম