এখন সময়:সন্ধ্যা ৭:৫৩- আজ: শনিবার-৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:সন্ধ্যা ৭:৫৩- আজ: শনিবার
৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

ছড়ায় ছড়ায় চট্টগ্রামের পনেরো উপজেলা

ড. মোহাম্মদ আমীন

 

অঁরু বাড়ি আনোয়ারা আঁর; বঁরো বাড়ি চন্দনাইশ,

ছোডো চাচা থাই সাতকাইন্যা, বয়স উধা পঁচিশ-বাইশ।

বোয়ালহালি মাইজ্জা আঁলি, ছোডু আঁলি রউজান,

মনত পইল্লে ইথারার হথা, হইজ্যা ফাডি হাঁন হাঁন।

মীরসরাই ফুঁরো বাড়ি, লোয়াগাড়া থাই হাঁলা,

বেড়াইতো গেলে উঁনি হাঁবাই বওত বেশি ভালা।

আঁট-আাজারি লেহাপড়া, সীতাকুণ্ড আঁর চঁরি,

ডঁর মউয়া সন্দ্বীপ থাগে, রাঙ্গুনিয়াত্ অঁরি।

ফটিকছড়ি পাঁড় আছে, গোয়াছি আছে পটিয়া

বাঁশহালিত্তুন কর্ণফুলি— তারপরে শঁর চাঁডিয়া।

 

ভাষান্তর-

শ্বশুর বাড়ি আনোয়ারা, বাপের বাড়ি চন্দনাইশ,

ছোটো চাচা সাতকানিয়া, বয়স কেবল পঁচিশ-বাইশ।

বোয়ালখালী মেজো শালি, ছোটো শালি রাউজান,

মনে পড়লে তাদের কথা কলজে ফেটে খান খান।

মীরসরাই ফুঁপুর বাড়ি, লোহাগাড়া খালা,

বেড়াতে গেলে শুঁটকি খাওয়ায় অনেক বেশি ভালা।

হাটহাজারী লেখাপড়া, সীতাকুণ্ড চাকরি,

সন্দীপ থাকে বড়ো মামা, রাঙ্গুনিয়ায় শাশুড়ি।

ফটিকছড়ি পাহাড় আছে, পেয়ারা আছে পটিয়া,

বাঁশখালী টু কর্ণফুলি— তারপর শহর চাঁডিয়া।।

আলোকচিত্রশিল্পী রঘু রাই: ক্যামেরার ভেতর দিয়ে একাত্তরের রক্তাক্ত ইতিহাসের সাক্ষ্য

শাহেদ কায়েস বিশ্বখ্যাত ভারতীয় আলোকচিত্রশিল্পী রঘু রাই আর আমাদের মাঝে নেই। ৮৫ বছর বয়সে তিনি পাড়ি জমিয়েছেন অনন্তের পথে। কিন্তু তাঁর কাজ বেঁচে থাকবে আমাদের

লেখালেখি করে কয় টাকা পাও?

মাহফুজা অনন্যা   “লেখালেখি করে কয় টাকা পাও”? এরকম প্রশ্ন লেখক কবির জন্য নতুন নয়! সেদিন আমার এক শিক্ষিত বন্ধুও আমাকে একইভাবে প্রশ্ন করেছিল খুব

মায়ের কোলে শেষ আশ্রয়

প্রজ্ঞাজ্যোতি ভিক্ষু   ‘মা’ আমার — এক অবিরাম ভালোবাসার গল্প মা—এই ছোট্ট শব্দটির ভেতরে লুকিয়ে আছে এক বিশাল পৃথিবী, অফুরন্ত ভালোবাসা আর অসীম ত্যাগের গল্প।

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির দুই বিভাগে বৈশাখী উৎসব উদযাপিত

পাবলিক হেলথ বিভাগ: প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে পাবলিক হেলথ বিভাগের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী ও পিঠা উৎসব-১৪৩৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল ৩টায়

লিমন- বৃষ্টি : পরকালের শান্তি যেন তোমাদেরকে আলিঙ্গন করে

সাইয়িদ মাহমুদ তসলিম বিশ্বের সব বিশ্ববিদ্যালয় একক হৃদস্পন্দন দিয়ে কান্না করেছে বাংলাদেশি মেধাবী দুই শিক্ষার্থীর জন্য । এ যেন এক বিরল ঘটনা । বিশ্বের এমন