এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

কারা যেন আমাদের স্বপ্নগুলো ছিনিয়ে নেয়?

মানুষ যখন রক্ত শূন্যতায় ভুগে তখন মুখটা সাদাটে হয়ে যায়। মানুষটির প্রাণ আছে ঠিকই, কিন্তু নিস্তেজ ও চলৎশক্তিহীন জড়জীব বিশেষ। সমাজে এ ধরনের মানুষ দু’চারজন থাকতেই পারে। পরিবার ও সমাজ এ ক’জনের ভার বহন করে নিতেও পারে। তবে সমাজে বুদ্ধি-বিবেক যাঁদের আছে, চিন্তা চেতনায় যাঁরা শুদ্ধ এবং যাঁদের ওপর বিশ্বাস ও আস্থা রাখা যায় তাঁরাই যদি রক্ত শূন্যতায় ভুগেন এবং নিস্তেজ হয়ে পড়েন তাহলে ঐ সমাজতো কৃষ্ণ গহ্বরে পতিত হবারই কথা। এই সমাজদেহে সভ্যতা ও সংস্কৃতির আলো পড়ে না এবং অন্ধকারেই বসবাস বিধায় নিজের চোখ জুড়ে অনন্ত অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই বিরাজ করে না।

আজ চারপাশে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে রহস্যময় অদৃশ্য সুতোর টানে এমন কিছু ঘটছে, উত্থান-পতন হচ্ছে যার ভালো-মন্দ বিচার করার শক্তি ও ক্ষমতা যদি কারও না থাকে এবং অশুভ ও দুষ্ট গ্রহের বিরুদ্ধে জাগ্রত হবার আকাঙ্ক্ষা  লোপ পায় তাহলে বুঝতে হবে সমাজদেহে ক্যান্সারের মতো কঠিন ব্যাধি বাসা বেঁধেছে। এই ব্যাধি নিরাময়যোগ্য নয়— এই ভেবে যদি কবরের নীরবতায় নিমগ্ন হই এবং এতে যদি মানুষের স্বপ্নগুলো চাপা পড়ে যায় তা হলে একটি জাতির অতীত যতই গৌরবোজ্জ্বল থাকুক না কেন, তার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বলে আর কিছুই থাকে না। তাহলে আমাদের আছে বলতে কী আছে?

আছে অনেক কিছুই— গণতন্ত্র, নির্বাচিত সংসদ, সরকারসহ বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক, রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক কাঠামো, দল, নানা ধরনের ধর্মীয় ও পেশাজীবী সংঘশক্তি। এসব থেকে নানান আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক আয়োজনে উচ্চারিত কথামালা— যার মর্মাথ শান্তি ও স্বস্তির ললিত বাণী। কিন্তু যে অঘটন ঘটন পটিয়সীর অদৃশ্য সুতোর টানে আমাদের নিত্য প্রবহমান জীবনধারাকে অচল করে দিতে চায়, তার দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে ‘দূর হটো’ বলে বাক্য উচ্চারণের সাহসটুকু হারিয়ে ফেলি তাহলে শান্তি ও স্বস্তির কথিত ললিত বাণী অরণ্যে রোদন ছাড়া আর কিছু নয়। বিবেক, বুদ্ধি ও রুচির এই আকালে স্তুতি, ভক্তি, শর্তহীন আনুগত্য ও লজ্জাহীন সমর্পণ যদি আরাধ্য-উপাস্য উপাদান হয়ে ওঠে তখন আত্মার জাগরণ ঘটে না। ‘সব পেয়েছি’র তুষ্টিতে ঢেকুর তোলা পুরো সমাজটাই পরিণত হয় অন্ধ স্তাবকতার ঘুণে ধরা মাটির ঢিবিতে। এই ঢিবির মুখটা যতই সাদাটে হোক না কেন এতে সত্যিকার মাটির উর্বরতা নেই, যেন রক্তশূন্য নিস্তেজ এক মানবদেহ। সমাজটাই যখন ঘুণে ধরা মাটির ঢিবি তখন তার দরকারটাই কী— এই উপলব্ধি না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে এই অপেক্ষা আর কত কাল— এই প্রশ্নের উত্তর এই প্রজন্মকেই খুঁজতে হবে। তারাই তো জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন। স্বপ্নের অপমৃত্যু হলে তার দায় তাদেরকেই তো নিতে হবে।

প্রশ্ন জাগে, কারা যেন বার বার আমাদের স্বপ্নগুলো কেড়ে নেয়?

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো