এখন সময়:রাত ৩:৫৭- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ৩:৫৭- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় আরো একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই (সেপ্টেম্বর ২০২৩ সংখ্যা)

বৃটিশ শাসন-শোষণ থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হলে মানুষের মনে এক ধরণের ধারণা জন্মেছিল যে, যাক এবার শোষণ মুক্ত হয়ে স্বাধীন জীবন যাপন করতে পারবো। দেশভাগের পাঁচ বছরের মাথায় পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক ও লুটেরার দল প্রথম আঘাত হানলো বাঙালির ভাষার উপর। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে বাঙালি বুঝিয়ে দিল বাঙালি মাথা নত করে না। বাঙালি বীরের জাতি। সেটি আরো অনেক আগে বৃটিশদের দেখিয়ে দিয়েছিল সূর্যসেন-প্রীতিলতারা। সে যাই হোক। রক্তের বিনিময়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকেই বাঙালির মনে স্বাধীনতার সূর্য উঁকি মেরেছিল। তখন থেকেই শুরু হয় স্বাধীকার আন্দোলনের সূচনা। পশ্চিম পাকিস্তানিরা পূর্ব বাংলার মানুষদের সীমাহীন শোষণ ও নির্যাতনের মাত্রা যতই বাড়িয়ে দিল বাঙালির মানসপটও ততই দ্রোহের অনলে জ্বলে উঠছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ছয়দফা আন্দোলনের মাঝেই স্বাধীনতার স্বপ্নের বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল। উনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা পত পত করে ওড়ে। বাংলার দামাল ছেলেরা যে দ্রোহের তাড়নায় মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বৈষম্য ও শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সেটা প্রতিষ্ঠা হবার আগেই বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা। ভূলুণ্ঠিত হয় বাঙালির শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা কায়েমের। নতুন নতুন সরকার আসে যায়। যে যার মতো দেশ চালায়। কিন্তু যে লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, সে লক্ষ্য থেকে ক্রমাগত সবাই সরে যেতে থাকে। এখানে নতুন নতুন লুণ্ঠনকারী লুটেরা মাফিয়া গোষ্ঠী তৈরী হয়েছে। তারাই এদেশকে লুটেপুটে খাচ্ছে। ষোলো কোটি মানুষ অসহায়ের মতো লুণ্ঠনকারী মাফিয়া গোষ্ঠীর শোষণ প্রক্রিয়ায় পিষ্ট হতে হতে তাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে।
এখানে এখন একদল মানুষ রাতারাতি হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে অনায়াসে অবলীলায়। আর টাকাগুলো দেশে না রেখে বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে। আরেকদিকে কোটি কোটি মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এমতাবস্থায় এখন আমাদের আরেকজন শেখ মুজিবের দরকার। যার ডাকে মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়বে বৈষম্য ও শোষনহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার। আমার মনে হয় সেদিন আর বেশি দূরে নয়। আমি শোষিতের পক্ষে, আপনি?

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি