
শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় আরো একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই (সেপ্টেম্বর ২০২৩ সংখ্যার প্রচ্ছদ ও সম্পাদকীয়)
বৃটিশ শাসন-শোষণ থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হলে মানুষের মনে এক ধরণের ধারণা জন্মেছিল যে, যাক এবার শোষণ মুক্ত হয়ে স্বাধীন জীবন যাপন

বৃটিশ শাসন-শোষণ থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হলে মানুষের মনে এক ধরণের ধারণা জন্মেছিল যে, যাক এবার শোষণ মুক্ত হয়ে স্বাধীন জীবন যাপন


আলম খোরশেদ : আমাদের দেশটি-যে অর্থনৈতিকভাবে দরিদ্র একটি দেশ, এটা নতুন কোনো কথা নয়। এবং এই দুঃসহ দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য দেশে বিগত বছরগুলোতে সরকারি বেসরকারি

বৃটিশ শাসন-শোষণ থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হলে মানুষের মনে এক ধরণের ধারণা জন্মেছিল যে, যাক এবার শোষণ মুক্ত হয়ে স্বাধীন জীবন যাপন



বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক দেশ বরেণ্য জাতিসত্তার কবি, কথাসাহিত্যিক মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেছেন ব্যক্তি ও নেতা পর্যায়ে একমাত্র বঙ্গবন্ধুর নিখুঁত ও নির্বিকল্প উপলব্ধি, তাঁর দ্বিধাহীন ঘোষণা,

মুস্তফা হাবীব স্রষ্টার আঠারো হাজার মাখলুকাতের মধ্যে মানুষই শ্রেষ্ঠ। মানুষের সুখ সমৃদ্ধির জন্য যতো উপাদান প্রয়োজন তার সবটাই অন্যান্য সৃষ্টির মধ্যে বিদ্যমান এবং মানুষের অধীন।

আহসান হাবিব: যেদিন থেকে বিয়ে নামের একটি জবরদখলী প্রতিষ্ঠানের জন্ম হলো, সেদিন থেকেই প্রেম নামের একটি অসাধারণ রোমাঞ্চকর সুখানুভূতি মৃত্যুর দিকে যাত্রা করলো। প্রেম এখন

বাবুল সিদ্দিক: ওমর খইয়াম ছিলেন কবি, গণিতবেত্তা,দার্শনিক বিজ্ঞানী ও জ্যোর্তিবিদ। ইরানের নিশাপুরে জন্মগ্রহন করেন। যুবা বয়সে তিনি সমরখন্দ চলে আসেন এবং সেখানে শিক্ষা সমাপ্ত করেন।

হোসাইন আনোয়ার আজ থেকে ৭৯ বছর আগের কথা। ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যটেন তার রোয়েদাদ ঘোষণা করেন, এই ঘোষণার পর

মা সুগৃহিনী শ্রমতী রঞ্জিতা বড়ুয়ার ৮৩ তম জন্মদিনকে উপলক্ষ করে ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গানে গানে সুরের

বিপুল বড়ুয়া সুকুমার বড়ুয়া আমাদের ছড়াসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম পুরুষ। নানা আঙ্গিক, বিষয়বস্তু, ধরণ-ধারণে, বৈচিত্রে অনুধ্যানে তিনি অসংখ্য ছড়া লিখে আমাদের ছড়া অঙ্গনে বহুমাত্রিকভাবে খ্যাত

ইমদাদুল হক সূফী ভূমিকা মানুষের সভ্যতার ইতিহাস যতটা ভাষা ও লেখার, ঠিক ততটাই রঙ ও রেখার। মানুষ কথা বলতে শেখার বহু আগেই ছবি এঁকেছে।

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম