এখন সময়:রাত ১২:৩৩- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ১২:৩৩- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

কাক—মা আর কোকিল—মা এর অদ্ভুত রসায়ন

বাবুল সিদ্দিক

কাক—মা জানত তার বাসায় কোকিলের ডিম। সে কোকিল—মা কে তার বাসা থেকে চুপিসাকে বেরিয়ে যেতে দেখেছে। বাসায় ফিরে সে গুনে দেখেছে, তার বাসায় ডিমের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটেছে। জানলেও সে কাউকে কিছু বললো না। ধৈর্য্য ধরে ডিমে তা দিল, বাচ্চা ফুটলে তাকে পোকাটা—মাকড়টা খাইয়ে বড় করে তুললো। সে জানত, এই অবোধ শিশুটি একদিন ভিন্ন স্বরে গেয়ে উঠবে গান, আলাদা করে নিবে নিজেকে। সবই জানত কাক—মা কিন্তু কাউকে কিছু বুঝতে দিল না।

 

সবই ভাবল, তার মত বোকা আর কেউ হয় না ! তাকে বার বার বোকা বানিয়ে যায় কোকিল—মা। দুনিয়ার কাছে বোকা হয়েও সে চুপ করেই থাকলো, নইলে  কি হতো কোকিল ছাগুলোর ?  জন্মই যে হতো না তাদের ! আর জন্ম না হলে কেই বা গাইত বসন্ত দিনের অমন বন—মাতানো, মন—মাতানো গান ? মা যে তাদের উড়নচন্ডী ! বাসা বানানোর ধৈর্য্য নাই, সারাক্ষন শুধু উড়ে—উড়ে, সুরে—সুরে, ঘুরে—ঘুরে বাড়াচ্ছে।

তাকে অবশ্য দোষ দেয় না কাক—মা। সবাই কি আর একই রকম হয় ?  সে নিজে কি অমন গাইতে পারবে কোন দিন ? যে পারে সে না হয় একটু কম সংসারী হলই ! তার সন্তানদের বড় করে দিতে কোন আপত্তি নেই কাক—মা এর। এক একজন এক এক ধারার বলেই না এতো রঙ, এতো রূপ, এতো সুর এই জগতটায় !

কোন এক বসন্তের দিনে বাসায় বসে দূরে কোন কুকিলের কুহু রব শুনে স্বরটা কেমন চেনা চেনা লাগলো কাক—মায়ের ! খুশিতে, তৃপ্তিতে চোখ বুজে আসে তার। মনে মনে কত যে আশীর্বাদ করে সে তাদের। আহা বাছারা ! বেঁচে থাকো। কাক—মাকে নাইবা মনে করলে, মধুর গানে ভুবন খানি ভরিয়ে রাখো।

দুনিয়ার সবাই তাকে বোকা ভাবলেও একজন কিন্তু ঠিকই চিনেছে তাকে। নইলে কেনই বা সে ডিম পাড়ার সময় হলেই বারবার সেই কাক—মায়ের বাসাতেই ফিরে ফিরে আসে। কাক—মা আর কোকিল—মা এর এ এক অদ্ভুত রসায়ন !

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি