এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

সৈয়দা নাদিরা বেগম এর তানকা

( অক্ষর বিন্যাস-৫+৭+৫+৭+৭)

 

 

 

১।  আসমানি প্রতীকী

সত্যের ঘর

সত্য নির্দেশনায়

কেন্দ্রভূমিতে,

ঘূর্ণায়মান চক্র

সত্য অনুসন্ধানে।

 

২।  গোলযোগ

নিমগ্ন সত্তা

সমাহিত ইন্দ্রিয়

ঝিমায় শুধু!

সচেতন গ্রাহ্যতা

মানসিক উন্মেষ।

 

৩।  বন্ধু দুঃসময়

শত্রু নিষ্ক্রয়!

বন্ধু মেহেরবান

হাত বাড়ালে

সর্ব বৈরিতা নাশে

নিঃস্বার্থ ভূমিকায়।

 

৪।  দিনভর খেলা

কখনও কি?

দিনশেষ দিনান্তে

দিনগোনার!

পুনরায় ফেরে সে

বিষণ্ন গণনায়।

 

৫।  মনগত

প্রত্যাশা নয়

অসহায়ত্বে বন্দী

আগলতোলা,

মুক্তি পিয়াসু মন

ভাঙনের ইচ্ছায়।

 

৬।  অবকাশে কিছুক্ষণ

প্রত্যক্ষতায়

একান্ত পরিসর

ক্ষুদ্র অলিন্দ

ভূমিকায় অনন্য

সময়ের প্রবাহে।

 

৭। বিকোতে চায়

সওদা করে

বিকিকিনির হাটে

মালসামান

মালামাল বামাল

জব্বর বেসামাল।

 

 

৮।  পারঘাটা

দিন ফুরাবে

সন্ধ্যা তো নামবেই

নিয়ম মত

পাথেয় কিছুনাই

শেষ বিদায় পথে।

 

৯।  কেটেছে কালরাত

অরুণোদয় !

লুপ্ত পুরোনো রাত

আবর্তহীন

সমৃদ্ধ বর্তমান

ভবিষ্য রচনায়।

 

১০।  ভ্রমান্ধ

অতি সতর্ক!

চোরাবালির ফাঁদ

গোকল ধাঁধাঁ,

অবিমিশ্র প্রয়াস

দিকভ্রান্ত প্রকাশ।

 

১১।  কখনওই না

রঙের নেশা

আত্মপ্রসাদ লাভ

কৌতুক খেলা

অদৃশ্য  বিচারক

কখনোই ভুলেনা।

 

১২।  শক্তিরূপেন

ভেঙে যেওনা

স্রষ্টার মহাশক্তি

তোমার মধ্যে,

জাগ্রত সহায়ক

উত্তম ফললাভে।

১৩।  অন্যরকম প্রতিবিম্ব

বদহাওয়া

ঢাকে মানবিকতা

বিবেকহীন

আগ্রাসে সুবাতাস

বীভৎস পশুত্বে।

 

১৪।  অচেনা পথ

অলোর পথ

বড় কঠিন চেনা

অন্ধত্ব গ্রাস!

অন্ধকার হাতরে

নিষ্ফল খুঁজে ফেরা।

 

১৫।  শুধু টিকে থাকা?

রুজি সন্ধান !

লড়াই নিরন্তর

দেহ রক্ষায়

দুর্লভ এজীবন

হারায় অর্থ তার।

 

১৬।  আশাহত

ঔচিত্যহারা

আদিম গুহাবাস

মানবলজ্জা !

বিবেক পলাতক

সমাজ শৃঙ্খলিত

 

১৭।  স্মৃতিভ্রষ্ট সময়

বিস্মৃত হয়

স্মৃতির নিউরন

বহতা স্রোতে

চেনা মুখ অচেনা

পরিচয় হারায়।

 

১৮।  ধায় ঊর্ধ্বপানে

শূন্য হৃদয়

ভরুক পূণ্যফল

স্থিতিকরণে

অসীমের করুণা

রহমত ধারায়।

 

১৯।  মীমাংসিত মীমাংসা

চলা অচলা

ভেঙেছে জগদ্দল

শান্তিরবারি

গতির সঞ্চালন

সম্ভাবনা সম্ভেদ।

 

২০।  বাঁধন

বাঁচার আশা

স্বপ্ন শুধু তিতির

জীবন ঘিরে

ভাবনারা আমার

মায়ার জালে বাঁধে।

ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে নজরুলের সাহিত্যিক প্রতিরোধ

শাহেদ কায়েস একজন কবিকে নিয়ে ব্রিটিশ সরকার এতটা অস্বস্তিতে পড়েছিল কেন? তাঁর লেখা বাজেয়াপ্ত করতে হয়েছে, পত্রিকার জামানত কেড়ে নিতে হয়েছে, ছাপাখানায় নজরদারি বসাতে হয়েছে,

হঠাৎ ‘আন্দরকিল্লায় অন্তরকথা

ড. মাসুদুল হক   ২৫ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা একটু একটু করে রাতের দিকে গড়াচ্ছিল। কচি অন্ধকার পাকতে পাকতে যখন চেরাগি পাহাড় মোড়ে পৌঁছালাম, তখন চট্টগ্রামের

স্বপ্নীল বোঝাপড়া

সৈয়দ মনজুর কবির তুমি কে ও? কোন বাড়ির ছেলে? কই আগে তো কোনোদিন দেখি নাই? বেশ উচ্চ:স্বরে একটানে প্রশ্নগুলো করেন পিয়ার খান প্রায় আশি হাত

লাল নীল স্বপ্নের গল্প

দেবাশিস ভট্টাচার্য   শৈশব নিয়ে লিখতে গেলে আমি আবেগ আপ্লুত হয়ে যাই, জীবনের এতটা সময় পার করে এসে মনে হয় শৈশবই মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়।

কামার

তানভীর আহমেদ হৃদয় ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি মাটিতে নামেনি। পূর্ব আকাশে সূর্যের আভা ফুটে উঠলেও গ্রামের অধিকাংশ মানুষের ঘুম ভাঙেনি। কিন্তু আব্দুল করিম কামারের ঘরে