আবু মকসুদ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘বাংলাদেশ চাওয়া’ বা ‘স্বাধীনতা চাওয়া’ নিয়ে কখনোই কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকার কথা নয়। কিন্তু ইতিহাসকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে মাঝে মাঝেই কিছু প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। আসুন, কিছু অনুমানের আশ্রয় নিয়ে দেখি, ইতিহাসের নিরিখে সেই সব অনুমানের কোনো ভিত্তি আছে কি না।
প্রথম অনুমান: বাংলাদেশের ধারণা বঙ্গবন্ধুর ছিল না।
ধরা যাক, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের শেষে তিনি “জয় পাকিস্তান” বা “জিয়ো পাকিস্তান” বলে তার বক্তব্য শেষ করেছিলেন। তাহলে কি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংঘটিত হতো? ইতিহাসের ধারা কি একই থাকত? যারা আজ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ চাওয়া নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেন, তাঁরা নিশ্চয়ই একটি অনস্বীকার্য সত্য স্বীকার করবেন। ১৯৭১-এ যে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, সেই যুদ্ধের প্রতিটি স্লোগান, প্রতিটি প্রেরণার উৎস ছিল একটিই নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই যুদ্ধ অন্য কোনো মতাদর্শের নামে কিংবা অন্য কোনো নেতার কর্ণধারিত্বে পরিচালিত হয়নি। বঙ্গবন্ধুর নামই ছিল এই যুদ্ধের মূলমন্ত্র। শেখ মুজিব যদি পাকিস্তানই রাখতে চেয়েছিলেন তাহলে তাঁর নাম নিয়ে মানুষ বাংলাদেশ কেন নিয়ে এল!
দ্বিতীয় অনুমান: স্বাধীনতার ঘোষণায় তার কোনো ভূমিকা ছিল না।
ধরা যাক, বঙ্গবন্ধু সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণাটি দিতে পারেননি। ২৫শে মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁর আগমনী বার্তা কি থেমে গিয়েছিল? ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে ইপিআরের ওয়্যারলেস থেকে, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে যারা স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান বা এম. এ. হান্নান তাঁরা কাদের পক্ষ থেকে এবং কার নামে সেই ঘোষণা প্রচার করেছিলেন? তাঁরা প্রত্যেকেই স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে” এবং “তাঁর নির্দেশে” বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হচ্ছে। এমনকি জিয়াউর রহমান তার কণ্ঠে প্রথমে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ না করায় পরবর্তীতে আবার বঙ্গবন্ধুর নাম উল্লেখ করে পুনঃপ্রচার করেছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে, যারা স্বাধীনতার ঘোষণার কৃতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তারা কি এই ঐতিহাসিক সত্যটিও অস্বীকার করবেন যে, মুক্তিযুদ্ধের সূচনাটাই হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নামকে পতাকা করে?
তৃতীয় অনুমান: বঙ্গবন্ধু ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন।
আরও একটি অসম্ভব অনুমান করা যাক। ধরা যাক, পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি অবস্থায় বঙ্গবন্ধু জানতেনই না যে বাংলাদেশের মানুষ তাঁর নামে একটি মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানতেন না যে তার অনুপস্থিতিতে কেউ কেউ হয়তো নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এই অনুমান ভুল প্রমাণিত হয় ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারির ঘটনায়। যুদ্ধ শেষে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি যখন সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এলেন, তখন তাঁকে কী অভ্যর্থনা জানালো জনগণ? লাখ লাখ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাকে রাষ্ট্রের নেতৃত্বে বসাল। জনগণ তাঁকেই তাদের পরম প্রয়োজনীয় নেতা হিসেবে গ্রহণ করল। যদি সত্যিই অন্য কেউ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতেন, যদি মুক্তিযুদ্ধ অন্য কোনো চরিত্রের নামে পরিচালিত হতো, তাহলে জনগণ নিশ্চয়ই সেই নেতৃত্বকেই বুকে টেনে নিত। ইতিহাসে সফল বিপ্লবের পর নেতৃত্ব পরিবর্তনের বহু উদাহরণ রয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসে তা ঘটেনি জনগণ বিনা দ্বিধায় বঙ্গবন্ধুকেই তাদের জাতির পিতা হিসেবে বরণ করে নিয়েছিল।
চতুর্থ অনুমান: তিনি পাকিস্তানের প্রতি অনুগত ছিলেন।
একটি যুক্তিতে বলা হয়, তিনি হয়তো পাকিস্তান ভাঙতে চাননি। তাহলে এই প্রশ্নটির উত্তর দিন। আজও পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে, তাদের সামরিক একাডেমির পাঠ্যপুস্তকে এবং রাজনৈতিক বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধুকে কেন “গাদ্দার” (দেশদ্রোহী) হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়? পাকিস্তানের সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদদের লেখা স্মৃতিকথায় বারবার কেন বঙ্গবন্ধুর নাম ক্ষোভের সাথে উচ্চারিত হয়? তাঁরা তাঁকে মনে করেন সেই ব্যক্তি হিসেবে, যিনি পাকিস্তানের পতনের মূল কারণ। এই যে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বয়ানে বঙ্গবন্ধুকে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, সেটিই কি প্রমাণ করে না যে, তিনিই ছিলেন পাকিস্তান ভাঙার মূল কারিগর?
পঞ্চম অনুমান: তিনি একজন সাধারণ রাজনীতিবিদ ছিলেন।
আসলে, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এই “ধরা যাক” খেলা অফুরন্ত। কিন্তু প্রতিটি “ধরা যাক”-এর বিপরীতে ইতিহাস দেয় একটি অনস্বীকার্য সত্য।
ধরা যাক, তিনি নিরীহ একজন বক্তা ছিলেন। তাহলে পাকিস্তান সরকার তাঁকে বারবার কারাগারে বন্দি করল কেন? আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে সেই বিখ্যাত মামলা কার বিরুদ্ধে সাজানো হয়েছিল? পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী যদি তাকে এত ভয় না পেত, তবে কেন তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহের আসামি বানানো হয়েছিল?
ধরা যাক, তিনি জনগণের কাছে অজনপ্রিয় ছিলেন। তাহলে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় লাখো মানুষ তাঁকে “বঙ্গবন্ধু” (বাংলার বন্ধু) উপাধি দিতে এগিয়ে এল কেন?
ধরা যাক, তাঁর কোনো প্রভাব ছিল না। তাহলে ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে পূর্ব বাংলার মানুষ কেন তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিল? মানুষ কি এমন কাউকে ভোট দেয় যে তাদের বঞ্চনার কথা বলে না, তাদের অধিকার আদায়ের কথা বলে না?
ধরা যাক, তিনি স্বাধীনতার স্থপতি ছিলেন না। তাহলে ৭ মার্চের সেই ১৯ মিনিটের ভাষণ কেন আজও একটি জাতির শিরায় শিরায় অগ্নিসঞ্চার করে? কেন সেই ভাষণকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে?
ধরা যাক, তিনি ইতিহাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র নন। তাহলে স্বাধীনতার পর নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের সংবিধান রচনার দায়িত্ব তার নেতৃত্বেই কেন সম্পন্ন হলো? কেন গণপরিষদে সর্বসম্মতভাবে তা গৃহীত হলো?
ধরা যাক, তিনি জাতির প্রতীক নন। তাহলে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট তাঁর হত্যার ঘটনা শুধু একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে নয়, বরং একটি জাতির পিতার হত্যা ও একটি জাতির ট্র্যাজেডি হিসেবে স্মরণ করা হয় কেন?
ধরা যাক, তাঁকে বাদ দিয়েও বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব। তাহলে আজও যখনই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের কথা বলি, যখনই ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন বা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলি, কেন সর্বাগ্রে বঙ্গবন্ধুর নাম চলে আসে?
ষষ্ঠ ও চরম সত্য: যাদের ক্ষোভ কেবল বঙ্গবন্ধুর প্রতিই
আমাদের সমাজে একটি বিশেষ শ্রেণি রয়েছে, যারা বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করেই তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু এই অস্বীকারের প্রক্রিয়াটিই সবচেয়ে বড় স্বীকারোক্তি। বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করতে গেলে প্রথমেই বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করতেই হয়। এটাই কি প্রমাণ করে না যে বঙ্গবন্ধু নিজেই বাংলাদেশের প্রতিশব্দ? তিনি এমন এক প্রতীকে পরিণত হয়েছেন, যাকে সরাতে গেলেও তাকে সামনে আনতে হয়।
আরও গভীরে তাকালে দেখা যায়, পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার পরও যারা মনে প্রাণে পাকিস্তান কামনা করে, তাদের ক্ষোভের লক্ষ্যবস্তু কিন্তু কখনোই জেনারেল ইয়াহিয়া খান বা টিক্কা খান নন, যারা সামরিক বর্বরতা চালিয়ে পূর্ব পাকিস্তানকে হারিয়েছেন। তাদের ক্ষোভের পাত্র নন জাস্টিস নায়েমুদ্দিন বা গোলাম আযম, যারা রাজনৈতিক ব্যর্থতায় পাকিস্তান ধরে রাখতে পারেননি। তাদের একমাত্র এবং চিরশত্রু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থায়, তাদের ইতিহাস গ্রন্থে এবং গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধুকে “গাদ্দার” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, কিন্তু কেন?
কারণ, এই মূর্খ ও গাফেল সম্প্রদায়টি ভালো করেই জানে পাকিস্তান ভাঙার মূল কারিগর কে। জেনারেলরা ছিল নিয়তি, পাকিস্তানেরই অংশ। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ছিলেন সেই বাইরের শক্তি, সেই স্বপ্নদ্রষ্টা, যিনি বাঙালির চেতনায় “আমরা পাকিস্তানি নই” এই বোধটিকে সঞ্চারিত করেছিলেন। তিনি শুধু একটি ভূখণ্ডের সীমানা পরিবর্তন করেননি, তিনি একটি জাতির মননের সীমানা পুননির্মাণ করেছিলেন। সেই কারণেই তাঁর প্রতি এত ক্ষোভ। জিয়া বা এরশাদ বা খালেদা বা গোলাম আযমরা তাদের কাছে পরাজিত বন্ধু বা ব্যর্থ সহযাত্রী হতে পারেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধু তাদের কাছে চিরকাল “অপবাদী” ও “রাষ্ট্রদ্রোহী” কারণ তিনিই সেই বাঙালি, যিনি তাদের স্বপ্নের পাকিস্তানকে ধূলিসাৎ করেছিলেন।
সপ্তম ও চূড়ান্ত অনুমান: ভবিষ্যতের নিরিখে বিচার
এবার সবচেয়ে কঠিন অনুমানটি করা যাক। ধরা যাক, হাজার বছর পরে কেউ বঙ্গবন্ধুকে মনে রাখল না। মানুষের মুখে মুখে তখন শুধু তারেক, খালেদা কিংবা জিয়াউর রহমান। ধরা যাক, বাকশালের কারণে, সিরাজ শিকদারের কারণে কিংবা “লাল ঘোড়া দাবড়ানোর” কারণে মানুষ বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ রাখার প্রয়োজনই মনে করল না। তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা, নানা বিতর্ক, নানা অপপ্রচার ইতিহাসের পাতায় তাঁকে চাপা দিয়ে ফেলল।
কিন্তু তারপরও, হাজার বছর পরে কোনো এক কৌতূহলী মন যদি প্রশ্ন তোলে “এই বাংলাদেশ নামের দেশটা কোথা থেকে এল? কোন কুয়ার গভীর থেকে, কোন নদীর তীরে, কোন টিলার আড়ালে লুকিয়ে ছিল এই ভূখণ্ডের সত্তা?” তখন ইতিহাসের সেই খোঁজকারীকে ফিরে যেতে হবে সেই উৎসের কাছে। তাঁকে বলতে হবে সেই “রাখালের গল্প”, যে রাখাল একদিন আকাশে হাত তুলে বলেছিল, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” সেই রাখালের গল্প ছাড়া বাংলাদেশের জন্মকথা বলা অসম্ভব।
এটা শুধু ইতিহাসের ব্যাপার নয়, এটা সৃষ্টির নিয়ম। একটি মেয়ে বা ছেলে নিজে যতই যোগ্য হোক, যতই বিখ্যাত হোক না কেন, বিয়ের আলাপে একদিন না একদিন বাবা এবং দাদার নাম নিতেই হয়। কেন? কারণ শিকড়ের কথা বলতে হয়। পরিচয়ের গভীরে যেতে হলে পূর্বপুরুষের কথা বলতে হয়। আর বাবা ছাড়া তো জন্মই সম্ভব না। এই জৈবিক ও সামাজিক সত্যটি কি কেউ অস্বীকার করতে পারে? বঙ্গবন্ধুও তেমনই। তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ডিএনএর অংশ। তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের পরিচয় দেওয়া মানেই শেকড়বিচ্ছিন্ন একটি বৃক্ষের গল্প বলা, যা কখনোই টেকসই নয়।
শেষ প্রশ্নটি সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে অর্থবহ।
যদি সত্যিই তিনি কিছুই না হতেন, যদি বাংলাদেশের জন্মে তাঁর কোনো ভূমিকা না থাকত, তাহলে এত বছর পরেও তাঁকে ঘিরে এত বিতর্ক কেন? তাঁকে নিয়ে এত আলোচনা, তাঁকে ছোট করার এত চেষ্টা কেন?
ইতিহাসের এক অদ্ভুত নিয়ম আছে। যাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যায় না, তাঁকে স্মৃতি থেকে সরানোর জন্য যত চেষ্টা করা হয়, সেই চেষ্টাই বারবার প্রমাণ করে দেয় তিনি আসলে কত বড় ছিলেন। আপনি যে মানুষটাকে মুছে দিতে চান, তাকেই প্রতিদিন স্মরণ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তেমনই এক চিরন্তন নাম। তিনি বাংলাদেশের বিরোধিতাকারীদের কণ্ঠেও বাংলাদেশের প্রতীক হয়ে বেঁচে আছেন। তিনি এই জাতির পিতা আর পিতাকে যতই ভুলতে চাওয়া হোক, শিকড়ের টানে একদিন না একদিন তাঁর কাছেই ফিরে আসতে হয়।
তাই তাঁকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন নয়, তাঁকে জানাই ইতিহাসের সঠিক পাঠ।
আবু মকসুদ : যুক্তরাজ্য প্রবাসী লেখক, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট




